Income Tax Return: আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেই দায় শেষ নয়, এই ধরনের খরচের কারণে আপনার কাছে আসতে পারে আয়কর নোটিশ?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: আয়কর রিটার্ন (ITR) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় বলে মনে করেন অনেক করদাতা। কিন্তু বর্তমানে আয়কর দফতরের কাছে এমন একাধিক ডিজিটাল ব্যবস্থা রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন করদাতার ব্যাঙ্ক লেনদেন, বিনিয়োগ বা ক্রেডিট কার্ডে খরচ থেকে শুরু করে সম্পত্তি কেনাবেচার মতো বড় আর্থিক কার্যকলাপের তথ্য সহজেই পৌঁছে যায়। আরও পড়ুন: জন কল্যাণ শিবির শেষ, অনলাইনে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করবেন কীভাবে?

কলকাতা: আয়কর রিটার্ন (ITR) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় বলে মনে করেন অনেক করদাতা। কিন্তু বর্তমানে আয়কর দফতরের কাছে এমন একাধিক ডিজিটাল ব্যবস্থা রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন করদাতার ব্যাঙ্ক লেনদেন, বিনিয়োগ বা ক্রেডিট কার্ডে খরচ থেকে শুরু করে সম্পত্তি কেনাবেচার মতো বড় আর্থিক কার্যকলাপের তথ্য সহজেই পৌঁছে যায়।

আরও পড়ুন: জন কল্যাণ শিবির শেষ, অনলাইনে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করবেন কীভাবে?

বার্ষিক তথ্য বিবরণী বা AIS, ফর্ম ২৬এএস এবং স্টেটমেন্ট অফ ফিনান্সিয়াল ট্রানজ্যাকশন বা SFT-এর মাধ্যমে ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সংস্থা নির্দিষ্ট ধরনের উচ্চমূল্যের লেনদেনের তথ্য আয়কর দফতরকে জানায়। আয়কর আইনের ২৮৫বিএ ধারা অনুযায়ী এই তথ্য জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

আর্থিক বছরে সেভিংস অ্যাকাউন্টে ১০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি নগদ জমা পড়লে তা আয়কর দফতরের নজরে আসে। একইভাবে ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে বছরে ১ লক্ষ টাকা বা তার বেশি নগদ পেমেন্ট অথবা ১০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি অনলাইন বা অন্যান্য মাধ্যমে পেমেন্টের তথ্যও রিপোর্ট করা হয়।

আরও পড়ুন: "ডিম হাতে অপেক্ষায়! অত্যন্ত আপত্তিকর", অরূপের আটকে থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কুণাল!

এছাড়া ৩০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি মূল্যের সম্পত্তি কেনা বা বিক্রির তথ্যও আয়কর দফতরের কাছে পৌঁছে যায়। বিদেশে ভ্রমণ, বৈদেশিক মুদ্রা কেনা বা বিদেশে খরচের ক্ষেত্রেও বছরে ১০ লক্ষ টাকার বেশি লেনদেনও রিপোর্ট হয় আয়কর দফতরের কাছে।

শুধু বড় খরচই নয়, সেভিংস অ্যাকাউন্ট, ফিক্সড ডিপোজিট বা অন্যান্য বিনিয়োগ থেকে পাওয়া সুদ, লভ্যাংশ এবং মূলধনী লাভের তথ্যও AIS-এ প্রতিফলিত হয়। একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলেও সেগুলি প্যান নম্বরের মাধ্যমে যুক্ত থাকায় সমস্ত তথ্য একসঙ্গে যাচাই করতে পারে আয়কর দফতর।             

তবে কোনও বড় লেনদেন হলেই যে কর ফাঁকির অভিযোগ উঠবে, এমন নয়। আয় ও খরচের হিসাবের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে AIS ও ফর্ম ২৬এএস ভালোভাবে যাচাই করে সমস্ত আয় সঠিকভাবে উল্লেখ করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।             

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Business

Read Previous

Retirement Fund: ১ কোটি ৫০...

Read Next

Kangana Ranaut: রাজি হননি...