TMC News: অর্থের বিনিময়ে শিবিরবদল? টাকার অঙ্ক লিখে অভিযোগ মহুয়া মৈত্রের, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি কাকলি ঘোষ দস্তিদারের

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কৃষ্ণেন্দু অধিকারী ও সৌমিত্র রায়, কলকাতা: কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে দলবদল। লোকসভায় একসময়ের সতীর্থদের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলে পোস্ট করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী ও সৌমিত্র রায়, কলকাতা: কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে দলবদল। লোকসভায় একসময়ের সতীর্থদের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলে পোস্ট করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর দাবি, NCPI-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ এদিন ভার্চুয়ালি বৈঠকও করেন। পাল্টা আক্রমণের পথে হেঁটেছেন মহুয়া মৈত্রও। (Mahua Moitra vs Kakoli Dastidar)

এক সময়ের সহযোদ্ধা আজ চরম শত্রু। একজনের হুঁশিয়ারির পাল্টা অন্য জন দিচ্ছেন হুঙ্কার।  তৃণমূলের ঘর ভেঙে খানখান হওয়ার পর, লোকসভার ২০ জন তৃণমূল সাংসদ যোগ দিয়েছেন NCPI-তে।এই অবস্থায় টাকার বিনিময়ে দলবদলের অভিযোগ তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া। এর পাল্টা, এবার তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি। (TMC News)

মহারাষ্ট্রে উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরের শিবসেনার ছয় বিধায়ক ঘোড়া কেনাবেচায় শামিল হয়েছেন বলে অভিযোগ। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক অভিযোগ তুলেছেন দলের সাংসদ সঞ্জয় রাউত। উদ্ধব-শিবসেনার সাংসদরা ১৫ কোটি টাকার বিনিময়ে দলবদলে রাজি হয়েছেন বলে দাবি তাঁর। ওই অভিযোগ রিপোস্ট করে মহুয়া লেখেন, 'মাত্র ১৫ কোটি? এত সস্তায় কেন যাচ্ছে? যতদূর জানি, আমাদেরগুলির তো অগ্রিম ৪ কোটি এবং আগামী ৩৬ মাসে ১ কোটি করে রফা হয়েছে...হানি এবং মানি'।

মহুয়ার ওই পোস্টে কার্যত ফুঁসে উঠেছেন কাকলি। এবিপি আনন্দে তিনি বলেন, "আমরা দেখছি মহুয়া মৈত্র টাকার অঙ্ক তুলে বলছেন নাকি লেনদেন হয়েছে। এই ২০ জন সাংসদ, যারা আমরা NCPI-তে আছি, একসঙ্গে জুম মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওঁকে প্রমাণ করতে হবে এই টাকার অঙ্ক উনি কোথায় পেলেন। ওঁর এই দাবিকে আমরা কিন্তু নস্যাৎ করছি। আমরা দৃঢ় পদক্ষেপে ওঁর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে চলে যাব।"

মহুয়া যদিও নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর বক্তব্য, "আইনের দ্বারস্থ হোন না! সমস্যা কোথায়? আসলে এরা ভয় পেয়ে গিয়েছে। কেউ শো পাবে না বলে, কেউ বরোদায় জমি কেলেঙ্কারির জন্য। বসুনিয়ার স্ত্রী বিধায়ক। আবার বলছে, ওর সঙ্গে কথা বলা হয়নি। তোমার সঙ্গে কথা না বলে তোমার বউকে টিকিট দেওয়া হয়েছে? অসিত মাল বলছে, দিদি নাতি ওর সঙ্গে কথা বলেনি। তাহলে সাংসদ হল কী করে? এরা খুল্লমখুল্লা কিছু করছে না। প্রকাশ্যে করছে না কিছু।"

যদিও কাকলির বক্তব্য, "কোনও রকম আর্থিক লেনদেন হয়নি। ওই যে ৪ কোটি এবং মাসে ১ কোটির খবর দিচ্ছেন, তার মানে উনি কি কারও সঙ্গে যোগাযোগে আছেন? যারা ওঁকে ওই টাকা দেবে বলেছে? কারণ আমাদের কেউ বলেনি। উনি চাইলেও ওঁকে কোনও দল নিচ্ছে না। এই খবরটা আমাদের কাছেও আছে।" পাল্টা আক্রমণে আবার মহুয়া বলেন, "চোদ্দ গুষ্টিতে কেউ সাংসদ হতো না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৌলতে হয়েছে। সাংসদের যত সুযোগ-সুবিধা সব নিয়েছে। তাঁরা আজ দাঁড়িয়ে বলুন, কোন কারণে NDA-কে সমর্থন করছেন? এই সাংসদরাই এক মাসে আগে পর্যন্ত গলা ফাটিয়ে বাজেট অধিবেশনে ঝগড়া করত যে 'আমি বলব, আমি বলব দলের হয়ে'। হেলিকপ্টারে চেপে দলের টাকায় প্রচার করেছেন। আজ আমাদের নীতি শেখাবেন?"

তৃণমূলে ভাঙনের জেরে দল তিন ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। সেই নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে অর্থের বিনিময়ে দলবদলের অভিযোগ ঘিরে এখন তরজা সপ্তমে। 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Kolkata. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Kolkata

Read Previous

Dilip Ghosh | ''আজ খুব...

Read Next

Yashavi Jaiswal: সীমিত...