Investment 1 Lakh: ১ বছরে ১ লক্ষ টাকা জমিয়ে ফেলা সম্ভব? জেনে নিন সহজ হিসাব

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: কেরিয়ারের শুরুতে কম বেতনের কারণে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা অনেকের কাছেই কঠিন মনে হতে পারে। বাড়িভাড়া, সংসারের খরচ, বিল ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর পর দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠনের জন্য টাকা আলাদা করে রাখা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন অনেকে। তবে আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের অর্থের চেয়ে নিয়মিত

কলকাতা: কেরিয়ারের শুরুতে কম বেতনের কারণে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা অনেকের কাছেই কঠিন মনে হতে পারে। বাড়িভাড়া, সংসারের খরচ, বিল ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর পর দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠনের জন্য টাকা আলাদা করে রাখা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন অনেকে। তবে আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের অর্থের চেয়ে নিয়মিত সঞ্চয়ের অভ্যাসই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

যদি মাসে ৪০ হাজার টাকা আয় করা কোনও ব্যক্তি নিজের আয়ের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ নিয়মিতভাবে সঞ্চয় করতে পারেন, তাহলে ধীরে ধীরে বড় তহবিল তৈরি করা সম্ভব। মাসিক ৪০ হাজার টাকা বেতন হলে বছরে মোট আয় দাঁড়ায় প্রায় ৪.৮ লক্ষ টাকা। এই আয়ের মধ্যে থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৭,৮৫০ টাকা বিনিয়োগ করলে এক বছরের মধ্যেই ১ লক্ষ টাকার বেশি তহবিল তৈরি করা যেতে পারে।

 

মিউচুয়াল ফান্ডের সিস্টেম্যাটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা SIP দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ গঠনের অন্যতম জনপ্রিয় উপায়। বার্ষিক ১২ শতাংশ সম্ভাব্য রিটার্ন ধরে হিসাব করলে, ১২ মাস ধরে প্রতি মাসে ৭,৮৫০ টাকা SIP করলে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৯৪,২০০ টাকা। সম্ভাব্য লাভ হতে পারে প্রায় ৬,৩৫৩ টাকা এবং মোট তহবিলের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১,০০,৫৫৩ টাকা।

অন্যদিকে, যদি কেউ প্রতি মাসে ৯ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন, তাহলে এক বছরে মোট বিনিয়োগ হবে ১.০৮ লক্ষ টাকা। একই ১২ শতাংশ সম্ভাব্য রিটার্ন অনুযায়ী লাভ হতে পারে প্রায় ৭,২৮৪ টাকা এবং মোট তহবিল বেড়ে প্রায় ১.১৫ লক্ষ টাকায় পৌঁছতে পারে।

তবে বিনিয়োগের প্রথম দিকে চক্রবৃদ্ধি হারে লাভের প্রভাব খুব বেশি দেখা যায় না, কারণ সময়ের পরিমাণ কম থাকে। তবুও নিয়মিত বিনিয়োগের অভ্যাস ভবিষ্যতে বড় সম্পদ তৈরির ভিত্তি তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘পে ইয়োরসেলফ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। অর্থাৎ বেতন হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্দিষ্ট একটি অংশ সঞ্চয় ও বিনিয়োগের জন্য আলাদা করে রাখা উচিত। SIP, রেকারিং ডিপোজিট বা নির্দিষ্ট সেভিংস অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সেই অর্থ বিনিয়োগ করে ধীরে ধীরে শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব।

(মনে রাখবেন, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ বাজারের ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত এবং রিটার্ন নিশ্চিত নয়। বিনিয়োগের আগে নিজের আর্থিক লক্ষ্য ও ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।)

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Business

Read Previous

Ritabrata on Mamata-Abhishek: "কে...

Read Next

Kalighat Trinamool: দলবিরোধী...