We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Control of Anti-Social Activities Bill: বিধানসভায় পাশ গুন্ডা-দমন বিল, মুখ্যমন্ত্রী বলার পর কতটা আশ্বস্ত হলেন ? প্রতিক্রিয়া হিংসায় প্রিয়জনকে হারানো বঙ্গ কন্যাদের
কলকাতা: বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল গুন্ডা-দমন সংক্রান্ত ২টি বিল। আইনশৃঙ্খলার গুরুতর অবনতি থেকে হিংসাত্মক বিক্ষোভের আঁচ পেলে, এবার ঘটনা ঘটার আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। আর এই আবহেই প্রতিক্রিয়া জানালেন একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহতের স্ত্রী ও মাকে হারানো এক বঙ্গসন্তান।
আরও পড়ুন, "চলুন না ব্রিগে়ডে যাই, দম আছে ?..", ২১ জুলাইয়ের আগে কাকে কটাক্ষ মুখ্য়মন্ত্রীর ?
একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত দেবব্রত মাইতির স্ত্রী বলেন, একুশ সালে আমার স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে।’ মুখ্যমন্ত্রী বলার পর কতটা আশ্বস্ত হয়েছেন ? উত্তরে তিনি মাথা নেড়ে সম্মত জানান। ওদের (দোষীদের) শাস্তি হোক সেটাই আমরা চেয়েছি, এমন কঠোর আইনই প্রয়োজন বলেই সম্মাতি জানালেন তিনি। অপর একজন মহিলা জানিয়েছেন, আগে আমাদের ভয় ছিল, আর এখন কোনও ভয় নেই। আমার মাকে খুন করা হয়েছিল। কারা করেছিল , জিজ্ঞেস করতেই, তিনি জানান তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীরা এই কাজ করেছিল। আমরা এখন পুরো আশ্বস্ত, যে খুনীরা শাস্তি পাবে।আর আমার মা বিচার পাবে।’
রাজ্যে সম্পত্তি ধ্বংস, দাঙ্গা এবং উগ্র-ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটাতে বিধানসভায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করল নতুন সরকার। আর বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এই আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্য়াখ্য়া করলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বিল অনুযায়ী এবার থেকে আইনশৃঙ্খলার গুরুতর অবনতি থেকে হিংসাত্মক বিক্ষোভের আঁচ পেলে, ঘটনা ঘটার আগেই, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। এছাড়া যে কোনও সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে গুন্ডাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করতে পারবে সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এর আগের আইনে অনের ফাঁক ফোকড় ছিল। বর্তমান আইনে ফাঁক ফোকড় রাখা হল না এবং এই আইন গুন্ডাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই বিল অনুযায়ী সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বলতে, জনগণের মধ্যে আতঙ্ক, বিপদ, ভয় বা নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টিকরা, জনশৃঙ্খলা বা জনশান্তি বিঘ্নিত করা। অধিকার, বৈধ ব্যবসা, পেশা বা জীবিকার স্বাভাবিক চর্চায় বাধা সৃষ্টি। স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি থেকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ।এবং সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করাকে বলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সবসময় ভাবেন ধরে কিছুদিন রাখবে। লম্বা বিচারপ্রক্রিয়া। বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হতে হতে ভোট হয়ে যাবে, সাক্ষী মরে যাবে। সব এদিক ওদিক করে দেব। এই তো ছিল এতদিনের প্র্যাকটিস। এই প্র্যাকটিস করতে দেব না। বিচার দেব।
গুন্ডা বলতে প্রধানত বলা হয়েছে নিজে অথবা কোনও দল, গ্যাং বা সিন্ডিকেটের সদস্য বা নেতা হিসেবে নিয়মিতভাবে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ করেন, করার চেষ্টা করেন, উস্কানি দেন, অর্থ জোগান বা সহায়তা করেন। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার যদি, পুলিশ সুপারের নীচে নয় এমন পদমর্যাদার কোনও অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতে সনতুষ্ট হয় যে রাজ্যে কোনও গুন্ডাকে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে আটক করা প্রয়োজন, তাহলে সরকার ওই ব্যক্তিকে আটক করার নির্দেশ দিতে পারে।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - States. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
রীতম তালুকদার