We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Annapurna Yojona : লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেও এরা অন্নপূর্ণা যোজনার যোগ্য নন ! কোন চাকরি করলে বাদের তালিকায় ?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধাভোগী হলেই কি অন্নপূর্ণা যোজনায় মাসে ৩,০০০ টাকা পাওয়া নিশ্চিত? উত্তর—সব ক্ষেত্রে নয়। নতুন প্রকল্পের eligibility বা যোগ্যতার শর্ত অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্তমান সুবিধাভোগীদের অন্নপূর্ণা যোজনায় স্থানান্তরের ব্যবস্থা থাকলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে নাম বাদ পড়তে পারে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধাভোগীরা প্রত্যেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন, কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শুধু কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের সরাসরি চাকরি করলেই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়া যাবে না। কিন্তু আরও কিছু শর্ত রয়েছে। সেটা সরকারি ওয়েবসাইট ও মন্ত্রীদের ভাষণগুলিতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
- পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকারি সংস্থা, statutory body বা সরকার-পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী চাকরি থাকলেও আবেদনকারী অযোগ্য হতে পারেন।
- একই ভাবে নিয়মিত সরকারি বেতন বা পেনশন পেলেও প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না। প্রকাশিত eligibility criteria-তেও এই চাকরি ও আয়ের শর্তগুলির উল্লেখ রয়েছে।
কারা অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য যোগ্য?
প্রাথমিক শর্ত অনুযায়ী,
- আবেদনকারীকে মহিলা হতে হবে। তাঁর বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি আয়করদাতা হতে পারবেন না।কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আবেদনকারীর চাকরি এবং নিয়মিত বেতন বা পেনশনের উৎসও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোন চাকরি করলে অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম বাদ পড়তে পারে? যোগ্যতার শর্ত অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে স্থায়ী চাকরি করে নিয়মিত বেতন পাওয়া মহিলারা প্রকল্পের সুবিধার জন্য যোগ্য নন— - কেন্দ্রীয় সরকারের স্থায়ী চাকরি
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্থায়ী চাকরি
- কোনও statutory body বা বিধিবদ্ধ সংস্থায় স্থায়ী চাকরি
- রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় স্থায়ী চাকরি
- পঞ্চায়েতে স্থায়ী চাকরি
- পুরসভা বা পুরনিগমে স্থায়ী চাকরি
- অন্য কোনও local body বা স্থানীয় প্রশাসনিক সংস্থায় স্থায়ী চাকরি
- রাজ্য সরকারের সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শিক্ষকতার চাকরি
- সরকার-পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী non-teaching চাকরি
- উপরোক্ত ক্ষেত্রগুলি থেকে নিয়মিত পেনশন পাওয়া অর্থাৎ, শুধু ‘সরকারি কর্মী’ শব্দটি দেখলেই পুরো নিয়মটি বোঝা যাবে না। কোনও মহিলা সরাসরি রাজ্য সরকারের দফতরে চাকরি না করলেও, যদি তিনি পুরসভা, পঞ্চায়েত, বিধিবদ্ধ সংস্থা বা সরকার-পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী পদে থেকে নিয়মিত বেতন পান, তা হলে তিনিও অযোগ্য হতে পারেন।
তথ্যসূত্র : www.myscheme.gov.in
পেনশন পেলেও কি নাম বাদ যাবে?
শুধু চাকরিরত মহিলারাই নন, নির্দিষ্ট সরকারি উৎস থেকে নিয়মিত পেনশন পাওয়া মহিলারাও যোগ্য নন বলে eligibility criteria-তে বলা হয়েছে।অর্থাৎ, কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার এবং তালিকাভুক্ত সরকারি বা স্থানীয় সংস্থা থেকে নিয়মিত পেনশন পেলে আবেদনকারীর নাম অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগীর তালিকায় নাও থাকতে পারে।
আয়কর দিলে মিলবে না টাকা
চাকরির পাশাপাশি আরও একটি বড় শর্ত হল আয়কর। আবেদনকারী যদি Income Tax বা আয়কর প্রদান করেন, তা হলে তিনি অন্নপূর্ণা যোজনার যোগ্য নন। অর্থাৎ, বয়স ও লিঙ্গের শর্ত পূরণ করলেও আয়করদাতা হলে মাসিক আর্থিক সহায়তা মিলবে না।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেও কেন বাদ পড়তে পারে নাম?
নিয়ম অনুযায়ী, SIR-2026 প্রক্রিয়ায় মৃত, স্থানান্তরিত, বাদ পড়া বা অনুপস্থিত ভোটার হিসেবে চিহ্নিত কিছু সুবিধাভোগীর নাম migration-এর সময় বাদ যেতে পারে। draft list প্রকাশের পরে deletion, adjudication-এর পরে নাম বাদ যাওয়া এবং voter slip distribution-এর সময় ASDD হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়তে পারে।
SIR Tribunal-এ আবেদন থাকলে কী হবে?
সুবিধাভোগী SIR Tribunal-এ appeal করে থাকলে বা Citizenship (Amendment) Act-এর অধীনে আবেদন করে থাকলে, তাঁর আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা চালু থাকার কথা। একই ভাবে মৃত এবং অন্যত্র স্থায়ীভাবে চলে যাওয়া সুবিধাভোগীদের নাম ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তাই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পুরনো সুবিধাভোগীদের ক্ষেত্রেও নতুন প্রকল্পের যোগ্যতার শর্ত এবং যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: চাকরির ধরন—স্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক, অস্থায়ী বা অন্য কোনও ক্যাটেগরি—নিয়ে ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশিকা ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
নিবেদিতা বন্দ্যোপাধ্যায়