TMC News : হাইকোর্টেও ধাক্কা কালীঘাট-তৃণমূলের! স্পিকারের সিদ্ধান্তে সিলমোহর, বিরোধী দলনেতা তবে কে ?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা : বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে TMC এখন দুই ভাগে বিভক্ত। একপক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে, আর অন্য পক্ষ 'বিদ্রোহী ব্লক' ঋতব্রত

কলকাতা : বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে TMC এখন দুই ভাগে বিভক্ত। একপক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে, আর অন্য পক্ষ 'বিদ্রোহী ব্লক' ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। একটি সই জাল কাণ্ড বাংলায় তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করেছে। সই জাল কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই ভাঙন ধরে তৃণমূলে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের জায়গায় ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে ঋতব্রতকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেন স্পিকার। আর এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যান বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব। 

রাজ্যে পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে এক চরম টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। এর মাঝেই এবার বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিধানসভার স্পিকারের নেওয়া সিদ্ধান্তে এখনই কোনও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল না আদালত। ফলত, এই মামলায় হাইকোর্টেও ধাক্কা খেল কালীঘাট-তৃণমূল। মমতাপন্থী তৃণমূলের মামলা গুরুত্ব পেল না হাইকোর্টে। 'বিরোধী ব্লকের বিধায়কদের নির্বাচনে আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ নয়', অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিলেন না হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। সুতরাং বিরোধী দলনেতার পদে আসীন থাকছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তবে মামলার নিষ্পত্তি করা হয়নি। আগামী ১৮ জুলাই ফের মামলার শুনানি হবে। সবপক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। 

আরও পড়ুন - শেষ হল ঋতব্রতর সঙ্গে ফিরহাদের দীর্ঘ বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা ? ফের কোন বড় বার্তা ?

হাইকোর্টের এই রায়ের পর ডেপুটি লিডার সন্দীপন সাহা জানান, ''নৈতিক জয়। যে লড়াইটা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আমি, আমরা শুরু করেছিলাম যে অনিয়মের বিরুদ্ধে, আজ তার নৈতিক জয় পেলাম। আমরা যে কাজটি করেছি সেটা সম্পূর্ণ আইন মেনে করা এবং এটা আমাদের নৈতিক জয়। বিধায়কদের সমর্থনের সংখ্যা বাড়ছে। এবং যারা যারা আমাদের সমর্থন করছেন, চিঠি দিচ্ছেন, আমরা মাননীয় স্পিকারকে দিচ্ছি সেই চিঠি। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা এই ব্লকটাকে তৈরি করছি, আমরা সেটাকে নিয়ে এগিয়ে যাবো।''

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনে ৮০টি আসনে জিতেছে তৃণমূল। বিজেপি সরকার গড়লেও বিরোধী দল হিসেবে জায়গা পেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  দল। দলের সিদ্ধান্তে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয় স্পিকারের কাছে। কিন্তু পরে ধরা পড়ে যায় কারচুপির কথা। প্রকাশ্যে আসে সই জালিয়াতি কাণ্ড। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূল যে চিঠি জমা দিয়েছে তাতে বিধায়কদের সই নিয়ে অনিয়ম হয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি হয় তৃণমূলের আলাদা ব্লক। দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় দলটি। পরবর্তীতে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে চিঠি দেন ঋতব্রত ও সন্দীপনরা। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিপ্তে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেন স্পিকার। 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

আর জি কর ফাইলস...

Read Next

Gold-Silver Price : একধাক্কায়...