Abhishek Banerjee: ‘বার্ধক্য ভাতা’র নামে অভিষেকের বিরুদ্ধে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ, "৯১ কোটির" উৎস নিয়ে প্রশ্ন

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'শ্রদ্ধার্ঘ' প্রকল্পেও দুর্নীতির অভিযোগ। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববির অভিযোগ, 'ডায়মন্ডহারবারের ৭৬ হাজার বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে বার্ধক্য ভাতার নামে প্রতি মাসে হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অভিষেকের। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কয়েকজনকে কুমীরছানার মতো দেখিয়েছিলেন অভিষেক, পুরোটাই ভুয়ো', অভিযোগ তার।

কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'শ্রদ্ধার্ঘ' প্রকল্পেও দুর্নীতির অভিযোগ। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববির অভিযোগ, 'ডায়মন্ডহারবারের ৭৬ হাজার বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে বার্ধক্য ভাতার নামে প্রতি মাসে হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অভিষেকের। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কয়েকজনকে কুমীরছানার মতো দেখিয়েছিলেন অভিষেক, পুরোটাই ভুয়ো', অভিযোগ তার।

আরও পড়ুন, মমতার হাত থেকে তৃণমূলের দখল চলে গেল ঋতব্রতর হাতে, নতুন চেয়ারপার্সন হলেন অরূপ রায়

বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস প্রশ্ন তুলে বলেন, 'যদি বার্ধক্য ভাতার নামে অভিষেক বছরে ৯১ কোটি টাকা দেন, তাহলে সেই টাকার উৎস কী ?। বার্ধক্য ভাতার তথ্য কোথা থেকে পেলেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ ? একজন সাংসদের পক্ষে কীভাবে সম্ভব ? শ্রদ্ধার্ঘ প্রকল্পে নিয়ে কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে না ? অভিষেক বলেছিলেন ৬৩০০ জন ভলান্টিয়ার প্রতি মাসে টাকা দেবেন প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টাক করে, তাঁদের তালিকা কই ?' প্রশ্ন অভিজিৎ দাস ওরফে ববির।

সম্প্রতি ৩ মামলায় জেরার হ্যাটট্রিক হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারেই। জোড়া মামলায় জড়িয়ে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বুধবার সকালে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মাটি চুরির অভিযোগে FIR দায়ের করে কালীতলা-আশুতি থানা। অন্যদিকে,  রাতেই প্রায় ২৫০ কোটি টাকার আমফান ত্রাণ দুর্নীতির অভিযোগে অপর FIRটি দায়ের হয় বিষণুপুর থানায়। 
 দুটি মামলার ক্ষেত্রেই অভিযোগকারী ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। 

তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সরকারি অর্থাৎ খাস জমি থেকে বেআইনিভাবে মাটি কেটে তা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তৈরি হয়েছে বিশাল জলাশয়। অভিযোগ, এর জেরে ৫৩ দশমিক ৯৮ একর ভূমি এবং সংলগ্ন জলাশয়ের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। অভিযোগ, ২০১৭-র পর থেকে মাটি চুরি শুরু হয়। এর ফলে একটা বিশাল এলাকায় ভূমিরূপ বদলে গেছে। উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সেই ছবি তুলে ধরেছেন অভিযোগকারী।এই অবস্থায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে BNS-এর ৭টি ধারায় FIR রুজু করেছে কালীতলা-আশুতি থানা। খনি ও খনিজ পদার্থ উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন, ভূমি সংস্কার আইন, পশ্চিমবঙ্গের অভ্যন্তরীণ মৎস্য চাষ আইন, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস প্রতিরোধ আইন, এবং জল সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইনেও রুজু হয়েছে মামলা। 

পুলিশের দাবি, সংগঠিত ক্রিমিনাল সিন্ডিকেটের সাহায্যে বিশাল এলাকা জুড়ে অবৈধ ভাবে খনন কাজ চালানো হয়েছে। সাখারিপোতা মেন রোডের পাশে অবস্থিত 'MLA লেক' ও তার লাগোয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মাটি কেটে বড় মাপের বেআইনি খনন কাজ হয়েছে। অন্যদিকে, আমফানের ত্রাণ দুর্নীতি মামলাতেও পৃথক FIR করেছে বিষণুপুর থানার পুলিশ। ২০২০ সালের ২০ মে রাজ্যের বুকে আছড়ে পড়ে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আমফান। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সুন্দরবন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ভেঙে পড়ে অগণিত বাড়ি। যাদের বাড়ি সমপূর্ণ ভেঙে যায়, তাদের ২০ হাজার টাকা এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্তদের ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করে সরকার।  

ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা DBT-র মাধ্যমে ত্রাণের অর্থ দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, এক্ষেত্রেও প্রায় আড়াইশো কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। পুলিশের দাবি, উপভোক্তাদের তথ্য খতিয়ে দেখা যাচ্ছে, একই ব্যক্তির নাম একাধিকবার তালিকাভুক্ত হয়েছে। অনেক সন্দেহজনক উপভোক্তা রয়েছে তালিকায়। একই ফোন নম্বর এবং একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে একাধিকবার ত্রাণের টাকা ঢুকেছে। আবার একটি সমপূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি দেখিয়েও একাধিকবার টাকা তোলা হয়েছে।  পুলিশের দাবি, সরকারি পোর্টালে দেখা যাচ্ছে, হাজার হাজার অনুমোদিত আবেদনের ক্ষেত্রে সুপারিশকারী হিসেবে নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নাম জড়িয়েছে প্রশাসনিক আধিকারিক এবং স্থানীয় বেশ কয়েকজন পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদেরও। 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

Employees Pension Scheme: ১০ বছর...

Read Next

Weather Updates: ধেয়ে আসছে...