We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Indranil Khan On CAB: অভিষেকের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী, সিএবি-তে 'থ্রেট কালচার' নিয়ে কী বার্তা?
সন্দীপ সরকার, কলকাতা: ময়দানে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁকে চিঠি দিয়েছিলেন সিএবি-র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট তথা আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের প্রাক্তন সদস্য অভিষেক ডালমিয়া। আবেদন করেছিলেন, দুর্নীতির শিকার যে সমস্ত খেলোয়াড় ও তাঁদের পরিবার, তাঁরা যেন পরিচয় গোপন রেখে অভিযোগ জানাতে পারেন, সে জন্য একটা হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হোক। অভিষেকের চিঠি পেয়েছেন বলে জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। সেই সঙ্গে ময়দানকে দুর্নীতিমুক্ত করতে এবং সব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও জানিয়ে দিলেন।
মঙ্গলবার কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্রীড়ামন্ত্রী। সেখানেই তাঁকে অভিষেকের চিঠির ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। জানতে চাওয়া হয়, অর্থের বিনিময়ে খেলোয়াড়দের সুযোগ করে দেওয়ার যে অভিযোগ করেছেন অভিষেক, তা নিয়েও। ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, 'দুটো অভিযোগই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অভিষেক ডালমিয়া যে চিঠি দিয়েছেন, সেটা পেয়েছি, পড়েওছি। আমি আরও সবিস্তারে বিষয়টি ওঁর থেকে জানার জন্য সময়ও চেয়েছি। যাতে আগামীদিনে সেটার ওপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারি। আজকেই কথা হয়েছে। আমি ওঁর কাছে সময় চেয়েছি। আগামী দু-একদিনের মধ্যেই ওঁর সঙ্গে বসে বিষয়টি আলোচনা করে কী হল সেটা আপনাদের জানিয়ে দেব।'
গত সিএবি নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে ইন্দ্রনীল খাঁকে প্রশ্ন করা হয় সেটা নিয়েও। জিজ্ঞেস করা হয়, গ্রেফতার হওয়া শান্তনু সিনহা বিশ্বাস কিংবা সুজয় হাজরা সিএবি নির্বাচনে থ্রেট কালচার চালিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে কি কিছু বলবেন?
ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, 'দেখুন, ভয় আউট, ভরসা ইন। থ্রেট কালচার বিভিন্ন ক্ষেত্রে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে-শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বত্র থ্রেট কালচার চলছিল। ক্রীড়াক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম ছিল না। থ্রেট কালচার ও চমকানো-ধমকানো, পুলিশ প্রশাসন, এই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের কথা বলছেন তিনি পুলিশের আইসি ছিলেন, রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি রাজনীতির কথা বলতে চাই না। কিন্তু এটা দুর্ভাগ্য তিনি রাজনীতির ছত্রতলেই এত কিছু চালাতে পেরেছিলেন। তিনি আইসি থেকে ডিসি হয়ে গেলেন। এবং তাঁর সঙ্গে সঙ্গে এই সোনা পাপ্পুর মতো যারা ক্রিমিনাল, তারা বয়স্ক মানুষদের থেকে জমি বাড়ি সবকিছু লুঠ করছিল, তোলাবাজি করছিল, সিন্ডিকেট চালিয়েছে, থ্রেট কালচার সর্বত্র, এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে গিয়েছে। খেলার ময়দানে খেলাই হবে, এবং সেটা রাজনীতি মুক্ত হবে।'
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Sports. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
সন্দীপ সরকার