We currently don't have news in this language. Please choose another language.
EPFO Pension Rules: মৃত্যুর পর পরিবারের কারা EPF-এর পেনশন পাওয়ার যোগ্য ? কত টাকা কার জন্য বরাদ্দ ?
Pension Rules : চাকরি করার সময় আমরা অনেকেই ভাবি না এই বিষয়গুলি (EPFO Pension Rules) নিয়ে। জীবনের কোনও আকস্মিক ঘটনা বদলে দিতে পারে সবকিছু। সেই ক্ষেত্রে মৃত্যু হলে ব়ড় চিন্তা বাড়ে পরিবারের। একবার ভেবে দেখেছেন, চাকরিজীবীর মৃত্যু হলে পরিবারের কে কে পেতে পারে মৃতের EPF পেনশন। এই নিয়ে রয়েছে কী নিয়ম।
এক মাস টাকা জমা হলেও পেনশন পাওয়া যায়
একটা বিষয় সবাইকে মাথায় রাখতে হবে, আর্থিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন- মাত্র এক মাস টাকা জমা পড়লেও এই পেনশনের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। এই বিষয়ে ব্যাঙ্কবাজার-এর সিইও অধিল শেট্টি জানান, "কোনও ইপিএফ সদস্যের মৃত্যুর পর তাঁর পেনশন সুবিধা পরিবারের জন্য একটি আজীবন মাসিক আর্থিক সুরক্ষাকবচে। যদি ওই সদস্য অন্তত এক মাসও ফান্ডে অবদান রেখে থাকেন, তাহলেও তিনি এই সুবিধা পাবেন।"
EPF সদস্যের মৃত্যুর পর কারা পাবেন এই পেনশন ?
ইপিএফ নিয়ম অনুযায়ী, পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় নির্দিষ্ট কিছু পারিবারিক সদস্যকে:
১ প্রথমেই স্বামী বা স্ত্রী আগ্রাধিকার: কোনও EPF সদস্যের মৃত্যুর হলে প্রথমেই অগ্রাধিকার পান তাঁর জীবিত স্বামী বা স্ত্রী। নিয়ম অনুসারে আজীবন বা পুনরায় বিয়ে না করা পর্যন্ত এই মাসিক পেনশন পাবেন তিনি। সাধারণত, সদস্যের প্রাপ্য পেনশনের ৫০% স্ত্রী বা স্বামী পেয়ে থাকেন। তবে এই পেনশনের ন্যূনতম পরিমাণ প্রতি মাসে ৪৫০ টাকা।
২ সন্তানরা কি যোগ্য : মনে রাখতে হবে, এই পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর পাশাপাশি পরিবারের সর্বোচ্চ দুজন সন্তান এই পেনশনের সুবিধা পাবে। বাবা বা মায়ের প্রাপ্য পেনশনের ২৫% টাকা ২৫ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে সন্তানদের দেওয়া হয়।
৩ অনাথ সন্তানরা পাবেন বিশেষ সুবিধা : একটা বিষয় বুঝে নিন, যদি EPF সদস্যের কোনও দুর্ঘটনায় বাবা-মা উভয়েরই মৃত্যু হয়, তবে সন্তানেরা 'অনাথ পেনশন' (Orphan Pension) পাবে। এই ক্ষেত্রে পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে স্বামী বা স্ত্রীর প্রাপ্য পেনশনের ৭৫% পর্যন্ত হয়।
পরিবারে স্বামী, স্ত্রী বা সন্তান না থাকলে কী হবে ?
প্রত্যেক পরিবারের কাঠামো এক রকম হয় না। যদি কোনও মৃত চাকরিজীবীর স্বামী, স্ত্রী বা সন্তান না থাকে, তবে কি এই টাকা সরকার নিয়ে নেবে? উত্তর হল— না। যদি কোনও সদস্য অবিবাহিত হন বা তাঁর কোনও নির্ভরশীল স্বামী/স্ত্রী বা সন্তান না থাকে, তবে তাঁর ওপর নির্ভরশীল বাবা-মা অথবা সদস্যের মনোনীত নমিনি (Nominee) এই পেনশন পাবেন। এই কারণেই বিশেষজ্ঞরা বারবার বিয়ে বা সন্তানের জন্মের মতো বড় জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পর EPF অ্যাকাউন্টে নমিনেশনের নাম আপডেট করার পরামর্শ দেন।
শুধু মৃত্যু নয়, স্থায়ী প্রতিবন্ধকতাতেও রয়েছে বড় সুরক্ষা
ইপিএফ-এর এই পেনশন স্কিমটি (EPS) কেবল অবসর গ্রহণ বা মৃত্যুর পরেই কাজে লাগে তা নয়। কর্মরত অবস্থায় কোনও কর্মী যদি স্থায়ীভাবে এবং সম্পূর্ণভাবে শারীরিক সক্ষমতা হারান, তবে তিনি আজীবন মাসিক 'ডিসঅ্যাবিলিটি পেনশন' পাওয়ার যোগ্য।
এই ক্ষেত্রে সাধারণ ১০ বছর চাকরি করার নিয়মটি শিথিল করা হয়। মাত্র এক মাস টাকা জমা দিলেও এই সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রতিবন্ধকতার তারিখ থেকেই এই পেনশন চালু হয় এবং এর ন্যূনতম পরিমাণ প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা।
আরও পড়ুন : মাসে ১২,৫০০ টাকা জমালেই ম্যাজিক, পিপিএফে পাবেন ৬.৭৫ কোটি টাকা, কীভাবে সম্ভব জানেন ?
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Banking. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
তাপস দত্ত