We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Baruipur News: 'অপরাধের আগে দিন দশেক ধরে রেইকি', কোন কৌশলে বারুইপুরকাণ্ডের অভিযুক্তদের ধরল পুলিশ ?
বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : বারুইপুরে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হল চতুর্থ অভিযুক্তকে। বসিরহাট থেকে গ্রেফতার করা হল কবীর মোল্লাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, টাওয়ার লোকেশন ডাম্প করে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে ঘটনাস্থলে চার জনেরই টাওয়ার লোকেশন ছিল ঘটনাস্থলের।
একজন এনকাউন্টারে খতম। বাকি ৩ জন এখন পুলিশের হাতে। বারুইপুরে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বসিরহাট থেকে গ্রেফতার করা হল আরেক অভিযুক্ত কবীর মোল্লাকে। বারুইপুর থানার স্পেশাল অপারেশন টিম ও STF-এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হল নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনে আরেক অভিযুক্ত। এই ঘটনায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দারকে।
বারুইপুরকাণ্ড - 'পুলিশের কোমর থেকে সার্ভিস রিভলভার ছিনতাই', কী ঘটেছিল এনকাউন্টারের রাতে?
এদের মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে এনকাউন্টারে মৃত্য়ু হয় প্রভাস মণ্ডলের। নাবালিকার দেহ পুকুরের কোন জায়গায় ফেলা হয়েছে, তা দেখিয়ে দিয়েছিল এই প্রভাসই। সূত্রের খবর, বুধবার বাকি ৩ অভিযুক্তকে প্রথমে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার ও কবীর মোল্লাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, এদেরকেও ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হতে পারে। এদিকে বারুইপুরে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্তে টাওয়ার ডাম্প পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন ওই এলাকার টাওয়ার লোকেশন ডাম্প করা হয়। দেখা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টা অবধি ঘটনাস্থলেই টাওয়ার লোকেশন ছিল প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার ও কবীর মোল্লার। আর তা থেকেই পুলিশ নিশ্চিত হয়ে যায়, ঘটনার সময় সেখানে ছিল এই ৪ জনই। এরপরই আলাদা আলাদা করে ৩ জনকেই ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে দাবি, সেখানে আগে থেকেই ছিল আনন্দ সর্দার ও দিবাকর সর্দার। সেখানে কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। মেয়েটি সেখান থেকে বেরোতে চাইলে পিছমোড়া করে বাঁধা হয় হাত। চিৎকার করায় তাঁর ঘাড়ে আঘাত করে অভিযুক্তরা। এরপর জ্ঞান হারায় কিশোরী। তখনই তাঁকে বস্তায় ভরতে আপ্রাণ চেষ্টা চালায় তারা। কিন্তু বস্তা ছোট হওয়ায়, তা ছিঁড়ে যায়। সেই ছেঁড়া বস্তার মধ্যেই দুমড়ে-মুচড়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় নাবালিকাকে।
অভিযুক্তরা বুঝতেই পারেনি তখনও বেঁচে ছিল কিশোরী। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার অপরাধের আগে দিন দশেক ধরে এলাকায় রেকি করেছিল অভিযুক্তরা। তার পরই একেবারে প্ল্যানমাফিক ঘটিয়ে ফেলে নৃশংস এই ঘটনা।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
সোহিনী চক্রবর্তী