We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Riju Dutta: তৃণমূল সাসপেন্ডেড মুখপাত্র ঋজু দত্তকে টানা ২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ CID-র, ভবানীভবনে থেকে বেরিয়ে কী বললেন ?
কলকাতা: DJ মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আগে ঋজু দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করল CID. তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড মুখপাত্রকে ভবানীভবনে টানা ২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়েছিল, তদন্ত সহযোগিতা করেছি, জানিয়েছেন ঋজু দত্ত।
উস্কানিমূলক ভাষণ, হুমকি, শান্তি বিঘ্নিত করার মতো অভিযোগে, ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে FIR। যার মধ্যে রয়েছে জামিন অযোগ্য ধারাও। সেই মামলায় ৮ জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চায় CID.এই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড মুখপাত্র ঋজু দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন তদন্তকারীরা। সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ ভবানীভবনে যান ঋজু দত্ত। বেরোন দুপুর দেড়টা নাগাদ। ২ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্রের খবর, করা হয় ভিডিও রেকরর্ডিং।
সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা ঋজু দত্ত বলেন, প্রথমে ধন্যবাদ জানাই তৃণমূল কংগ্রেসকে CID ভবনের ভেতরটা দেখানোর জন্য। ওঁরা অত্যন্ত ভদ্রতার সাথেই যা জিজ্ঞেস করেছেন যেভাবে কো-অপারেট করতে বলেছেন আমি কো-অপারেট করেছি। ওরা যদি আমাকে আবার ডাকেন আমি অবশ্যই এসে কো-অপারেট করব। যিনি মূল অভিযুক্ত স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি যা বক্তব্য রেখেছেন, সেটা তো জনসমক্ষেই রেখেছেন। এখন উনি লুকোচুরি খেলা খেলছেন কোর্ট আর CID-র সাথে! আমি তো দেখছি অভিষেকবাবু বারংবার আদালতে যাচ্ছেন যে তিনি কণ্ঠস্বরের নমুনা দেবেন না বা দিতে চাইছেন না এই কারণে।
বাগুইআটি থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন রাজীব সরকার নামে এই ব্যক্তি। অন্য়দিকে, বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর ঋজু দত্তর সোশাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। যেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের পর খুন করার জন্য বিজেপি কর্মীদের তালিকা তৈরি করে রেখেছিল তৃণমূল। সূত্রের খবর, সেই বিষয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁকে এদিন তলব করে CID.
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
রীতম তালুকদার