We currently don't have news in this language. Please choose another language.
TMC Office : বিদ্রোহী শিবিরে পার্থ ভৌমিক, এবার দিল্লিতেও তৃণমূলের অফিস নিয়ে সঙ্কট !
নয়াদিল্লি : ভোটে ভরাডুবির পর দল এখন খান খান হয়ে গেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তাঁর কাছে থাকবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। এই আবহে তৃণমূল কংগ্রেসের মাথার ছাদ নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে টানাটানি ! কলকাতায় ইএম বাইপাসের ধারে অস্থায়ী তৃণমূল ভবন ফেরত চেয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে মালিকপক্ষ। এবার দিল্লিতেও তৃণমূলের অফিস নিয়ে তৈরি হয়েছে সঙ্কট !
২০ রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের বাড়িটির এতদিন পরিচিতি ছিল দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস হিসেবে। আদতে এই বাড়িটি সাংসদ হিসাবে পার্থ ভৌমিককে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তিনিই দলকে বাড়িটি পার্টি অফিস হিসাবে ব্য়বহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই পার্থ ভৌমিক এখন বিদ্রোহী সাংসদদের দলে। তিনি ইতিমধ্য়েই এই বাংলো ছাড়তে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। তার ভিত্তিতে তৃণমূল সাংসদের সরকারি বাসভবন পাল্টে দেওয়া হয়েছে। ২০ রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের বাংলোর বদলে, তাঁর জন্য় বরাদ্দ করা হয়েছে 'হুগলি' টাওয়ারের ৫০১ নম্বর ফ্ল্য়াট। এর ফলে দিল্লিতে তৃণমূলের এই পার্টি অফিস হাতছাড়া হওয়া এখন কার্যত নিশ্চিত।
এদিকে বারবার আবেদন করেও সুরাহা না মেলায় EM বাইপাসের ধারে অস্থায়ী তৃণমূল ভবনের বাড়িটি ফেরত চেয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছে মালিকপক্ষ। প্রগতি ময়দান থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জুলাই মাসে বাড়িটি ছেড়ে দেবেন বলে আশ্বাস দিলেও, এখন কোনও নেতার সঙ্গেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাড়িমালিক মডার্ন ডেকরেটার্সের মালিকের ছেলে।
ভোটে হেরে রাজপাট গেছে। পরিষদীয় দলের রাশ বেরিয়ে গেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে। লোকসভার বিদ্রোহী সাংসদরা NDA-কে সমর্থন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। ধাক্কার পর ধাক্কা খাচ্ছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এবার কি ইএম বাইপাসের ধারে অস্থায়ী তৃণমূল ভবনও ছেড়ে দিতে হবে তাঁদের ? ঘরছাড়া হবে ঘাসফুলের দল ? কারণ সেই বাড়ি ফেরত চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন মালিকপক্ষ। প্রগতি ময়দান থানায় অভিযোগ জানায় তারা।
বাইপাসের ধারে এই বাড়িটিই গত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল ভবন নামে পরিচিত। ভোটের আগেও এখানেই আসতেন তৃণমূলের বড়-মেজ-সেজ-ছোট সব নেতাই। তবে এটি একসময় একটি হোটেল ছিল। যার মালিক মর্ডান ডেকরেটার্সের মালিক মনটু সাহা। তাঁর ও তাঁর ছেলের দাবি, করোনার সময় হোটেলটি বন্ধ হয়ে যায়। সেইসময় এক বছরের জন্য এই বাড়িটি ভাড়া নেয় তৃণমূল। ২০২২ থেকে ২০২৩, এই এক বছরের জন্য চুক্তি হয়। বলা হয়, নতুন তৃণমূল ভবন তৈরি হয়ে গেলেই এই বাড়িটি তারা ছেড়ে দেবে। পরে সেই চুক্তির মেয়াদ বাড়ে ২০২৫ সাল পর্যন্ত। তারপর প্রায় দেড় বছর কেটে গেলেও এখনও বাড়ি ফেরত পাননি তাঁরা।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - States. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
দীপ মজুমদার