Science News: মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত, পৃথিবীর বাইরে ৮ মাস থাকবেন, বায়োডেটা চমকে দেওয়ার মতো

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি: কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ নয়। টানা আট মাস মহাকাশে থাকবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। মহাকাশ গবেষণায় নজির গড়তে চলেছেন অনিল মেনন, যিনি পেশায় মহাকাশচারী, চিকিৎসক আবার মেকানিক্য়াল ইঞ্জিনিয়ারও।

নয়াদিল্লি: কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ নয়। টানা আট মাস মহাকাশে থাকবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। মহাকাশ গবেষণায় নজির গড়তে চলেছেন অনিল মেনন, যিনি পেশায় মহাকাশচারী, চিকিৎসক আবার মেকানিক্য়াল ইঞ্জিনিয়ারও। আমেরিকার মহাকাশবাহিনীর কর্নেল পদও অলঙ্কৃত করে রয়েছেন। আগামী মাসেই মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন তিনি। (Anil Menon Space Mission)

আগামী ১৪ জুলাই কাজাখস্তানের বায়কনুর থেকে মহাকাশে পাড়ি দেবে Soyuz MS-29 মহাকাশযানটি। মূলত রুশ নভোশ্চররা সওয়ার থাকবেন। তাঁদের সঙ্গেই মহাকাশে যাচ্ছেন অনিল। রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা Roscosmos-এর দুই নভোশ্চর পিতোর দুবরভ, আনা কিকিনা এবং অনিল একসঙ্গে পাড়ি দেবেন। (Science News)

মহাকাশে সব মিলিয়ে আট মাস কাটাবেন অনিল এবং তাঁর সতীর্থরা। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে গবেষণা চালাবেন এবং ২০২৭ সালের বসন্তকালে ফিরে আসবেন পৃথিবীতে। তবে অনিলের বায়োডেটা বিশেষ করে নজর কাড়ছে সকলের। কারণ মেডিসিন, ইঞ্জিনিয়ারিং, এভিয়েশন এবং মহাকাশ গবেষণা, সবক্ষেত্রেই কৃতিত্বের অধিকারী তিনি। 

আরও পড়ুন: ‘মোদিকে দেখতে দেবদূতের মতো, টোটাল কিলার’, মোদি প্রশস্তি ট্রাম্পের, বললেন, ‘ওঁকে কেউ আঘাত করলে…’

আমেরিকার মিনেসোটার মিনিয়াপলিসে জন্ম অনিলের। ভারতীয় এবং ইউক্রেনীয় বাবা-মায়ের কোলে জন্ম। বাবা ভারতীয় এবং মা ইউক্রেনীয়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে নিউরোবায়োলজির ডিগ্রি অর্জন করেন। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস মেডিক্যাল ব্রাঞ্চ থেকে এ্যারোস্পেস মেডিসিন নিয়ে পড়াশোনা। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নিউরোবায়োলজিে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও রয়েছে। 

দু’বার আমেরিকার বায়ুসেনায় কাজের সুযোগ অনিল। মূলত আহত সৈনিকদের চিকিৎসা করতেন। ২০১৪ সালে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA-য় ফ্লাইট সার্জন হিসেবে কাজ শুরু। দীর্ঘ সময় পর মহাকাশ অভিযান থেকে ফেরা মহাকাশচারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আসতে সাহায্য় করতেন।রাশিয়াতেও বেশ কিছুটা সময় কাটিয়েছেন তিনি। সেখানে আন্তর্জাতিক মহাকাশচারীদের সঙ্গে কাজ করেছেন Soyuz অভিযান নিয়ে। 

আরও পড়ুন: ফের অশান্ত বাংলাদেশ, রামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণের কাজ বন্ধ, ছবি অবমাননার অভিযোগ, মশাল মিছিল পড়ুয়াদের

তবে অনিলের কেরিয়ারের মোড় ঘুরে যায় ইলন মাস্কের সংস্থা SpaceX-এর দৌলতে। সেখানে ফার্স্ট ফ্লাইট সার্জন হিসেবে কাজের সুযোগ পান তিনি। সংস্থার মেডিক্যাল সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তাঁর। ঐতিহাসিক Demo-2 অভিযানে যুক্ত ছিলেন, যাতে প্রথম বার মহাকাশচারীদের নিয়ে ওড়ে SpaceX-এর Dragon মহাকাশযান। 

২০২১ সালে NASA অনিলকে বেছে নেয় মহাকাশচারী হিসেবে। দু’বছর ধরে চলে প্রশিক্ষণ। ২০২৪ সালে মহাকাশচারী হিসেবে স্নাতক হন। সেই থেকে মহাকাশে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। Soyuz MS-29 অভিযানে মহাকাশে গবেষণা চালাবেন তিনি। চাঁদ এবং মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর আগে সহায়ক হবে তাঁর গবেষণা। বিশেষ করে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বাইরে শিরা ও ধমনীর উপর কী প্রভাব পড়ে, রক্তের প্রবাহ এবং উপাদানের উপর কতটা প্রভাব পড়ে, তা খতিয়ে দেখবেন। সেই সঙ্গে স্পেস স্টেশনের পানযোগ্য জল ব্যবহার করে শিরায় প্রয়োগের উপযুক্ত তরল তৈরির কাজও করবেন তিনি, যা আগামী দিনে মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। যদ দিন যাচ্ছে, মহাকাশ গবেষণায় ভারতীয়দের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন অনিল।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - World. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - World

Read Previous

Fact Check : E-20 পেট্রোল...

Read Next

Income Tax Return: আয়কর...