We currently don't have news in this language. Please choose another language.
River Tunnel Raod: ভারতে প্রথম রিভার টানেল রোড, মেট্রোর পর এবার গঙ্গার নীচে ছুটবে গাড়ি, কোথা থেকে কোন অবধি মিলবে এই পরিষেবা ?
কলকাতা: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটছে মেট্রো। মেট্রোর পর এবার ছুটবে পণ্যবাহী গাড়ি। ভারতে প্রথম টানেল রোড তৈরি হতে চলেছে হুগলি নদীর নীচ দিয়ে। হুগলি নদীর তলা দিয়ে ছুটবে গাড়ি, কলকাতা বন্দর থেকে সরাসরি আলমপুর। বন্দরের চাপ কমাতে এবং বাণিজ্যের গতি বাড়াতে বড় উদ্যোগের পথে প্রশাসন। প্রস্তাবিত এই রিভার টানেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পণ্যবাহী ট্রাককে রাতেও না ছুটবে দিনেও। কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরের চাপ কমাতে এবং বন্দর-বাণিজ্যের গতি বাড়াতে বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। কলকাতা বন্দরের সঙ্গে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ককে সরাসরি যুক্ত করার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, "নন্দীগ্রামের মতো গুলি না চালিয়েও..",শিল্প নিয়ে বড় বার্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
প্রকল্প অনুযায়ী, কলকাতা বন্দর থেকে হাওড়ার আলমপুর পর্যন্ত হুগলি নদীর নীচ দিয়ে তৈরি হবে টানেল। মোট পথের দৈর্ঘ্য হবে ১৫.৭ কিলোমিটার। যার মধ্যে গঙ্গার নীচে থাকা জোড়া টিউব টানেলের দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ৮ কিলোমিটার।প্রশাসনের আশা, এই টানেল তৈরি হলে ট্রাফিক জ্যাম কমার পাশাপাশি, বাড়বে কলকাতা বন্দরের গুরুত্ব।বাড়বে শিল্প-বিনিয়োগের সম্ভাবনা।কলকাতা বন্দরের দিকে থাকবে টানেলে ঢোকা-বেরনোর ২টি র্যাম্প। ঢোকা ও বেরনোর একটি র্যাম্প শুরু হবে NSD ৮ নম্বর গেট এবং গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্সের কাছ থেকে। দ্বিতীয় র্যাম্পের ঢোকা ও বেরনোর রাস্তা শুরু হবে তারাতলা রোডের জিঞ্জিরাবাজার জংশন থেকে। এই অংশে এসে মিশেছে তারাতলা রোড, বজবজ রোড, হাইড রোড এবং উপেন ব্যানার্জি রোড। এখান থেকেই ধরা যাবে মেন টানেল। মেন টানেল তৈরি হবে গঙ্গার ৩৮ মিটার গভীরে। টানেল শেষ হয়ে মাটির ওপরে রাস্তা উঠবে হাওড়ার সাঁকরাইল স্টেশনের কাছে।
অন্যদিকে, সাঁকরালই গুডস ইয়ার্ডের কাছে তৈরি হবে টানেলে ঢোকা বেরনোর ২টি র্যাম্প। একটি র্যাম্প যুক্ত হবে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে। আর একটি র্যাম্প যুক্ত হবে কলকাতার সঙ্গে। বর্তমানে কলকাতা থেকে হাওড়ার যোগাযোগের মাধ্যম বলতে হাওড়া ব্রিজ এবং দ্বিতীয় হুগলি সেতু। এছাড়া বালিতে রয়েছে দু'টি সেতু। কিন্তু প্রতিদিন এই সব জায়গায় যানজট লেগেই থাকে। নতুন রাস্তা তৈরি হলে, যাতায়াত করবে প্রচুর পণ্যবাহী গাড়ি। সেই সব গাড়ি পার্ক করার জন্য হাওড়ার টোল প্লাজার কাছে তৈরি হবে ২টি বিশাল পার্কিং লট। যেখানে রাখা যাবে অন্তত ১০ হাজার গাড়ি। টোল প্লাজার পর শুরু হবে সংযোগকারী রাস্তা। যা আলমপুরে গিয়ে মিশবে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে। কলকাতা বন্দর ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে হবে এই নির্মাণকাজ।
প্রকল্পের জন্য খরচ হবে মোট ১১ হাজার কোটি টাকা। এই প্রকল্প শুধু একটি টানেল নয়, বরং কলকাতা বন্দরের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের রূপরেখা। নদীর তলা দিয়ে সরাসরি জাতীয় সড়কের সংযোগ, কম সময়ে পণ্য পরিবহণ এবং শিল্প বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা, সব মিলিয়ে এই করিডর বাস্তবায়িত হলে বদলে যেতে পারে পূর্ব ভারতের বাণিজ্যিক মানচিত্র।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
ABP Ananda