India Healthcare System: ডাক্তার দেখিয়েও ইন্টারনেটে উত্তর খুঁজতে হচ্ছে, সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুগল সিম্পটমের দায় কার?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি: ডাক্তার দেখাতে যাওয়া মানেই ৫০০-১০০০ টাকা খরচ। কিন্তু তার পরও Google ঘাঁটতে হচ্ছে মানুষজনকে। গাঁটের কড়ি ফেলেও সব প্রশ্নের উত্তর মিলছে না।

নয়াদিল্লি: ডাক্তার দেখাতে যাওয়া মানেই ৫০০-১০০০ টাকা খরচ। ওষুধপত্র কেনার খরচ আলাদা। কিন্তু তার পরও Google ঘাঁটতে হচ্ছে মানুষজনকে। গাঁটের কড়ি ফেলেও সব প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। বিভ্রান্তি নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে রোগী এবং তাঁর পরিজনদের। উপায় না দেখে শেষমেশ সার্চ ইঞ্জিন Google-এর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে সকলকে। প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হচ্ছে অনলাইন। একটি সমীক্ষায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। (Google Symptoms After Doctor Visit)

ডাক্তার দেখিয়েও বিভ্রান্তি কাটছে না রোগীদের

India Patient Navigation and Confusion Index ২০২৬-এর রিপোর্টে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এল। দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকা, নয়ডা, গুরুগ্রাম, ফরিদাবাদ, গাজিয়াবাদের লোকজনকে নিয়ে বিশেষ সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। তাতে দেখা গিয়েছে, প্রতি ১০ জন রোগীর মধ্যে আট জনই জানিয়েছেন, ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পর Google করে প্রশ্নের অধরা উত্তর খুঁজতে হয়েছে তাঁদের। রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরিষেবার নাগাল হয়ত পাচ্ছেন রোগীরা। কিন্তু রোগ নির্ণয় থেকে, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ বুঝে উঠতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। (India Healthcare System)

রোগী দেখায় কি তাড়াহুড়ো?

সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭৮.৫ শতাংশ রোগীই জানিয়েছেন, ডাক্তার দেখানোর পরও রোগের অবস্থা, চিকিৎসা, ওষুধ এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ধন্দ কাটেনি তাঁদের। এর যে প্রধান কারণ চিহ্নিত করা গিয়েছে, তা হল, পর্যাপ্ত সময়ই পাওয়া যায় না। ৭৩.৮ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তাড়াহুড়োয় রোগী দেখা হয়। অল্প সময়ের মধ্যে বেশি সংখ্যর রোগী দেখে ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। ফলে কথাবার্তার সময়ই পাওয়া যায় না। ধন্দ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়, পরে ঘাঁটতে হয় Google.

আরও পড়ুন: ইরানে এবার ভেনিজুয়েলা মডেল? তেহরানের তেলের ভাণ্ডার দখলের পথে আমেরিকা? ট্রাম্প বললেন, ‘সব নিয়ে নেব’

প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য পরিষেবা

শুধু ডাক্তারদের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে না, প্রশ্ন উঠছে গোটা স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে। ৭০ শতাংশ মানুষের দাবি, ডাক্তার দেখানোর পর কী করণীয়, সেই নির্দেশ স্পষ্টভাবে বোঝানো হয় না। রক্ত পরীক্ষা হোক বা স্ক্যান, স্পেশালিস্টকে দেখানো হোক বা ডায়াগনসিস, সব ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য। ৭৮ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, ডাক্তার, হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি, ফার্মেসি এবং অন্য স্বাস্থ্য পরিষেবার মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করতেই কালঘাম ছুটে যায়। এর ফলে ইন্টারনেটে উত্তর খুঁজতে হয়, সোশ্য়াল মিডিয়ায় প্রশ্ন করতে হয় অথবা পরিবার বা আত্মীয়ের পরামর্শ নিতে হয়। 

আরও পড়ুন: ভারতীয় নাবিকদের জাহাজে হামলা, স্বীকার করল আমেরিকা, দাবি, ‘ইরানের তেল ছিল’

সঙ্কট কাটবে কী করে?

এই সমীক্ষাতেই ৭০ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, হাসপাতালের হেল্প ডেস্ক, হেল্পলাইন, ডিজিটাল টুলের নাগাল পাওয়া যায় না। হাসপাতালে বিভ্রান্ত হয়ে ঘুরতে হয়। যে কারণে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা ক্লিনিকের পরিবর্তে বড়, বেসরকারি হাসপাতালে বেশি টাকা দিয়ে ডাক্তার দেখাতে যান অনেকে। এর ফলে চিকিৎসার খরচও বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে হাসপাতালগুলিতে ভিড় ক্রমাগত বাড়তে থাকবে। চাপ বাড়বে স্পেশালিস্টদের উপর। অন্য দিকে, ২১.৪ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, খরচের সাধ্য থাকলেও, সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা বেছে নিয়েছেন তাঁরা। 

এই রিপোর্টটি সামনে আসার পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। উপর উপর যত চাকচিক্যই থাকুক না কেন, ভিতরে ভিতরে ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনও অনেক পিছিয়ে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ডাক্তার এবং রোগীর মধ্যে আলোচনার পরিসর থাকা অত্যন্ত জরুরি। অনলাইন রোগ বা খুঁটিনাটি বুঝতে হলে, তাতে বিপদ বাড়বে, আরও বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন রোগীরা।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Health. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Health

Read Previous

Kalyan Banerjee: "আমার মতো সৎ...

Read Next

Priyanka Sarkar: রাহুলের...