Bengal Cricket: আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রঞ্জি জয়ীর বিরুদ্ধে! পাল্টা আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রণবের

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
সন্দীপ সরকার, কলকাতা: তিনি বাংলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। বাংলা শেষ যেবার রঞ্জি ট্রফি জিতেছিল, সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই দলের তিনি ছিলেন ওপেনার। সেই প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে এবার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন জনৈক শ্যামল দাস।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: তিনি বাংলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। বাংলা শেষ যেবার রঞ্জি ট্রফি জিতেছিল, সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই দলের তিনি ছিলেন ওপেনার। ভারতীয় দলেও খেলেছেন। সেই প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে এবার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন জনৈক শ্যামল দাস। সিএবি-তে প্রণবের বিরুদ্ধে চিঠি জমা করলেন তিনি। যা নিয়ে সরগরম বঙ্গ ক্রিকেট। অভিযোগ উড়িয়ে প্রণব রায় বললেন, তিনি সিএবি-র বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সরব বলে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে।

প্রণবের আর এক পরিচয়, তিনি বাংলা ক্রিকেটের কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র। প্রণবের বিরুদ্ধে সিএবির গঠনতন্ত্রের ৭০ নম্বর ধারায় অভিযোগ এনেছেন শ্যামল। অ্যাপেক্স কাউন্সিলে ১৩ পাতার অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। এবং ২০২৫ সালের সিএবি ওম্বাডসম্যানের একটি নির্দেশের কথাও উল্লেখ করেছেন।

ঠিক কী অভিযোগ প্রণবের বিরুদ্ধে?

চিঠিতে লেখা হয়েছে, সিএবি অনুমোদিত মোহনলাল ক্লাবের প্রকৃত ঠিকানা ৫৭ সি, বাগবাজার স্ট্রিট, কলকাতা - ৭০০০০৩ হিসাবে নথিবদ্ধ রয়েছে। অভিযোগ, ওই একই ক্লাবের নামে গৌরীবাড়ি এলাকার অস্তিত্বহীন একটি সংস্থার কথাও বলা রয়েছে। ওম্বাডসম্যানের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওই ক্লাব নাকি ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে! আর এক্ষেত্রে নাকি জড়িত প্রণব। সব ক্ষেত্রেই নাকি প্রণব সই করে চেক নিয়েছেন। চেকের নম্বরও দেওয়া রয়েছে অভিযোগপত্রে। 

প্রণব ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি হিসাবে সিএবি অ্যাপেক্স কমিটির সদস্য। শ্যামল দাস অভিযোগপত্রে প্রণবকে অবিলম্বে সিএবির অ্যাপেক্স কমিটি থেকে বহিষ্কার করার আবেদন করেছেন। পাশাপাশি মোহনলাল ক্লাবের ৪০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়া, অডিট এবং এই ঘটনাটিকে জালিয়াতি ও প্রতারণা বলে FIR দায়ের করার নির্দেশ দেওয়ার জন্য সিএবি-র কাছে আবেদন করেছেন তিনি।

যদিও গোটা ঘটনাটাই সুপরিকল্পিত বলে পাল্টা বোমা ফাটিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি বললেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যে, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার পরিবারের একটা সুনাম রয়েছে। সেটা ক্ষুণ্ণ করা, আমার পরিবারকে হেয় করা ও সকলকে ভুল বোঝানোর জন্য এটা করা হচ্ছে। একটা সুপরিকল্পিত, প্রতিশোধমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপচেষ্টা।’ প্রণব আরও বললেন, ‘আমি মোহনলাল ক্লাবের একজন সাধারণ সদস্য। যে সময়ের কথা বলা হয়েছে, সেই সময়ে আমি মোহনলাল ক্লাবে কোনও পদে ছিলাম না। এই অভিযোগের অনেকগুলিই আদালতে বিচারাধীন। তাই এই নিয়ে সংবাদমাধ্যমে এর বেশি কিছু বলব না।’

পাল্টা আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন প্রণব। বললেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যাঁরা অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার অধিকার আমার কাছে। এছাড়া উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি তুলে ধরব। সিএবি-র বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে আমি সরব হয়েছি বলে এটা আমার মুখ বন্ধ করানোর একটা কৌশল। ক্রিকেটের প্রতি আমার ও আমার পরিবারের যা অবদান, সেটাকে নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।’

ঘটনা হচ্ছে, কিছুদিন আগেই প্রণব রায়ের সঙ্গে সিএবি-র সংঘাত বেঁধেছিল পঙ্কজ রায়ের জন্মদিন পালনকে নিয়ে। প্রণব অভিযোগ করেন, তাঁর বাবার জন্মদিনে তিনি বা পরিবারের কেউ আমন্ত্রিত ছিলেন না। সিএবি দাবি করে, তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তার চেয়েও বেশি চাঞ্চল্য ছড়ায়, বাসি ফুল দিয়ে পঙ্কজ রায়ের জন্মবার্ষিকী পালনের অভিযোগ ওঠায়। সিএবি-র কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চেয়ে চিঠি দেন প্রণব। যদিও সিএবি জবাব দেয়নি। সেই ঘটনার পর সিএবি-র এক কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কুরুচিকর পোস্ট করেছিলেন বলে প্রণব বিরাট অঙ্কের মানহানির মামলাও করেছিলেন।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Sports. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Sports

Read Previous

IND vs ENG: গত সিরিজ়ে...

Read Next

Serena Williams: চার বছর পর...