We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Bangladesh Fuel Crisis: বাংলাদেশে তীব্র জ্বালানি সঙ্কট, পাশে দাঁড়াল ভারত, কত ডিজেল পাঠাল নয়া দিল্লি?
Bangladesh Fuel Crisis: বাংলাদেশে জ্বালানি সঙ্কট। পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারত। সূত্রের খবর, নয়া দিল্লি ইতিমধ্যে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে বাংলাদেশে। ইরান ইজরায়েল আমেরিকার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ক্রমশ সঙ্কট দেখা দিচ্ছে জ্বালানির। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পের বাইরে দেখা গিয়েছে গাড়ি, স্কুটার, বাইকের লম্বা লাইন। জ্বালানি বাঁচাতে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের পাশে দাঁড়াল ভারত।
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তারেক রহমান। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে ভারত এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। এর মাঝেই জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের জ্বালানির ভাণ্ডারে টান পড়ায় পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। সূত্রের খবর, দু'দেশের মধ্যে বর্তমানে চলা জ্বালানি চুক্তির আওতাতেই বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে নয়া দিল্লি। ঢাকার তরফে জানানো হয়েছে যে ভারত থেকে পাঠানো ডিজেল তারা পেয়েছে। আনুষঙ্গিক সাহায্যের আবেদনও জানানো হয়েছে ঢাকার তরফে।
সংবাদসংস্থা এএনআই- কে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, 'ভারতের সঙ্গে আমাদের একটা চুক্তি হয়েছে। সেটি অনুসারে প্রতি বছর পাইপলাইনের সাহায্যে ভারত ১৮ হাজার টন ডিজেল পাঠাবে বাংলাদেশে। সেই চুক্তির অংশ হিসেবেই ৫০০০ টন ডিজেল এসেছে।' বিপিসি- র চেয়ারম্যান আরও জানিয়েছেন, 'চুক্তি অনুসারে ৬ মাসের মধ্যে অন্তত ৯০ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে আমদানি করা উচিত। ৫০০০ টন ডিজেল এসে গিয়েছে। আশা করছি আগামী ২ মাসের মধ্যে আমরা ৬ মাসের জন্য মোট ডিজেল নিয়ে আসতে পারব।'
'India-Bangladesh Friendship Pipeline', যার ২০১৭ সালে শুরু হয়েছিল, এর আওতায় নয়া দিল্লি ডিজেল পাঠিয়েছে বাংলাদেশে। Numaligarh Refinery Limited থেকে বাণিজ্যিক কারণেই এই জ্বালানি পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। প্রথমে ইজরায়েল এবং আমেরিকা একযোগে হামলা চালায় তেহরানে। নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। আর খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই প্রতিশোধ নিয়ে ভয়ঙ্কর আক্রমণের পথ বেছে নেয় ইরানও। হামলা, পাল্টা হামলার মাঝে দুশ্চিন্তা বাড়ায় হরমুজ প্রণালী। কারণ আমেরিকা, ইজরায়েল, ইউরোপ ও তাদের বন্ধুদেশের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছে ইরান। আর এই হরমুজ প্রণালীই হল সেই জলপথ যেখান দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ জ্বালানি আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় সেখানে আটকে প্রচুর জাহাজ। আর তার জেরে বিশ্ব জুড়ে সঙ্কট দেখা দিয়েছে জ্বালানির।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Bangladesh. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
ABP Ananda