We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Stock Market Prediction : ভারতের শেয়ার বাজারের জন্য খারাপ খবর ! শীঘ্রই ২০% পতনের আশঙ্কা, বড় দাবি এই এক্সপার্টের
Share Market Crash : ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাব কাটবে না ভারতের বাজার থেকে (Indian Stock Market)। শীঘ্রই আরও ভয়াবহ পতনের মুখ দেখতে পারে ইন্ডিয়ান স্টক মার্কেট। অন্তত সেই আশঙ্কার কথা বলছেন বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগকারী মার্ক ফেবার (Marc Faber)। এখানেই শেষ নয়, 'দ্য গ্লুম, বুম অ্যান্ড ডুম' রিপোর্টের লেখকের দাবি, ফের বিয়ার মার্কেট ফিরতে পারে ভারতে।
কত শতাংশ ধস নামতে পারে ভারতের শেয়ার বাজারে
মার্ক ফেবারের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে ভারতীয় শেয়ার বাজার আরও প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত পড়তে পারে। লেখকের কথা অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ভারতে মন্দার ট্রেন্ড বা বিয়ার মার্কেট শুরু হয়ে গেছে। আগামী দিনে এই পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে।
কী আশঙ্কা করছেন এই মার্কেট অ্যানালিস্ট
সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে ফেবার জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলির উপার্জনের যে পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে, তা অনেকটাই অবাস্তব। এর প্রভাব ভারতীয় বাজারেও পড়বে ও শীঘ্রই কোম্পানিগুলির আয় হতাশ করতে শুরু করবে। ফলে এই মুহূর্তে ভারতীয় শেয়ার বাজার নতুন করে কেনার জন্য যথেষ্ট সস্তা নয়।
কেন এই আশঙ্কার মেঘ ? এক নজরে মূল কারণগুলি
১ লিকুইডিটির অভাব: ভারতের বাজার নিয়ে মার্ক ফেবারের মত, এখন বাজারে বিশ্বব্যাপী লিকুইডিটি বা অর্থের জোগান বাড়লেও তার গতি আগের চেয়ে অনেক স্লো। বুদবুদ বা ফাটকা বাজারের মতো এখানেও আয়ের ভুল মূল্যায়ন হয়েছে, যা এবার সংশোধনের মুখে পড়বে।
২ বেরিয়ে যাচ্ছে বিদেশি পুঁজি : ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা (FII) ভারতীয় বাজার থেকে প্রায় ৪৯ বিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছেন। যার ফল ভুগতে দেশের শেয়ার বাজার।
৩ ভ্যালুয়েশন এখনও বেশি : নিফটি বর্তমানে তার ফরোয়ার্ড আর্নিংসের ১৯ থেকে ১৯.৫ গুণ মূল্যে ট্রেড করছে। নুভামা-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের মার্কেট ক্যাপ টু জিডিপি রেশিও বর্তমানে ১৩০ শতাংশ, যেখানে ১০ বছরের গড় হলো ১০০ শতাংশ।
৪ ভূ-রাজনৈতিক দুর্যোগের মেঘ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর সাথে যোগ হয়েছে ৩ সপ্তাহেরও বেশি বর্ষার ঘাটতি।
কী বলছেন অন্যান্য বাজার বিশেষজ্ঞরা ?
শেয়ার বাজারের আগামী দিন নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে:
অ্যাম্বিট ক্যাপিটাল: বর্তমানের উচ্চ ভ্যালুয়েশনে ঝুঁকি বেশি, লাভের সুযোগ কম। যতক্ষণ না অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আরও গতি পাচ্ছে বা বাজার সস্তা হচ্ছে, ততক্ষণ বিদেশি পুঁজি ফেরা কঠিন।
এমকে গ্লোবাল : যুদ্ধ-পরবর্তী বাজারের সাময়িক উত্থান এবার বাধার মুখে পড়তে পারে। তেল যদি ব্যারেল প্রতি ৮৫ ডলার পার করে, তবে বাজারে বড় ধস নামতে পারে। তবে তারা যেকোনো পতনকে ভালো শেয়ারে এন্ট্রি নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
পিএল ক্যাপিটাল : ২০২৭ অর্থবর্ষের জন্য তারা সতর্কভাবে আশাবাদী। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, এআই উন্মাদনা এবং বর্ষার ঘাটতি ঝুঁকি বাড়ালেও, এই মুহূর্তে ডিফেন্স এবং বিএফএসআই (BFSI - ব্যাঙ্কিং ও আর্থিক ক্ষেত্র) সেক্টরের ওপর তারা ভরসা রাখছেন।
বার্কলেস কী বলছে : বর্তমানের এই কমে যাওয়া দামকে তারা বিনিয়োগের একটি বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন।
আরও পড়ুন : ৬ মাসে টাকা দ্বিগুণ, ৫ বছরে ১ লাখ টাকা বেড়ে ২০ লাখ, আপনার আছে এরকম শেয়ার
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
ABP Ananda