পুরুষ মৃতদেহের গোপনাঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ! MBBS ছাত্রীর বিরুদ্ধে FIR, কোন শাস্তি হতে পারে ?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান প্রণিত মোরের শো ঘিরে বিতর্ক ক্রমশই গভীর হচ্ছে। ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি মন্তব্য নিয়ে তোলপাড়ের পর,  প্রণিত-এর শো-এর আরেকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান প্রণিত মোরের শো ঘিরে বিতর্ক ক্রমশই গভীর হচ্ছে। ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি মন্তব্য নিয়ে তোলপাড়ের পর,  প্রণিত-এর শো-এর আরেকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এই ভিডিওর বিতর্কে জড়িয়েছেন মুম্বাইয়ের কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল (কেম) হাসপাতালের চূড়ান্ত বর্ষের এমবিবিএস ছাত্রী ডঃ সেজল পাওয়ার। শো চলাকালীন তিনি পুরুষ মৃতদেহের গোপনাঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে এবং তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, মহারাষ্ট্র সাইবার পুলিশ সেজল পাওয়ার এবং প্রণিত মোরের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে।

জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র সাইবার পুলিশ কমেডি শো-এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ডাক্তারি শিক্ষায় ও প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত মৃতদেহ সম্পর্কে করা মন্তব্যের জন্য এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কারণ, মৃতদেহকে ডাক্তারি শিক্ষায় একটি প্রয়োজনীয় ও অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চি কিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে মৃতদেহ ব্যবহার করে। তাই দেহের মর্যাদা ও সম্মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে জোর দেয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ। কিন্তু এক্ষেত্রে এর উল্টোটা ঘটেছে। একজন চিকিৎসব হয়ে কী ভাবে এই ধরণের মন্তব্য করেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। 

কী শাস্তি দেওয়া যেতে পারে? 

জানা গেছে, ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে এই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মূলত, তদন্ত ও আদালতের কার্যক্রমের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন আইনি পরিণতি দেখা দিতে পারে। 

মৃত ব্যক্তির মর্যাদাহানি করা কতটা অপরাধ ?

ভারতীয় আইন মৃত ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দেয়। প্রকাশ্যে মৃতদেহকে অপমান করা বা তার সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে, শাস্তি হিসেবে এক থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে। 

কোন ধারায় মামলা ?

যেহেতু মন্তব্যগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছিল, তাই তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় এটি প্রযোজ্য হতে পারে। ধারা ৬৭ অনুযায়ী, প্রথমবার অপরাধীর শাস্তি সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। দ্বিতীয়বার দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তি বেড়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হয়।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Entertaiment. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Entertaiment

Read Previous

Kane Williamson Retirement: আধুনিক...

Read Next

Daily Astro : এই ৬ রাশির...