Anandapur Nazirabad Fire: আনন্দপুরের নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডের ৬ মাস অতিক্রান্ত, এখনও দেহ পায়নি পশ্চিম মেদিনীপুরের পরিবার

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা : নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডে ৬ মাস অতিক্রান্ত, এখনও দেহ পায়নি পরিবার। নরেন্দ্রপুর থানার দ্বারস্থ পশ্চিম মেদিনীপুরের পরিবার।

কলকাতা : নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডে ৬ মাস অতিক্রান্ত, এখনও দেহ পায়নি পরিবার। নরেন্দ্রপুর থানার দ্বারস্থ পশ্চিম মেদিনীপুরের পরিবার। আগের সরকারের আমলে মন্ত্রী থেকে বিধায়কদের জানিয়েও কিছুই লাভ হয়নি, অভিযোগ পরিবারের। থানায় বারবার এসেও ফিরে যেতে হয়েছে, এমন অভিযোগও করেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ওই পরিবার। তাই এবার নতুন সরকারের ওই পরিবারের আবেদন আবেদন দেহ যেন পুলিশ তাদের হাতে তুলে দেয়।                                        

নাজিরাবাদ-অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে ও দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৭ জনের। গত ২৫ জানুয়ারি, গভীর রাতে, আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে, 'ওয়াও মোমো'র গুদাম সহ ২টি গুদামে ভয়ঙ্কর আগুন লাগে। ঝলসে ও দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ২৭ জন কর্মীর। জলাজমি ভরাট করে বেআইনি ভাবে চলছিল এইসব গোডাউন। দমকলের তরফে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিছু ছিল না। অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থাও সঠিক ভাবে ছিল না। আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিনের মাথায় গ্রেফতার হয় গোডাউনের মালিক। গ্রেফতার হয় ভস্মীভূত ২ গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাস। গঙ্গাধর দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে। নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় গঙ্গাধর দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল, অগ্নিদগ্ধ দুটি গোডাউনের মালিকই এই গঙ্গাধর দাস। একটি তিনি নিজে ব্যবহার করতেন। আরেকটি ভাড়ায় দিয়েছিলেন WOW MOMO সংস্থাকে। যে দুই গোডাউনে আগুন লেগেছিল সেই ২ গোডাউনে নরম পানীয় ও খাদ্য সামগ্রী মজুত ছিল বলে জানা গিয়েছিল। 

বিধানসভায় পাশ গুন্ডা দমন বিল, কী কী করলেই বিপদে পড়বেন? একনজরে সরকারের নতুন পদক্ষেপের খুঁটিনাটি 

নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুমিছিলের পর, একের পর এক প্রশ্ন উঠেছিল প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে। আর তারাতলার ঘটনায়, ফের উঠছে নিয়ম না মানার অভিযোগ। সেবার প্রশ্নের মুখে পড়েছিল 'ওয়াও মোমো' সহ দুটি সংস্থা। কলকাতার বুকে অনিয়মের জেরে বিপর্যয় নতুন নয়। একের পর এক এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে। প্রাণ গেছে। নাজিরাবাদে ২ টি গোডাউন পাশাপাশি ছিল। একটি গোডাউন ছিল নিউ পুষ্পাঞ্জলি নার্সারি প্রাইভেট লিমিটেডের। আরেকটি ছিল মোমো চেন 'ওয়াও মোমো'র। পুড়ে ছাই হয়ে যায় ২টি গোডাউন। মৃত্যু হয় অসংখ্য মানুষের। বারবার প্রশ্ন উঠেছিল, কোথায় ছিল অগ্নিবিধি? কেন মানা হয়নি মিয়ম? কাদের প্রশ্রয়ে এই বাড়াবাড়ি? কীভাবে ছাড় পেয়ে যায় প্রভাশালীরা?              

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

IPL: রাঁধুনিকে মারধর!...

Read Next

Weather Alert: সারা সপ্তাহই...