Tamil Nadu Seafood Factory: হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, রক্তবমি পরিযায়ী শ্রমিকদের, মাছের কারখানায় অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করে ভয়ঙ্কর ঘটনা, হতাহত বাড়ছে

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি: সামুদ্রিক মাছের কারখানায় গ্যাস লিক করে ভয়ঙ্কর কাণ্ড। হাসপাতালে ভর্তি আরও ৪০ জন। শিউড়ে ওঠার মতো ছবি এবং ভিডিও উঠে এসেছে ঘটনাস্থল থেকে।

নয়াদিল্লি: সামুদ্রিক মাছের কারখানায় গ্যাস লিক করে ভয়ঙ্কর কাণ্ড। বেঘোরে মৃত্যু সাত পরিযায়ী শ্রমিকের। হাসপাতালে ভর্তি আরও ৪০ জন। শিউড়ে ওঠার মতো ছবি এবং ভিডিও উঠে এসেছে ঘটনাস্থল থেকে। মৃতরা উত্তর ভারত থেকে তামিলনাড়ুর ওই কারখানায় কাজ করতে গিয়েছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। (Tamil Nadu Gas Leak)

তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলার ঘটনা। পেরিয়াপলায়মের কাছে একটি সামুদ্রিক মাছ ও খাদ্যপণ্য রফতানির ওই কারখানাটি অবস্থিত। প্রক্রিয়াকরণ করে সেখান থেকে মাছ, সামুদ্রিক প্রাণী রফতানি হয়। রবিবার সেখানেই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করে বিপত্তি ঘটে। কারখানা চত্বরেই সেই সময় ছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তাঁদের, মাথা ঘুরতে শুরু করে, বমিও করতে শুরু করেন। কারও কারও আবার মুখ দিয়ে রক্ত উঠে আসে। (Tamil Nadu Seafood Factory)

আরও পড়ুন: CJI সূর্যকান্ত এবং বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা? সব ‘বিভ্রান্তিমূলক’ পোস্ট সরাতে বলল আদালত

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে বহু পরিযায়ী শ্রমিক ওই কারখানায় কাজ করতে গিয়েছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ১২০ জন পরিযায়ী শ্রমিক কর্মরত ছিলেন কারখানায়। মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকদের বড় অংশ গিয়েছিলেন অসম, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডের মতো রাজ্য থেকে।

কারখানা চত্বরে পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকার বন্দোবস্ত ছিল। রবিবার ছুটি থাকলেও, তাই কারখানা চত্বরেই ছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। জানা গিয়েছে, সিফুড প্রসেসিং ইউনিটেই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করে। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে অন্যত্র। পরিযায়ী শ্রমিকরাও গ্যাস লিকের শিকার হন। 

আরও পড়ুন: ট্রেনে ভিক্ষা করলে ২০০০ টাকা জরিমানা, মত্ত অবস্থায় উঠলে…নয়া নিয়ম রেলের

তিরুভাল্লুরের জেলাশাসক এস কবিতা জানিয়েছেন, ৬৭ জন শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৪৬ জন রয়েছেন ভেলস হাসপাতালে, ২১ জন রয়েছেন বেঙ্কটেশ্বর হাসপাতালে। ন’জনের অবস্থা গুরুতর ছিল। ভাল চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ের গভর্নমেন্ট স্ট্যানলি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁদের। 

ঘটনার পর জরুরি বিভাগের আধিকারিকরা পৌঁছে যান কারখানায়। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৩০ সদস্যের টিমও পৌঁছে গিয়েছে। গ্যাস ডিটেকশন ডিভাইস, উদ্ধারকার্য চালানোর সরঞ্জাম এসে পৌঁছয়। নিরাপদে বের করে আনা হয় বাকিদের। এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ‘থলপতি’ বিজয়। যে বা যাঁরা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, তিন সদস্যের তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে, যাতে রয়েছেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি অ্যান্ড হেলথ বিভাগের ডিরেক্টর, দূষণ নিয়ন্ত্রক পর্ষদের সদস্য সচিব এবং জনস্বাস্থ্য বিভাগের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। 

ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। কারখানার মালিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন বিজয়, রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর। 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - India. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - India

Read Previous

Satabdi Roy on Trinamool:...

Read Next

IND A vs SL A: ৩০০-র অধিক...