We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Haldia Death News: তৃণমূল শ্রমিক নেতার কথায় চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তুলেছিলেন, চাকরি না হওয়ায় আত্মঘাতী হলদিয়ার যুবক
হলদিয়া: ফের চাকরির নামে টাকা তোলার অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূলের শ্রমিক নেতার কথায় চাকরি দেওয়ার নামে বাজার থেকে টাকা তুলেছিলেন হলদিয়ার বাসিন্দা এক যুবক। চাকরি না হওয়ায় দিন দিন টাকা ফেরত চেয়ে চাপ আসছিল পাওনাদারদের তরফে। এই অবস্থায় পরিবারের দাবি, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই যুবক। অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূলের শ্রমিক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তৃণমূলের শ্রমিক নেতার কথায়, চাকরি দেওয়া নামে বাজার থেকে টাকা তুলেছিলেন! কিন্তু চাকরি না পাওয়ায়, টাকা ফেরত চেয়ে চাপ আসছিল পাওনাদারদের থেকে। শেষপর্যন্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন বছর ৩৩-এর যুবক। এমনই অভিযোগ উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। মৃত অভিজিৎ দাস হলদিয়ার ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (IOCL) কর্মী ছিলেন।
মৃতের পরিবারের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে, তৃণমূলের শ্রমিক নেতা ও তমলুক সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন INTTUC সদস্য কাশীশ্বর মাইতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। "শেষ মুহূর্তে ওইটাই বলল, কারও কোনও দোষ নেই। আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে কাশীশ্বর মাইতি। কিন্তু টাকা দেয়নি। আর পাওনাদাররা আমার ওপর এত প্রেশার দিচ্ছে আমি আর সহ্য করতে পারিনি", মৃত যুবকের বাবা বিনয় দাস।
আরও পড়ুন: ভারত-জাপান বন্ধুত্বে ঘুম উড়েছে চিনের
ওই যুবকের পরিবারের দাবি, ২০১৬ সাল থেকে হলদিয়ার ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনে কাজ করতেন অভিজিৎ দাস। সেই কোম্পানিতেই তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়ন INTTUC-র সম্পাদক হলেন কাশীশ্বর মাইতি। অভিযোগ, তৃণমূলের শ্রমিক নেতার কথায় চারজনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নামে সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা তুলে তাঁকে দেন।
কিন্তু না হয়েছে চাকরি। না ফেরত দিয়েছেন টাকা। মৃতের পরিবারের দাবি, এই অবস্থায় পাওনাদারদের চাপ দিন দিন বাড়ছিল অভিজিতের ওপর। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার তৃণমূলের শ্রমিক নেতার থেকে টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, এরপরেই আর চাপ সহ্য করতে না পেরে বিষ খান ওই যুবক।
এরপর তড়িঘড়ি আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হলদিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে রেফার করা হয় তমলুক জেলা হাসপাতালে। অভিযোগ, তখনই গোটা ঘটনা খুলে বলেন অভিজিৎ দাস। তমলুক জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় এই যুবকের। এরপর শুক্রবার রাতে কাশীশ্বর মাইতির দোকানের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের আত্মীয়স্বজন।
যেটা শেষ বয়ানে দিল সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা। টাকাটা বলল কাশীশ্বর মাইতিকে দিয়েছে। কাশীশ্বর মাইতি হচ্ছে IOCL-এর মেনটেন্যান্সের শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি। তৃণমূল কংগ্রেস দলের সঙ্গে যুক্ত", বলেন মৃত যুবকের বাবা বিনয় দাস। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই ইতিমধ্যে অভিযুক্ত তৃণমূলের শ্রমিক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
সুপ্রিয় ঘোষ