We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Bangladesh News: বাংলাদেশে জামিন মঞ্জুর হল চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের, তবে আপাতত জেলেই থাকতে হচ্ছে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্রকে
ঢাকা: বাংলাদেশে একটি মামলায় জামিন পেলেন সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম আদালতে জামিন মঞ্জুর হল তাঁর। চট্টগ্রামে হাটহাজারিতে জমিদখল, ভীতিপ্রদর্শন, মারধরের অভিযোগ ছিল চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে। সেই মামলাতেই জামিন পেলেন তিনি। চতবে জামিন পেলেও আপাতত জেলেই থাকতে হচ্ছে চিন্ময়কৃ্ষ্ণকে। আরও মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। (Chinmoy Krishna Das)
জমিদখল, ভীতিপ্রদর্শন, মারধর নিয়ে ২০২৩ সালে ওই মামলাটি দায়ের হয়েছিল। চিন্মকৃষ্ণ-সহ ছয়জনকে অভিযুক্ত দেখানো হয় মামলায়। গত ৭ এপ্রিল তাঁকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। আর আজ চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন চিন্ময়কৃষ্ণের জামিন মঞ্জুর করলেন। তবে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে হত্যা-সহ আরও ছয়টি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ফলে আপাতত জেলেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে। (Bangladesh News)
আরও একাধিক মামলা রয়েছে চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে, তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা দায়ের হয়। এর পাশাপাশি, পুবিশের উপর হামলা, সরকারি কাজকর্মে বাধাপ্রদান, আইনজীবী এবং বিচারপতিদের উপর হামলার ঘটনা নিয়েও মামলা রয়েছে। ককটের বিস্ফোরণের মামলাও হয়েছে বাংলাদেশে।
চিন্ময়কৃষ্ণের জামিনকে কেন্দ্র করে যে সংঘর্ষ হয়, তাতে আইনজীবী সাইফুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে খুনের অবিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় সাইফুলের বাবা জামালউদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করেছিলেন। নাম উঠে আসে চিন্ময়কৃষ্ণেরও। পুলিশ জানিয়েছিল, চিন্ময়কৃষ্ণের উস্কানিতেই সাইফুলকে হত্যা করা হয়। ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পর সাইফুলকে লাঠি এবং ইঁট দিয়েও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
সাইফুল হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় চন্দন দাস, রিপন দাস, রাজীব ভট্টাচার্যকেও। পরবর্তীতে আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক বয়ান দেয় বলে জানা যায়। একসময় ইসকনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিন্ময়কৃষ্ণ। কিন্তু বিতর্ক যত চরমে ওঠে, চিন্ময়কৃষ্ণের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ায় ইসকন। তাঁর কোনও মন্তব্য, কোনও কার্যকলাপের দায় ইসকনের নয় বলে জানানো হয় সেই সময়। সেই থেকে এতদিন ধরে জেলেই রয়েছেন চিন্ময়কৃষ্ণ। চিন্ময়কৃষ্ণের গ্রেফতারির বিরুদ্ধে এপার বাংলায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
সেই সময় চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ ভারতের সাহায্য় প্রার্থনা করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করতে চান তিনি। আবেদন জানান, যাতে বাংলাদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে ভারত। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি-র নেতৃত্ব রবীন্দ্রর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয় রবীন্দ্রর। চিন্ময়কৃষ্ণকে জেলবন্দি করে রাখা, তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ হওয়ার নিন্দা করেছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক, ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Bangladesh. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
পম্পা অধিকারী সিংহ