Taratala Collapse: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১২ শ্রমিক, তারাতলার ধ্বংসস্তূপে এখনও উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে NDRF, পুলিশ, রেল!

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: তারাতলায় গোডাউন বিপর্যয়ের আজ পঞ্চম দিন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। SSKM-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন এখনও ১২ জন। অন্যদিকে এখনও চলছে ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার কাজ।

কলকাতা: তারাতলায় গোডাউন বিপর্যয়ের আজ পঞ্চম দিন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। SSKM-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন এখনও ১২ জন। অন্যদিকে এখনও চলছে ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার কাজ। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারে সেনা, NDRF, পুলিশের সঙ্গে সামিল রেলও! এর আগের পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছিল, ধ্বংসস্তুপে আর কেউ আটকে থাকার সম্ভাবনা নেই। তবে কাজ করতে এসে যাঁরা প্রিয়জনকে হারালেন, তাঁরা যেন ভুলতে পারছেন না দিনটা। সবার মুখেই এক কথা, শুধু কাজ করার জন্য, ২ মুঠো ভাতের জন্যই এসেছিলেন মানুষগুলো। সকালে কাজে আসার আগে অনেকে ভাবতেই পারেননি যে, আর প্রাণ নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না।

তারাতলায় মৃত একই পরিবারের ৩ জন!

মুঙ্গের থেকে তারাতলার গুদাম তৈরির কাজে এসেছিলেন একই পরিবারের ৬ জন, তার মধ্যেই তারাতলার ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৩ জন। আগেই মৃত্যু হয় পরিবারের ২ জনের, মৃতদের মধ্যে ওই পরিবারে আরও ১ জন শনাক্ত করা হয়েছে। মোবাইল দেখে শনাক্ত করা হয়েছে শিরচন কুমারকে, পরিবার সূত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। আগেই মৃত্যু হয়েছে শিরচন কুমারের দুই ভাই ঘি কুমার ও মন্নু কুমারের। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই হাসপাতালে থেকে ছাড়া পেয়েছেন, শিরচন কুমারের আরেক ভাই মানিকচাঁদ। শিরচন কুমারের ভাই সহিদ কুমারকে গতকাল ছাড়া হয়েছে হাসপাতাল থেকে। আহত ১৭ জনের মধ্য়ে গতকালই ৪ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে SSKM থেকে। আর তারাতলায় গোডাউন বিপর্যয়ে এখনও হাসপাতালে ভর্তি ১২ জন।

কাজ করতেন কত জন শ্রমিক? খাতায় নথিবদ্ধ হত না কিছুই

তারাতলার গোডাউনে বিপর্যয় কেড়ে নিয়েছে ১৬টি প্রাণ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলেছে উদ্ধারকাজ। প্রশ্ন উঠছে, এতগুলো মৃত্যুর দায় কার? মৃত্যুমিছিলের মধ্যে দিয়ে গুনতে হল কার ভুলের মাশুল? একটানা ৪ দিন, ৩ রাত, কোমর বেঁধে চলছে উদ্ধারকাজ। আধুনিক প্রযুক্তির ব্য়বহার থেকে সমস্ত বাহিনীর দক্ষতা, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একরকম যুদ্ধ করছেন NDRF, সেনাবাহিনীর কর্মী থেকে পুলিশ ও দমকল। কখনও ভিক্টিম লোকেটিং ক্যামেরা নিয়ে কংক্রিটের তলায় ঢুকে চলেছে খোঁজ। আবার কখনও অক্সিকাটিং সেট ও প্লাজমা কাটিং মেশিন ব্যবহার করে লোহার বিম কাটতে হাত লাগিয়েছে রেলের রেসকিউ টিম। বুধবার দুপুরে আচমকা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তারাতলার এই গোডাউন। লোহার বিম ও কংক্রিটের নীচে চাপা পড়েন নির্মাণ শ্রমিকরা। শুরু হয় মৃত্যুমিছিল! ঠিক কতজন কাজ করছিলেন তারাতলার 'ত্রাসের' ঘরে? অভিযোগ, তারাতলার গোডাউনে প্রতিদিন কতজন শ্রমিক কাজ করছেন তা কোনও খাতায় নথিবদ্ধ করা হত না। আহত ও নিহত মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। জমছে অভিযোগের পাহাড়। তারাতলার গোডাউন বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপের কথা শোনা গেছে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের মুখে। তারাতলায় গোডাউনে বিপর্যয়কাণ্ডে তদন্ত করতে শনিবার ঘটনাস্থলে যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষজ্ঞ দল। তদন্ত হচ্ছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারিও চলছে। কিন্তু যেভাবে এতগুলো প্রাণ চলে গেল, এর দায় নেবে কে?

আরও পড়ুন: Rudranil Ghosh: 'কিছু লোক ঘোলা জলে মাছ ধরেছে', থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে ফের সরব রুদ্রনীল

 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

US-Iran War: ইরানকে মুছে...

Read Next

Employees' Provident Fund Organisation:...