Bhopal AIIMS News: ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুকে ফর্মালিন ইঞ্জেকশন, বেঘোরে মৃত্যু, ভয়ঙ্কর ঘটনা AIIMS-এ

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি: ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুকে ভুল ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ। ভোপাল AIIMS-এ ভর্তি ছিল তিন বছরের শিশুটি।

নয়াদিল্লি: ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুকে ভুল ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ। ভোপাল AIIMS-এ ভর্তি ছিল তিন বছরের শিশুটি। প্রেসক্রিপশনে লেখা চিকিৎসাপদ্ধতি অনুসরণের পরিবর্তে শিশুটির শরীরে ফর্মালিন ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয় বলে দাবি পরিবারের। সেই নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কাঠগড়ায় ভোপাল AIIMS-এর দুই নার্স। (Formalin Injection Kills Child)

ঘটনাটি আসলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের। হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ তদন্তে সম্প্রতি বিষয়টি সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়েছিল শিশুটির শরীরে। তাতেই শিশুটি মারা যায়। গোটা ঘটনায় কর্মীদের গাফিলতি স্পষ্ট। অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। (Bhopal AIIMS)

মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার বাসিন্দা তিন বছরের সার্থক যাদব লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত ছিল। ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর ভোপাল AIIMS-এর শিশুবিভাগে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তদন্তের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, শিশুটির ইন্ট্রাভেনাস লাইনটি ব্লক হয়ে যায়। নার্সিং অফিসার মধুবারা শর্মা  ‘F’ লেখা সিরিঞ্জ থেকে সাবস্ট্যান্স নিয়ে শিশুটির শরীরে প্রয়োগ করেন। ভাল করে চোখ মেলে দেখেনওনি তিনি।

আরও পড়ুন: গাছের শরীরে জোনাকির জিন, বিদ্যুৎ ছাড়াই আলো পাবে পৃথিবী, বিজ্ঞানের নয়া সৃষ্টি

পরিবারের অভিযোগ, সার্থকের বাবা বার বার সতর্ক করছিলেন। প্রেসক্রিপশনের সঙ্গে ইঞ্জেকশনটি মিলছে না বলে জানান। কিন্তু তাঁর কথায় কর্ণপাত করেননি কেউ। বরং ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু ইঞ্জেকশন দেওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই সার্থকের স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে। জ্ঞান হারালে ICU-তে স্থানান্তরিত করতে হয় তাকে। এর পর চেষ্টা করেও আর সার্থককে ফেরাতে পারেননি চিকিৎসকরা। সকাল ৮টা বেজে ৪৫ মিনিটে মারা যায় সার্থক।

হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা যায়, ফর্মালিন ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় সার্থককে। হাসপাতালের ল্যাবে বায়োপসির নমুনা এবং মানবদেহের কোষ সংরক্ষণে ফর্মালডিহাইড গ্যাসের জলীয় দ্রবণটি ব্যবহার করা হয়। সেটি একটি বিষাক্ত রাসায়নিক, যা কোনও অবস্থাতেই মানবশরীরে প্রয়োগ করা উচিত নয়। তাহলে সার্থকের শরীরে ফর্মালিন গেল কেন? তদন্তে দেখা যায়, আনুকা গুজরাতি নামের আর এক নার্স সিরিঞ্জে ফর্মালিন ভরে রেখেছিলেন ল্যাবের জন্য। কিন্তু সেটি নির্ধারিত জায়গায় রাখার পরিবর্তে, সার্থকের শয্যার পাশে রাখা ছিল। সেই ইঞ্জেকশনই সার্থকের শরীরে যায়। 

আরও পড়ুন: তরুণীকে মৃত্য়ুর দিকে এগিয়ে দিল ChatGPT? মারাত্মক অভিযোগ, AI-কে মনের কথা বলা কি বিপজ্জনক

গোটা ঘটনার জন্য ওই দুই নার্সকেই দায়ী করা হচ্ছে। ১১ জুন তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।  গাফিলতির জেরে মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, আনুকার বিরুদ্ধে বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবহার এবং মজুতে গাফিলতির মামলা দায়ের হয়েছে। তবে ওই দুই নার্সের নাগাল মিলছে না। তাঁদের খোঁজ চলছে। এই ঘটনায় হাসপাতালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দেশের প্রথম সারির চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসার এই হাল কেন, ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপর নজরদারি নেই কেন, উঠছে প্রশ্ন।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - India. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - India

Read Previous

Abhishek Kunal Rift: মমতার...

Read Next

Saayoni Ghosh: 'সব জেনে...