Hooghly: টাকা নিয়েও পৌঁছয়নি পানীয় জল পরিষেবা, দেবানন্দপুর পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধানকে ঘিরে বিক্ষোভ

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি: জলের সংযোগ দেওয়ার জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল এবার। দেবানন্দপুর পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ প্রধান ও উপপ্রধানকে ঘিরে। যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। চুঁচুড়া বিধানসভার অন্তর্গত

সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি: জলের সংযোগ দেওয়ার জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল এবার। দেবানন্দপুর পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ প্রধান ও উপপ্রধানকে ঘিরে। যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। চুঁচুড়া বিধানসভার অন্তর্গত দেবানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া নিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ দেওয়ার নামে রসিদ ছাড়াই পরিবারপিছু ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলাকার রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, বহু পরিবার টাকা দেওয়ার পরেও এখনও নিয়মিত জল পরিষেবা পাচ্ছেন না। শুধু জল পরিষেবা নয়, রাস্তা ও ড্রেনের কাজ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। ঘটনার প্রতিবাদে শতাধিক গ্রামবাসী পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। তাঁরা প্রধান ও উপপ্রধানকে ঘিরে ধরে জবাবদিহি দাবি করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পঞ্চায়েতের ভেতরেও। অভিযোগ, সেই সময় উত্তেজিত জনতার তরফে প্রধান ও উপপ্রধানকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া হয়। 

স্থানীয় গ্রামবাসীদের বক্তব্য, 'জলের জন্য অনৈতিকভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে, টাকা ফেরত দিতে হবে। রাস্তার অবস্থা খারাপ, ড্রেনের কাজেও অনিয়ম হয়েছে। যেখানে রাস্তা দরকার সেখানে রাস্তা হয়নি।' খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ব্যান্ডেল ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০১৪ সালে জল সংযোগের ক্ষেত্রে টাকা নেওয়ার সরকারি নির্দেশিকা ছিল। অনেক বাসিন্দাকে রসিদ দেওয়া হলেও কিছু ক্ষেত্রে রসিদ সংক্রান্ত অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সাধারণ মানুষের কাছে সাত দিনের সময় চাওয়া হয়েছে। দেবানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুমা রায় পাল ও উপপ্রধান পীযূষ ধর জানান, তাঁরা তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে পঞ্চায়েত অফিসে এসে যেভাবে তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে, তাতে আগামী দিনে এই পদে থাকা নিয়েও তাঁরা ভাবছেন।

রাজ্যে পালাবদলের পরই একের পর এক দুর্নীতি ফাঁস হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের। স্কুল থেকে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি। ১০০ দিনে কাজ, আবাসে দুর্নীতি, বালি চুরি, কয়লা চুরি গরু চুরি, তৃণমূলের জমানায় নানা জায়গা থেকে সামনে এসেছে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি। নাম জড়িয়েছে হেভিওয়েট নেতা থেকে মন্ত্রীদের। এমনকী, তৃণমূল ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরও তাদের ১৫ বছরের শাসনকালের সময়কার কেলেঙ্কারিরও নতুন করে পর্দাফাঁস হচ্ছে।  

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

Donald Trump on India: ‘একটি...

Read Next

Howrah: লখনউয়ে কোচিং...