We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Ghatal Master Plan: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আগেই বৈঠক করেছিলেন দেব, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে রাজ্য বাজেটেই হল বড় ঘোষণা!
কলকাতা: বছরের পর বছর ধরে, দড়ি টানাটানি চলেছে, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে। সাংসদ হিসেবে, বারে বারেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কথা শোনা গিয়েছে, দেবের (Dev) মুখে। তিনি নির্বাচনের আগে ভরসা দিয়েছেন যে, এবার জয় এলে, এগোবে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানও। বছর ঘুরেছে, নির্বাচন এসেছে, গিয়েছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হলেও, তা এতটাই ধীরগতিতে এগিয়েছে যে, আদপেও কিছু লাভের লাভ হয়নি ঘাটালবাসীর। প্রত্যেক বছর বন্যাতেই ভয়াবহ অবস্থা হয় ঘাটালবাসীর। জমা জল থেকে শুরু করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি ও তৈরি হয়। তবে রাজ্যে পালাবদলের পরে, প্রথম রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য বড় ঘোষণা করল, বিজেপি সরকার।
ঘাটাল নিয়ে বড় ঘোষণা বাজেটে
আজ বাজেট পেশ করার সময়, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত (Swapan Dasgupta) ঘোষণা করেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত করার জন্য ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। আরও বলা হয় যে, প্রত্যেকবার ঘাটালের সময়ে দুর্ভোগ হয় সাধারণ মানুুষের।বানভাসি হয়ে যায় গোটা এলাকা। আর এবার অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত আশার কথা শোনালেন। বললেন যে, প্রত্যেকবার ঘাটালের যে পরিস্থিতি হয়, তা আর হবে না। ঘাটালের জন্য বড় অঙ্ক বরাদ্দ হয়েছে বাজেটে। আর সেই কারণেই, এবারের বাজেটে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে রয়ে গেল, ঘাটাল।
আজকে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত উল্লেখ করেছেন যে, ঘাটাল এলাকাটি একটি বিশেষ ভৌগলিক বিশেষত্বের জন্য ভীষণভাবে বন্যাপ্রবণ। সেন্ট্রাল স্পর্নর্ড অংশ হিসেবে, ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই টাকা ব্যয়ে তৈরি হওয়ার কথা, একটি মাস্টার প্ল্যান, যা পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দীর্ঘকাল ধরে বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলির সমস্যা সমাধান করবে। প্রসঙ্গত, এর আগে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে, এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন দেব। সেই বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে তিনি বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়েই কথা বলেছেন।
মদের দোকান নিয়ে বড় ঘোষণা সরকারের
পাশাপাশি, মদের দোকান নিয়ে বড় ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার। কোনও ধর্মীয় স্থান, হাসপাতাল এবং কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ কিলোমিটারের মধ্যে, খোলা যাবে না কোনও মদের দোকান। এই ৩টি জায়গার ১ কিলোমিটারের মধ্যে কোনও মদের দোকানকে লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এখানেই শেষ নয়, অর্থমন্ত্রীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত এলাকায় এই লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম দূরত্ব ১ কিমি'-এর বদলে কমিয়ে করা হল, ৫০০ মিটার।
আরও পড়ুন: BJP Government Budget: রাজ্যে মদের দোকান নিয়ে বড় ঘোষণা বিজেপি সরকারের! জারি হল কঠোর নিয়ম
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
তোর্ষা ভট্টাচার্য্য