Anubrata Mondal: চন্দ্রিমা, ববি, অরূপের পরে কালীঘাট-তৃণমূলে আরও বড় ভাঙন? এবার কি বিদ্রোহী শিবিরে মমতার প্রিয় কেষ্ট?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: এবার কি কালীঘাট তৃণমূল ছাড়তে চলেছেন অনুব্রত আর আজ সেই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত তাঁর মুখে শোনা কেন কেষ্ট স্তুতি।

কলকাতা: এবার কি কালীঘাট তৃণমূল ছাড়তে চলেছেন অনুব্রত মণ্ডল? জল্পনা অন্তত তাই বলছে। আর আজ সেই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মুখে শোনা কেন কেষ্ট স্তুতি। এ ছাড়াও বিধায়ক ও বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান আবার বললেন আগামিকালের জন্য অপেক্ষা করতে।

আরও পড়ুন: শনিবার থেকে রবিবার, টানা ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ব্যান্ডেল লাইনে ট্রেন চলাচল, কোন কোন ট্রেন বাতিল জানিয়ে দিল রেল

সাংবাদিকদের সামনে এদিন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "কেষ্ট মণ্ডল একটা নাম। দক্ষ সংগঠক অনুব্রত মণ্ডল।" এ ছাড়াও কেষ্টর বিদ্রোহী শিবিরে যোগদানের জল্পনার মধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন যে বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট বেরোনোর পর থেকে অনুব্রতর সঙ্গে তাঁদের প্রায় ৩০ বার কথা হয়েছে। আখরুজ্জামান আবার বলেন, "অপেক্ষা করুন, কাল দুধ আর জল আলাদা হয়ে যাবে।"

এর মধ্যই প্রশ্ন উঠছে, এবার কি 'NCPI' সরাসরি বিজেপিতে মিশে যেতে পারে? অর্থাৎ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা সরাসরি বিজেপি সাংসদ হয়ে যেতে পারেন? রাজ্য রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে এই জল্পনাও। ইতিমধ্যেই কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ ২০ জন লোকসভার সাংসদ NCPI-তে মিশে গিয়ে NDA-কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও এই জল্পনা নিয়ে রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেছেন, "থাকুক একটু জল্পনা। আমাদের কিছু বলার নেই।" অন্যদিকে কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে প্রশ্ন তুলেছেন, "রাজ্যসভায় বিদ্রোহীদের ইস্তফা মডেল লোকসভায় নয় কেন? লোকসভার ২ ০জন অবিলম্বে ইস্তফা দিন। তাঁরা আছেন কোথায়? NCPI না তৃণমূল?"

আরও পড়ুন: রবিবার টানা ১৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে বিদ্যাসাগর সেতু, কোন কোন রাস্তা খোলা থাকবে জানিয়ে দিল কলকাতা পুলিশ

রাজ্য়ে পালাবদলের পরই রাজ্য়সভার তৃণমূল সাংসদ হিসেবে পদত্য়াগ করেছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক। গতকাল দুপুরে তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেন। রাতেই রাজ্য়সভার প্রার্থী হিসেবে তাঁদের ৩ জনের নাম ঘোষণা করে বিজেপি। এর আগে আরও একাধিক রাজ্য়ে বিজেপি ঠিক এই কৌশলই নিয়েছে। ২০১৯ সালে সমাজবাদী পার্টির ৩ সাংসদ রাজ্য়সভা থেকে পদত্য়াগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের সবাইকে রাজ্য়সভায় পাঠায় বিজেপি। ২০১৯-এ রাজ্য়সভায় কংগ্রেসের চিফ হুইপ ভুবনেশ্বর কলিতা ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর অসম থেকে জিতিয়ে তাঁকে রাজ্য়সভায় পাঠায় বিজেপি। সম্প্রতি নবীন পট্টনায়েকের BJD-র রাজ্য়সভার সাংসদ দেবাশিস সামন্তরায় পদত্য়াগ করেন। এরপর তিনি বিজেপিতে যোগ দেন ও পদ্ম-প্রতীকে অসম থেকে রাজ্য়সভায় যান। অর্থাৎ বিজেপির কৌশল স্পষ্ট। 'রাজ্য়সভায় বিরোধী শিবিরের সাংসদকে দলে টানো'। তারপর নিজেদের প্রতীকে তাঁকেই রাজ্য়সভায় পাঠানো। এভাবেই তারা দুই তৃতীয়াংশের টার্গেট ছুঁতে চাইছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

Credit Card: শুধু Minimum Due জমা...

Read Next

West Bengal News : এবার কি আর...