India-China Relations: ব্রহ্মপুত্রের উপর বিরাট জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ঝড়ের গতিতে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চিন, উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি: পৃথিবীর বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণই লক্ষ্য। কিন্তু তা করতে গিয়ে ভারতের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চিন। কারণ ইয়ারলুং সাংপো নদীর উপর নিম্নভাগে ওই বাঁধ নির্মাণ করছে ড্রাগন, ভারত

নয়াদিল্লি: পৃথিবীর বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণই লক্ষ্য। কিন্তু তা করতে গিয়ে ভারতের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চিন। কারণ ইয়ারলুং সাংপো নদীর উপর নিম্নভাগে ওই বাঁধ নির্মাণ করছে ড্রাগন, ভারত সীমান্ত থেকে যার দূরত্ব মোটে ৫০ কিলোমিটার। ওই বাঁধটি তৈরি হলে ভারতের উপর তার মারাত্মক প্রভাব পড়বে। (China Building Mega Dam on Brahmaputra)

ওই জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণের কথা আগেই ঘোষণা করেছিল চিন। সম্প্রতি নির্মাণকার্য শুরু করেছে তারা। আর তাতেই অস্বস্তি বেড়েছে দিল্লির। ভরতীয় গোয়েন্দাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং স্যাটেলাইটের তোলা ছবি মিলিয়ে দেখা গিয়েছে, গত কয়েক মাসে বাঁধ নির্মাণের কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। আন্তঃসীমান্ত অঞ্চলের নদীর উপর এমন বিশাল বাঁধ নির্মাণকে ঘিরে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। (India-China Relations)

আরও পড়ুন: গাড়ির মধ্যে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হল বিজেপি নেতাকে, বেআইনি বালির খাদানের দখল নিয়ে ঝামেলার জের!

যে ইয়ারলুং সাংপো নদীর উপর জলবিদ্যুৎ বাঁধটি নির্মাণ করছে চিন। নদীটির উৎপত্তি তিব্বতে, অরুণাচল প্রদেশ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে, যেখানে নদীটির নাম সিয়াং। অসমে ঢুকে হয়ে গিয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ। লক্ষ লক্ষ ভারতীয়র জীবন-জীবিকা নির্ভর করে ব্রহ্মপুত্রের উপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঁধটি নির্মিত হলে গ্রীষ্মকালে নিম্ন অববাহিকায় জল কমে আসতে পারে ৮৫ শতাশ পর্যন্ত। এর ফলে ভারত এবং বাংলাদেশের কৃষিকাজ যেমন ব্যাহত হবে, ব্যাহত হবে শিল্পোৎপাদনও। আবার  বর্ষার সময় অতিরিক্ত জল ছাড়া হলে বানভাসি হতে পারে অরুণাচল এবং অসমের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

আরও পড়ুন: আমেরিকার হানায় ৩ ভারতীয়র মৃত্যু, মোদির সামনেই প্রশ্নের মুখে ট্রাম্প, কী জবাব দিলেন?

শুধু তাই নয়, ওই জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মিত হলে জলের স্বাভাবিক প্রবাহ যেমন বাধাপ্রাপ্ত হবে, তেমনই পলি পরিবহনের যে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তাতেও বদল আসতে পারে। ক্ষতি হতে পারে পরিবেশের। নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণের ফেল ভারতকে জব্দ করাও চিনের পক্ষে আরও সহজ হবে। কারণ সেক্ষেত্রে জলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করবে তারাই। বেজিংয়ের দাবি, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন। এতে অন্য কোনও দেশের ক্ষতি হবে না। কিন্তু ঝুঁকি নিতে নারাজ ভারত। ভারত পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে শাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে বিষয়টি তোলেন তিনি।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Kolkata. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Kolkata

Read Previous

Chhattisgarh Sand Mining: SUV গাড়ির...

Read Next

Daily Horoscope: ধনু-মীনের...