We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Hyderabad News: ইঞ্জেকশনে টয়লেট ক্লিনার ভরে অসুস্থ স্বামীর শরীরে গেঁথে দিলেন মহিলা, প্রেমিকের সঙ্গে ছক কষেই হত্যা
হায়দরাবাদ: সবে নার্সিংহোম থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন। বাড়িতেই চিকিৎসা, স্যালাইন চলছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। স্ত্রীর হাতেই তাঁর বেঘোরে মৃত্যু হল। অভিযোগ,ওই ব্যক্তির স্যালাইনে টয়লেট ক্লিনার মিশিয়ে তাঁকে খুন করা হয়। জানা গিয়েছে, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত ওই মহিলা। প্রেমিকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেই স্বামীকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কী ভাবে, কী করতে হবে, ফোনে তাকে পরামর্শও দিয়েছিল প্রেমিক। (Woman Injects Toilet Cleaner in Husband)
তেলঙ্গানার নিজামাবাদের ঘটনা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৩৫ বছর বয়সি প্রশান্ত। সেখানেই ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে তাঁর স্যালাইনের বোতলে টয়লেট ক্লিনার মিশিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির প্রশান্তর স্ত্রী, ৩২ বছর বয়সি সন্ধ্যার বিরুদ্ধে। (Hyderabad News)
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত ছিলেন প্রশান্ত। তাঁর মা জানিয়েছেন, ৩০ জুন ছেলের মৃত্যুর কথা জানতে পারেন তিনি। ১ জুলাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। জানান, ছেলে যে হায়দরাবাদ ফিরেছিল, তা-ই তাঁকে জানানো হয়নি। ছেলের মৃত্যু রহস্যজনক, বউমাকে সন্দেহ করছেন বলেও পুলিশকে জানান ওই মহিলা।
সেই মতো তদন্ত শুরু হলে সন্ধ্যার বিরুদ্ধে প্রমাণ হাতে পায় পুলিশ। ৩৫ বছর বয়সি অনিলের সঙ্গে তাঁর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথাও সামনে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, সন্ধ্যা এবং অনিল মিলে প্রশান্তকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষেছিল। প্রশান্তকে নিজেদের সম্পর্কে বাধাস্বরূপ দেখতে শুরু করেছিল তারা। বেঙ্কট সাই নামে একজন সেই কাজে সাহায্য় করে তাদের।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৯ জুন প্রশান্তর বাড়িতে হাজির হয় সাই। অত্যধিক মদ্যপানে বাধ্য করে প্রশান্তকে। সেই অবস্থায় ছাদে নিয়ে গিয়ে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। ওই গোটা সময় ফোনে তাকে নির্দেশ দিচ্ছিল সন্ধ্যা। কিন্তু ছাদ থেকে পড়ে মারা যাননি প্রশান্ত। আহত অবস্থায় প্রথমে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। পরে নিয়ে যাওয়া হয় বেসরকারি নার্সিংহোম।
নার্সিংহোম থেকে পরে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয় প্রশান্তকে। বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সেই অবস্থায় অনিলের পরামর্শ মতো ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে টয়লেট ক্লিনার এবং অজ্ঞান হওয়ার ওষুধ নলে ঢুকিয়ে দেয় সন্ধ্যা। পাশাপাশি, প্রশান্তকে বিছানা থেকে ঠেলে ফেলে দেয় সে, যার ফলে মারা যায় প্রশান্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্ধ্যা এবং অনিল, দু’জনই অপরাধ স্বীকার করেছে। আদালতে তোলা হয় তাদের দু’জনকে। আপাতত জেল হেফাজত হয়েছে।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - India. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
পম্পা অধিকারী সিংহ