CM Janatar Darbar: 'আমার ছেলে ডিবেট করত নরেন্দ্র মোদির হয়ে, আর ওরা টিএমসি...', মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে এসে সুজিত বসুকে নিশানা সন্তান হারানো বাবার

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
শিবাশিস মৌলিক, কলকাতা : ২০২৪-এর ১৩ এপ্রিল লেকটাউনে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সৃঞ্জয় দে-র দেহ উদ্ধার। বন্ধুর ফ্ল্যাটে উদ্ধার হয়েছিল সৃঞ্জয় দে-র মরদেহ। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট আসে আত্মহত্যার, মানতে নারাজ পরিবার।

শিবাশিস মৌলিক, কলকাতা : ২০২৪-এর ১৩ এপ্রিল লেকটাউনে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সৃঞ্জয় দে-র দেহ উদ্ধার। বন্ধুর ফ্ল্যাটে উদ্ধার হয়েছিল সৃঞ্জয় দে-র মরদেহ। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট আসে আত্মহত্যার, মানতে নারাজ পরিবার। 'ছেলের শরীরে একাধিক আঘাত ছিল, মারধর করে খুন করা হয়েছিল। তদন্তে প্রভাব খাটিয়ে খুনকে আত্মহত্যা বলে দেখিয়েছেন সুজিত বসু। ছেলে নরেন্দ্র মোদির পক্ষে কথা বলত বলে ওকে তৃণমূল খুন করেছে', মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে এসে অভিযোগ সৃঞ্জয়ের বাবা যদু দে-র। সল্টলেকে বিজেপির সদর দফতরে ১৫ জুলাই সোমবার ছিল মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবার। সেখানেই এসেছিলেন সৃঞ্জয় দে- র বাবা যদু দে এবং তাঁর স্ত্রী।            

'আমার শহিদ, তোমার শহিদ করলে হবে না', এবার শহিদ দিবস পালন করবে NCPI-ও, জানালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার 

মৃত ছাত্রের বাবা বলছেন, '২০২৪ সালের ১৩ এপ্রিল একটা আননোন নম্বর থেকে ফোন আসে। জিজ্ঞেস করে সৃঞ্জয় দে আপনার কে হয়? আমি বললাম ছেলে। ফোনে একজন বললেন আমি লেকটাউন থানার স্টাফ বলছি। এখনুই আপনার স্ত্রী'কে নিয়ে লেকটাউন থানায় চলে আসুন। লেকটাউন থানায় গেলাম। আমাদের বসিয়ে রেখে অটোমেটিক আর জি করে ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে, আমাদের কোনও কাগজ ছাড়াই। ১২টার সময় ময়নাতদন্ত হয়েছে। আর আমাদের হাতে দেহ দেয় রাতে ৭টা সাড়ে ৭টার সময়। শ্মশানে গিয়ে সৎকারের আগে যারা সঙ্গে গিয়েছিল, তারা দেখল যে শরীরে অগুনতি আঘাতের চিহ্ন। একটা পা ভেঙে দুমড়ে দেওয়া। (ঘাড়ের দিকে ইশারা করে) এখানে একটা লোহার রড দেখানো। বাবা হিসেবে আমি তখন ছেলেকে ওখানে দাহ করতে চাইনি। মনগড়া... আমাদের ছাড়া ময়নাতদন্ত হয়েছে, দেখিয়েছে আত্মহত্যা। তৎকালীন বিধাননগর পুলিশ কমিশনার, রানাঘাট পুলিশ কমিশনারকে আমরা সব চিঠি দিয়েছি। কেউ কোনও হাত বাড়িয়ে দেয়নি। আমার ছেলে ডিবেট করত বিজেপির হয়ে, নরেন্দ্র মোদির হয়ে। বিগত দিনের ভারতবর্ষ আর বর্তমান ভারতবর্ষ। আর ওরা টিএমসি প্রভাবশালী, ওর সঙ্গে একটা দ্বন্দ্ব হয়। আমরা যখন লোকটাউন থানায় গেলাম, সৌরভ নামের জনৈক এক ব্যক্তি এসে আমার দাদাকে বলল সুজিত বসুর সঙ্গে দেখা করুন, দাদা সবটা করে দেবে। তখন বুঝলাম ওরা তো তৃণমূল, সুজিত বসুর হাত দিয়ে, পুলিশ দিয়ে পোড়ানো - সবটা হয়েছে।'            

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Kolkata. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Kolkata

Read Previous

FIFA World Cup 2026: মেসির...

Read Next

TMC News:'মমতা অনেক...