Zero Based Budgeting: জিরো-বেসড বাজেটিং কী? এই কৌশল কাজে লাগিয়ে কীভাবে নিজের সংসারের খরচ কমাবেন?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: কোনও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাজেট তৈরির সময় সাধারণত আগের বছরের খরচকে ভিত্তি হিসেবে ধরে কিছু পরিবর্তন করে নতুন বাজেট তৈরি করে। কিন্তু যদি প্রতি বছর প্রতিটি খরচকে নতুন করে মূল্যায়ন করতে হয় এবং তার যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে হয়, তাহলে সেই পদ্ধতিকে বলা হয় জিরো-বেসড বাজেটিং (Zero-Based Budgeting বা ZBB)।

কলকাতা: কোনও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাজেট তৈরির সময় সাধারণত আগের বছরের খরচকে ভিত্তি হিসেবে ধরে কিছু পরিবর্তন করে নতুন বাজেট তৈরি করে। কিন্তু যদি প্রতি বছর প্রতিটি খরচকে নতুন করে মূল্যায়ন করতে হয় এবং তার যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে হয়, তাহলে সেই পদ্ধতিকে বলা হয় জিরো-বেসড বাজেটিং (Zero-Based Budgeting বা ZBB)।

আরও পড়ুন: আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ মিস করলে কী হবে জানেন কি?

এই বাজেট পদ্ধতিতে প্রতিটি নতুন আর্থিক চক্র শূন্য থেকে শুরু হয়। অর্থাৎ আগের বছরের কোনও খরচ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হয় না। প্রতিটি বিভাগ, প্রকল্প বা কার্যক্রমকে ব্যাখ্যা করতে হয় কেন সেই খরচ প্রয়োজন এবং কীভাবে তা ব্যবসার লক্ষ্যে সহায়তা করবে।

প্রচলিত বাজেট ব্যবস্থার সঙ্গে ZBB-এর মূল পার্থক্য এখানেই। যেখানে প্রচলিত বাজেট অতীতের খরচের উপর নির্ভর করে, সেখানে জিরো-বেসড বাজেটিং বর্তমান প্রয়োজন, সম্ভাব্য ফলাফল এবং খরচের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের উপর গুরুত্ব দেয়।

আরও পড়ুন: নতুন নিয়মে PF তোলা আরও সহজ, UPI পরিষেবা সহ বদলাচ্ছে একাধিক নিয়ম

এই পদ্ধতিতে প্রথমে বিভিন্ন খরচের ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়। এরপর প্রতিটি ক্ষেত্রে কত খরক হবে, সেটা হিসাব করা হয়, যেখানে সম্ভাব্য ব্যয়, উদ্দেশ্য এবং কারণ হিসাব করতে হয়। এরপর গুরুত্বের উপর ভিত্তি করে এই সব খরচকে মূল্যায়ন করা হয় ও সেই অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ করা হয়।

একই ভাবে আপনি আপনার নিজের বাজে খরচ কমানোর চেষ্টা করতে পারেন। প্রথমেই আপনাকে হিসাব করতে হবে আপনার মাসে কোন খাতে কত খরচ। এর মধ্যে আপনি যদি ভাড়া থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাড়ি ভাড়া আসবে। এ ছাড়াও আপনার খাওয়ার খরচ, পরিবারের বাকি সদস্যদের খরচ, জামা কাপড় কেন ইত্যাদিকে ধরতে হয়। আবার একাধিক বাজে খরচকে বাদও দিতে হয় এই ক্ষেত্রে।

যেমন ধরা যাক, প্রতি মাসে কোনও সাবস্ক্রিপশনে টাকা কেটে যায়, অথচ সেই সাবস্ক্রিপশন আপনার তেমন ভাবে কাজে লাগে না। সাধারণত OTT প্ল্যাটফর্মের পিছনে এই ভাবে খরচ হয় আমাদের। প্রথমেই সেগুলোকে বাজে খরচের মধ্যে ঢোকাতে হবে। আর এই ভাবে বাজেট করলে পরবর্তীতে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়াও বেশ সুবিধাজনক হয়ে যায়।

তবে এই পদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। প্রতিটি খরচ বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করার কারণে এটা করতে বেশ সময় লাগে। এর ফলে, ব্যস্ত জীবনে অনেকেই কোনও বাজেটের চেষ্টাও করে না। আর দক্ষ ব্যবস্থাপনা আর বিশ্লেষণ যদি ভুল হয়, তাহলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Business

Read Previous

CAB News: অভিষেকের...

Read Next

Mithun Daughter: বিদেশের...