China-Bangladesh News: পশ্চিম থেকে পূর্বে ভারতকে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা? পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ-মায়ানমারকে নিয়ে করিডর গড়তে চায় চিন

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি: পাকিস্তান বাংলাদেশের পর এবার মায়ানমার। বঙ্গোপসাগরের নাগাল পেতে আরও একধাপ এগোল চিন। চিন-মায়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর গড়ার দিকে এগোচ্ছে তারা।

নয়াদিল্লি: পাকিস্তান বাংলাদেশের পর এবার মায়ানমার। বঙ্গোপসাগরের নাগাল পেতে আরও একধাপ এগোল চিন। চিন-মায়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর গড়ার দিকে এগোচ্ছে তারা। দশকের পর দশক এশিয়া জুড়ে প্রত্যক্ষ সংযোগ স্থাপনের যে স্বপ্ন দেখে আসছিল চিন, এবার তা বাস্তবায়নের পথে। (China-Myanmar-Bangladesh Corridor)

চিন-মায়ানমার-বাংলাদেশ করিডরের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছতে পারবে বেজিং। সম্প্রতি চিন সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকেও ওই প্রসঙ্গ ওঠে। ওই করিডরের মাধ্যমে বৃহত্তর আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্য়বস্থা গড়ে তোলার কথা বলেন জিনপিং। (China-Bangladesh News)

চিনের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ১৫ বছর আগে চিন-মায়ানমার-বাংলাদেশ করিডর গড়ার প্রস্তাব পেশ হয়। কিছু ক্ষেত্রে কাজ এগিয়েওছে। তবে একাধিক কারণে প্রত্যাশিত ফল মেলেনি। বাংলাদেশে চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে এই করিডরই সহায়ক হয়ে উঠবে। ভারতের কথা তুললে তিনি বলেন, “যদি চায়, যোগ দিতে পারে।”

আরও পড়ুন: তরুণীর মস্তিষ্কে পরজীবীর বাসা, একটি বা দু’টি নয়, ৩৮টি, ভারতে বেড়াতে এসেই কি সংক্রমণ?

চিনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং থেকে চিন-মায়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর শুরু হবে। মায়ানমারের মান্দালয় পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে করিডরটিকে। সেখানে দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাবে করিডরটি, একটি ইয়াঙ্গনের দিকে এগোবে, অন্যটি এগোবে রাখিন প্রদেশের সমুদ্রবন্দরের দিকে। রাখিন প্রদেশ হয়ে করিডরটি ঢুকবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারে। অর্থাৎ সরাসরি সড়কপথে চট্টগ্রাম এবং বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি মোংলা বন্দরে পৌঁছতে পারবে চিন। 

নয়ের দশকে প্রথম বাংলাদেশ-চিন-ভারত-মায়ানমার করিডর তৈরির প্রস্তাব ওঠে। কথা ছিল কুনমিং থেকে কলকাতা হয়ে মন্দালয় এবং ঢাকা ছুঁয়ে যাবে করিডরটি। কিন্তু ভারত এবং চিনের মধ্যে যে পারস্পরিক টানাপোড়েন, তাতে করিডরের কাজ এগোয়নি। ২০১৯ সালে শেষ পর্যন্ত ওই পরিকল্পনা ছেঁটে ফেলে চিন। তবে ভারতকে বাদ দিয়ে সম্প্রতি ফের করিডরটি গড়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে তারা। এই মুহূর্ত করিডর গড়ার প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। 

আরও পড়ুন: ৭২৭৮০৬১৬৮৬০০০০...অনেকটা বাড়ল ভারতের বৈদেশিক ঋণ, ঠিক কত টাকা ধার, হিসেব দিল RBI

তবে চিন-মায়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর ঘিরে চিন্তা বাড়ছে ভারতের। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের মাধ্যমে আরব সাগরেও পৌঁছে যাচ্ছে চিন। এখন আবার বঙ্গোপসাগরের নাগাল পাওয়ার দিকে এগোচ্ছে তারা। পশ্চিম থেকে পূর্বে চিন কার্যত ভারতকে ঘিরে ফেলার দিকে এগোচ্ছ কি না, উঠছে প্রশ্ন। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান দিয়ে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যা নিয়ে গোড়া থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে ভারত। এখন আবার পূর্ব দিকেও হাত বাড়াচ্ছে চিন, যেখানে এতদিন ভারতের বেশ প্রভাব ছিল। 

শুধু অর্থনৈতিক করিডর গড়াই নয়, আরও একাধিক চুক্তি হয়েছে তারেক এবং জিনপিংয়ের মধ্যে, যে তালিকায় রয়েছে- তিস্তা নদী প্রকল্প, সেচ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, সবুজ অর্থনীতিতে সহযোগিতামূলক সম্পর্কও। 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - World. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - World

Read Previous

Tarapith Mandir: তারাপীঠ...

Read Next

Mahesh Kale: কলকাতায়...