Scam Alert : ওটিপি শেয়ার না করলেও ফাঁকা হতে পারে অ্যাকাউন্ট, টাকা ফেরতের আইনি উপায়গুলি জানেন ?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
Cyber Fraud : আজকাল সাইবার জালিয়াতির (Cyber Fraud) ঘটনা ঝড়ের গতিতে বাড়ছে। প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে অনেকেই নিজেদের কষ্টার্জিত সাধারণত, জালিয়াতির শিকার মানুষজন কোনো ভুয়ো লিঙ্ক বা ওটিপি (OTP) শেয়ার করার পরেই টাকা খোয়ান।

Cyber Fraud : আজকাল সাইবার জালিয়াতির (Cyber Fraud) ঘটনা ঝড়ের গতিতে বাড়ছে। প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে অনেকেই নিজেদের কষ্টার্জিত টাকা হারাচ্ছেন। সাধারণত, জালিয়াতির শিকার মানুষজন কোনো ভুয়ো লিঙ্ক বা ওটিপি (OTP) শেয়ার করার পরেই টাকা খোয়ান। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এমন অনেক ঘটনা সামনে আসছে, যেখানে গ্রাহক কোনো ওটিপি শেয়ার না করা সত্ত্বেও তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।

হঠাৎ করে অ্যাকাউন্টে এমন মেসেজ দেখলে আতঙ্কিত হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে এই পরিস্থিতিতে প্যানিক না করে শান্ত মাথায় দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিলে আপনার টাকা ফেরত পাওয়া সম্ভব। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (RBI) নিয়ম অনুযায়ী, গ্রাহকের কোনো ভুল না থাকলে খোয়া যাওয়া টাকা ফেরত পাওয়ার নির্দিষ্ট আইনি অধিকার রয়েছে তাঁর।

টাকা কেটে নিলে সবার আগে কী করবেন ?
যদি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো অবৈধ বা জালিয়াতিমূলক লেনদেন (Fraudulent Transaction) হয়ে থাকে, তবে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে নিচের পদক্ষেপগুলি নিন:

ব্যাঙ্কের হেল্পলাইনে ফোন: সবার আগে আপনার ব্যাঙ্কের কাস্টমার কেয়ার বা হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন। আপনার ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড এবং নেট ব্যাঙ্কিং অ্যাকাউন্টটি অবিলম্বে ব্লক করার অনুরোধ জানান, যাতে আর কোনো টাকা কাটতে না পারে।

১৯৩০ (1930) নম্বরে অভিযোগ: সাইবার জালিয়াতির শিকার হলে দ্রুত জাতীয় সাইবার হেল্পলাইন নম্বর ১৯৩০-এ কল করে অভিযোগ নথিভুক্ত করুন। মনে রাখবেন, জালিয়াতির পর আপনি যত দ্রুত অভিযোগ জানাবেন, টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা ততটাই বেশি থাকবে।

অনলাইন পোর্টাল: আপনি চাইলে সরাসরি সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট—ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে (National Cyber Crime Reporting Portal) গিয়েও লিখিতভাবে আপনার অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। সেখানে লেনদেনের সমস্ত বিবরণ স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে।

কী বলে আরবিআই (RBI)-এর নিয়ম?
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নিয়ম অনুসারে, যদি কোনো জালিয়াতির পেছনে গ্রাহকের কোনো গাফিলতি বা ভুল না থাকে এবং গ্রাহক যদি সময়মতো (সাধারণত ৩ দিনের মধ্যে) ব্যাঙ্কের কাছে অভিযোগ জানান, তবে সেই আর্থিক ক্ষতির দায় ব্যাঙ্কের ওপর বর্তায়। এই ধরনের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক গ্রাহককে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকে।

অভিযোগ জানানোর জন্য কী কী নথি লাগবে ?
ব্যাঙ্ক বা সাইবার সেলে অভিযোগ জানানোর সময় আপনার হাতের কাছে এই তথ্য ও নথিগুলি রাখা জরুরি:
১. ব্যাঙ্কের স্টেটমেন্ট (Bank Statement)
২. জালিয়াতি হওয়া লেনদেনের বিবরণ (তারিখ, সময় ও টাকার পরিমাণ)
৩. সাইবার হেল্পলাইনে করা অভিযোগের নম্বর (Complaint Number)
৪. গ্রাহকের নিজস্ব পরিচয়পত্র (আধার, প্যান বা ভোটার কার্ড)

ভুল করেও যে কাজগুলি করবেন না
সাইবার অপরাধীদের থেকে নিরাপদ থাকতে কিছু সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলুন। কোনো লটারি জেতার লোভ দেখিয়ে আসা ভুয়ো ফোন কল, মেসেজে পাঠানো অজানা লিঙ্ক বা কোনো থার্ড-পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে কখনোই আপনার ব্যাঙ্কিং তথ্য শেয়ার করবেন না। অ্যাকাউন্টে কোনো সন্দেহজনক লেনদেন নজরে এলে তা কখনোই হালকাভাবে নেবেন না।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Banking. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Banking

Read Previous

UPSC Exam Success Story: কল...

Read Next

Daily Astrology: মঙ্গলে...