We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Prabhat Roy: 'বড় মাছ চাই', শ্যুটিংয়ে গিয়ে নিজেই বাজার করতেন শমিত ভঞ্জ! গল্পে প্রভাত রায়
কলকাতা: ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা.. সমস্ত ক্ষেত্রেই অবাধ বিচরণ ছিল তাঁর। তখনও অবশ্য ওটিটি প্ল্যাটফর্মের চল আসেনি। তবে তাঁর হাত ধরেই, বাংলা ছবি পেয়েছে একের পর এক তারকা। তিনি প্রভাত রায় (Prabhat Roy)। কিংবদন্তি এই পরিচালকের হাত ধরে, টলিউড পেয়েছে একাধিক নায়ক, নায়িকা.. অভিনেতা, অভিনেত্রীদের। বর্ষীয়ান পরিচালক এখনও জনমানসে যথেষ্ট সমাদৃত। তিনি যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাই' অবলম্বনে একটি ছবি তৈ করছেন, সেই খবর ইতিমধ্যেই সবার জানা। প্রত্যেকেই অধীর অপেক্ষায় সেইদিকে তাকিয়ে রয়েছেন। কাজের পাশাপাশি, পরিচালক সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করে নেন। সদ্য তাঁর শেয়ার করে একটি পোস্ট ধরে, স্মৃতির সরণীতে ভেসেছে অনেকেই। একটি বিশেষ জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। কী লেখেছেন প্রভাত রায়?
স্মৃতির পাতায় মধুর 'একাকি অরণ্যে'
পরিচালক লিখেছেন, ' সালটা ২০০৩-২০০৪। প্রথম সারির একটি চ্যানেলের জন্য একটি ধারাবাহিক পরিচালনা করেছিলাম.. 'একাকি অরণ্যে'। প্রায় ১০০ পর্বের সেই ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সব শিল্পী, যাঁদের ছাড়া সেই সময়ের টেলিভিশন জগৎ কল্পনা করাই যেত না। প্রতি মাসেই আমরা হই-হই করে চলে যেতাম সুকনা ফরেস্টে শ্যুটিং করতে। সত্যি বলতে, শ্যুটিংয়ের থেকেও বেশি মনে হত, পিকনিক। সন্ধ্যা ৫টা বাজলেই শ্যুটিং শেষ, তারপর হোটেলে ফিরে জমজমাট আড্ডা। শ্যুটিং লোকেশনে পৌঁছেই দিনের কাজের আগে যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেটা হল সারাদিনের খাওয়াদাওয়ার মেনু ঠিক করে নেওয়া!'
বর্ষীয়ান পরিচালক আরও লিখছেন, 'অনেক সময় বুবুদা, অর্থাৎ শমিত ভঞ্জ, নিজেই বাজার করে নিয়ে আসতেন। কারণ বেশিরভাগ দিনই মাছের সাইজ তাঁর পছন্দমতো হত না। সেই নিয়ে কত হাসি-ঠাট্টা, কত গল্প... আজও চোখ বন্ধ করলে যেন সব ভেসে ওঠে। 'একাকি অরণ্যে' ছিল ভীষণ জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জনপ্রিয় হয়েছিল প্রতীক চৌধুরীর গাওয়া টাইটেল ট্র্যাক। আজ এত বছর পর ফিরে তাকালে মনে হয়, কি দারুণ সময় কাটিয়েছি সবাই মিলে!
সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা এই পোস্টের সঙ্গে, একাধিক পুরনো দিনের ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন প্রভাত রায়। সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি। জনপ্রিয় অভিনেতাদের বয়স তখন নিতান্তই অল্প। এই সমস্ত ছবি দেখে ব্যক্তিগত স্মৃতি হাতড়েছেন অনেকেই। অনেকেই ভাগ করে নিয়েছেন, এই ধারাবাহিক ঘিরে তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন: Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Entertaiment. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
তোর্ষা ভট্টাচার্য্য