Credit Card EMI: ক্রেডিট কার্ডের EMI কি সত্যিই সস্তা? লুকিয়ে থাকা খরচ বাড়াতে পারে আপনার ঋণের বোঝা

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: অনেক টাকার কেনাকাটাকে সহজ করতে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে EMI-তে কেনাকাটা করা এখন আমাদের দেশে জলভাত। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অনেকেই EMI-এর সুবিধা গ্রহণ করেন। এতে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার পরিবর্তে মাসিক কিস্তিতে অর্থ

কলকাতা: অনেক টাকার কেনাকাটাকে সহজ করতে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে EMI-তে কেনাকাটা করা এখন আমাদের দেশে জলভাত। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অনেকেই EMI-এর সুবিধা গ্রহণ করেন। এতে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার পরিবর্তে মাসিক কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ করা যায়, ফলে খরচের চাপ তুলনামূলকভাবে কম মনে হয়।

আরও পড়ুন: কেন কম বয়সেই করা উচিত অবসর পরিকল্পনা? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

ব্যাঙ্ক, নন ব্যাঙ্কিং ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি ও ফিনটেক সংস্থাগুলি বর্তমানে দ্রুত অনুমোদন, ডিজিটাল অনবোর্ডিং এবং প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লিমিটের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে ক্রেডিট কার্ড পৌঁছে দিচ্ছে। এর ফলে দেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের হারও দ্রুত বাড়ছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ক্রেডিট কার্ডে খরচ ২ লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডি অতিক্রম করেছিল। যদিও নভেম্বর মাসে সেই পরিমাণ কিছুটা কমে ১ লক্ষ ৮৯ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়।

তবে EMI সুবিধা যতটা আকর্ষণীয় মনে হয়, বাস্তবে তার সঙ্গে একাধিক অতিরিক্ত খরচ জড়িয়ে থাকতে পারে। প্রথমত, অধিকাংশ EMI-র ক্ষেত্রে বকেয়া অর্থের উপর সুদ ধার্য করা হয়। এর ফলে, যে পরিমাণ টাকা লোন হিসাবে নেওয়া হয়, তার থেকে অনেক বেশি টাকা শোধ করতে হয়। দ্বিতীয়ত, ‘নো-কস্ট EMI’ বলা হলেও অনেক সময় সেই সুদের খরচ পণ্যের দামের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকে।

আরও পড়ুন: Maruti Suzuki Wagon R-এর ফ্লেক্স ফুয়েল মডেল নাকি সাধারণ E20 মডেল? অতিরিক্ত ৮৬ হাজার টাকা খরচ করা কতটা যুক্তিযুক্ত?

এছাড়া EMI চালু করার সময় ব্যাঙ্কগুলি এককালীন প্রসেসিং ফি নিতে পারে। EMI মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ঋণ শোধ করতে চাইলে ফোরক্লোজার চার্জও দিতে হতে পারে। শুধু তাই নয়, সুদ, প্রসেসিং ফি এবং ফোরক্লোজার চার্জের উপর GST-ও নেয় ব্যাঙ্ক বা NBFC-গুলো। এর ফলে, মোট খরচ আরও বেড়ে যায়।

তাই EMI বেছে নেওয়ার আগে শুধুমাত্র মাসিক কিস্তির পরিমাণ নয়, মোট কত টাকা কত জমা করতে হবে,সেটাও ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পণ্যের দাম তুলনা করা, অফারের শর্তাবলি পড়া এবং অতিরিক্ত চার্জ সম্পর্কে সচেতন থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। না হলে সুবিধাজনক মনে হওয়া EMI-ই ভবিষ্যতে আর্থিক চাপের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

(মনে রাখবেন : এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না। এখানে কেবল শিক্ষার উদ্দেশ্যে এই শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত খবর দেওয়া হয়। কোনও শেয়ার সম্পর্কে আমরা কল বা টিপ দিই না।)

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Banking. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Banking

Read Previous

Retirement Fund: কেন কম বয়সেই...

Read Next

Rohit Sharma Padma Shri:...