Mumbai Drinking Water Crisis: মাত্র ৪০ দিনের জল মজুত, মিনারেল ওয়াটার কারখানাতেও কাটছাঁট, অপচয়ে কড়া ব্যবস্থা, অনাবৃষ্টিতে বাড়ছে উদ্বেগ

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
মুম্বই: ভরা বর্ষার অপেক্ষায় দিন গোনাই সার হল। জুনের তৃতীয় সপ্তাহেও দেখা নেই বর্ষার। এমন পরিস্থিতিতে প্রমাদ গুনছে মায়ানগরী মুম্বই।

মুম্বই: ভরা বর্ষার অপেক্ষায় দিন গোনাই সার হল। জুনের তৃতীয় সপ্তাহেও দেখা নেই বর্ষার। এমন পরিস্থিতিতে প্রমাদ গুনছে মায়ানগরী মুম্বই। কারণ মাত্র ৪০ দিনের পানীয় জল মজুত রয়েছে সেখানে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামল বৃহন্মুম্বই পুরসভা। (Mumbai Water Crisis)

BMC জানিয়েছে, তানসা এবং মোদক সাগর হ্রদ অববাহিকায় চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত যথাক্রমে ১৩ এবং ৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। অন্য হ্রদগুলি বৃষ্টির জলই পায়নি। এর ফলে আগে থেকে মজুত রাখা জলও দ্রুত তলানিতে চলে যাচ্ছে। গতবছর এই সময় যে পরিমাণ জল মজুত ছিল, সেই তুলনায় যদিও বেশি জলই মজুত রয়েছে এই মুহূর্তে, তবে উদ্বেগ কমছে না। (Mumbai Drinking Water Crisis)

মুম্বইর তৃষ্ণা মেটায় মূলত সাতটি হ্রদ- তানসা, বিহার, তুলসি, ভাতসা, আপার বৈতরণ, মোদক সাগর এবং মিডল বৈতরণ। সেখানে পানীয় জলের ভাণ্ডার নেমে এসেছে ১৫৫১৬৭ মিলিয়ন লিটারে। এই অবস্থাতেও দৈনিক ৩৯৫০ মিলিয়ন লিটার জল উত্তোলন করতে হচ্ছে পুরসভাকে।  হ্রদগুলির জলধারণ ক্ষমতা ১০.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। অত্যন্ত সতর্ক ভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। 

আরও পড়ুন: ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ করতে দিতে হবে টাকা! হঠাৎ সাবস্ক্রিপশন চালু করল মেটা, কিন্তু কেন

BMC জানিয়েছে, আপাতত নির্মাণস্থলে জল সরবরাহ করা হবে না। জল সরবরাহ বন্ধ থাকবে সুইমিং পুলগুলিতেও। শিল্পক্ষেত্র এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও জল সরবরাহে ২০ শতাংশ কাটছাঁট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাটছাঁটের অন্তর্ভুক্ত স্পোর্টস ক্লাবগুলিও। বুধবার থেকেই এই বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে মুম্বই শহরে। অনাবৃষ্টি এবং এল নিনোকেই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হচ্ছে। 

BMC-র তথ্য বলছে মঙ্গলবার পর্যন্ত সাতটি হ্রদে ১০.৩৫ শতাংশ জল মজুত ছিল। বর্ষা না আসা পর্যন্ত ওই জল দিয়েই পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে তাদের। নয়া যে বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে, তাতে নির্মাণস্থলে জল যাবে না আপাতত। নতুন করে কোনও নির্মাণকার্য শুরুও করা যাবে না। সুইমিং পুলে জল দেওয়া হবে না এখন। নতুন জলের সংযোগের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা, সেই সব আবেদনও এখন জমা থাকবে। 

আরও একটি বড় পদক্ষেপ করেছে BMC. কার্বনেটেড পানীয় এবং প্যাকেট-জাত পানীয় জলের বোতল প্রস্তুতকারক কারখানাগুলিকে প্রদত্ত জলের পরিমাণও নির্দিষ্ট সীমায় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র কর্মীদের জন্যই পানীয় জল দেওয়া হবে সেখানে। পানীয় জল নষ্ট করলে, পানীয় জলের অপব্যবহার হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে BMC.

আরও পড়ুন: ‘পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্রকেও ছাপিয়ে যাবে’, এবার ভাঙছে এই বড় দল? অমিত শাহের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ? বলছেন খোদ মন্ত্রী

হ্রদের জল কমছে বলে আগেই সতর্ক করেছিল মহারাষ্ট্র সরকারের জলসম্পদ বিভাগ। সেই মতো গত ১৫ মে জল সরবরাহ ১০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়। পুরোদস্তুর বর্ষা ঢুকতে দেরি করায় পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থারও খোঁজ করছে BMC. পাবলিক টয়লেট এবং রেস্টরুম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলিকে বলা হয়েছে, ট্যাঙ্কার বা কুয়োর জল ব্যবহার করতে। নির্দেশিকা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, গাড়ি ধোওয়া, গাছে জল দেওয়া, রাস্তা, উঠোন বা ছাদ পরিষ্কার করতে হলে কূপ, নলকূপ এবং কুয়োর জল ব্যবহার করতে হবে। সেন্ট্রাল রেলওয়ে, ওয়েস্টার্ন রেলওয়ে, রাষ্ট্রীয় কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্টিলাইজ়ার্স, HPCL, BPCL, The Navy, MIDC, BPT-কে বলা হয়েছে জলের পুনর্ব্যবহার বাড়াতে। তবে বর্ষা না ঢুকলে এভাবে ক’দিন চলবে, তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - India. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - India

Read Previous

Lionel Messi: বিশ্বকাপের...

Read Next

District News: নতুনরূপে...