Taratala Collapse: 'গোডাউন কাঁপছিল, ইঞ্জিনিয়ারকে বলেছিলাম, ভয় করছে! কিন্তু...', ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তারাতলায় আক্রান্ত এক শ্রমিকের

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: 'ভেঙে পড়ার আগে কাঁপছিল নির্মীয়মাণ গোডাউন! কাজ করতে ভয় করছে, ইঞ্জিনিয়ারকে জানিয়েছিলাম! বলার পরও আমাদের কথায় গুরুত্ব দেয়নি ইঞ্জিনিয়ার!', বিস্ফোরক অভিযোগ তারাতলার গোডাউনের চাল ভেঙে পড়ে আটকে পড়া এক শ্রমিকের!

কলকাতা: 'ভেঙে পড়ার আগে কাঁপছিল নির্মীয়মাণ গোডাউন! কাজ করতে ভয় করছে, ইঞ্জিনিয়ারকে জানিয়েছিলাম! বলার পরও আমাদের কথায় গুরুত্ব দেয়নি ইঞ্জিনিয়ার!', বিস্ফোরক অভিযোগ তারাতলার গোডাউনের চাল ভেঙে পড়ে আটকে পড়া এক শ্রমিকের! যে সময়ে ওই অভিশপ্ত গোডাউনের চাল ভেঙে পড়ে চাপা পড়ে যান শ্রমিকেরা, সেই সময়ে ভিতরে ছিলেন তিনিও। সব শুদ্ধ গোডাউনের ছাদ ভেঙে পড়ার পরে, চাপা পড়ে যান তিনিও। সেখানেই আটকে ছিলেন ঘণ্টা ৪! ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন, তারাতলা বিপর্যয়ে আহত বাসন্তির মুস্তাকিন গায়েন!

চাপা পড়ে ৪ ঘণ্টা! ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন এক শ্রমিক!

এদিন এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আহত বাসন্তির মুস্তাকিন গায়েন বলছেন, 'কাজের শুরুতে আমরা ৪ জন গিয়েছিলাম ৯ তারিখে। কাজ চলছিল দুর্ঘটনার দিন, হঠাৎ ছাদ থেকে সবশুদ্ধ ভেঙে পড়ে গেল। কিছু বলার সুযোগ ও পেলাম না। লোহার স্ট্রাকচার করা ছিল, তার ওপরেই ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। কাজ করতে করতেই বুঝতে পারছিলাম, বিল্ডিং কাঁপছে। আমরা গিয়ে ইঞ্জিনিয়ারকে বলেছিলাম, ২ দিক থেকে সাপোর্ট না দিলে, কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। বিল্ডিং নড়ছে, কাজ করতে ভয় লাগছে!' মুস্তাকিন বিস্ফোরক অভিযোগ করেন যে, ভেঙে পড়ার আগেই নাকি কাঁপছিল ওই নির্মীয়মাণ গোডাউন! কাজ করতে ভয় করছে, এই কথা ইঞ্জিনিয়ারকে জানিয়েওছিলেন শ্রমিকেরা। কিন্তু সেই সময়েও নাকি একেবারেই বিষয়টায় আমল দেননি ইঞ্জিনিয়াররা!

তিনি আরও বলেন, 'ওইভাবেই কাজ চলছিল, কিন্তু কাজে ভুল হচ্ছিল বুঝতে পারছিলাম। নিচে থেকে ঢালাই করলে কিছু হত না। কিছু মাথা থেকে ঢালাই করা হচ্ছিল, মাথা ভারি হয়ে গিয়েছিল বলেই সব নিয়ে ভেঙে পড়ে গেল। যা হয়েছে, ইঞ্জিনিয়াররাই সব জানে ভাল। ওরা অনেক কাজ করে, আমরা তো কথামতো কাজ করি। আমরা আর কি করে জানব? ওই সময় ওখানে ৫০-৬০ জন কাজ করছিলাম। ওপরে নিচে করে অল্প অল্প করে লোক ভাগ হয়ে ছিলাম আমরা, কাজ করছিলাম। নিচে ঢালাইয়ের লোক ছিল, আমরা ছিলাম, রড বাঁধার লোক ছিল। আমরা ভিতরে চাপা পড়ে গিয়েছিলাম। সাড়ে ৩ ঘণ্টা, চার ঘণ্টা পরে বের করেছে আমাদের। ভিতর থেকে চিৎকার করছিলাম, কেউ শুনতে পায়নি। এরপরে অল্প অল্প করে লোহার বিম কেটে, আমাদের বের করা হয়। ওখান থেকে বের করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। ৩ দিন পরে বাড়িতে এলাম।'

আরও পড়ুন: Weather Update: কোথাও নেমেছে ধস, ভেঙেছে বেইলি ব্রিজ, কোথাও বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে নদীর জলস্তর! বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ!

 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

Weather Update: কোথাও...

Read Next

BJP News: কোদাল হাতে...