We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Crime News: প্রেমিকার ভাড়া বাড়িতেই স্ত্রী'কে খুনের পরিকল্পনা, বিয়ের তিনমাসের মধ্যেই তরুণীকে গুলিতে শেষ করলেন স্বামী
মানেসর, হরিয়ানা : প্রেমিকার ভাড়া বাড়িতে স্ত্রী'কে খুনের পরিকল্পনা। বিয়ের তিন মাসের মধ্যেই ২২ বছরের তরুণীকে গুলি করে খুন করেছেন তাঁর স্বামী। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রেমিকার ভাড়া বাড়িতে আগে থেকেই স্ত্রী'কে খুনের পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন যুবক। আর সেই কাজে তাঁকে পুরোপুরি সাহায্য করেছিলেন তাঁর প্রেমিকা। নিজের তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রেমিকার সঙ্গে মিলে বিয়ের তিনমাসের মধ্যেই স্ত্রী'কে গুলি করে খুন করেছেন ওই অভিযুক্ত যুবক। এই ঘটনা ঘটেছে হরিয়ানার গুরুগ্রামের মানেসরে।
গত ২২ মে তরুণীর মা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন যে মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। মানেসর থানায় এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগকারিণী জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে মানেসরের বাসিন্দা অঙ্কিতের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর মেয়ের। কিন্তু ২১ মে থেকে তাঁর মেয়ে নিখোঁজ। শ্বশুরবাড়িতে খোঁজ নিয়েও কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি বলে জানান নিখোঁজ তরুণীর মা। সন্দেহ জাগে মায়ের মনে। তিনি অনুমান করেন মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পিছনে তাঁর জামাই এবং শ্বশুরবাড়ির লোকের হয়তো যোগ রয়েছে। থানায় এফআইআর দায়ের করেন নিখোঁজ তরুণীর মা। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। আর তারপরেই সামনে আসে শিউরে ওঠার মতো তথ্য।
তদন্ত চলাকালীন মানেসরের একটি ঘর থেকে তরুণীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত ২২ মে উদ্ধার হয় তরুণীর দেহ। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে তরুণীর। তদন্ত আরও এগোলে পুলিশ বুঝতে পারে গুলি করে খুন করা হয়েছে ২২ বছরের ওই তরুণীকে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত ২৫ বছরের অঙ্কিত (মৃত তরুণীর স্বামী) এবং তাঁর ৩৮ বছরের প্রেমিকা রজনী দেবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, রজনী হরিয়ানার ঝাজ্জর জেলার বাসিন্দা। পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মানেসরে অঙ্কিতের একটি তামাকের দোকান রয়েছে। বিগত তিন বছর ধরে রজনী দেবীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁর।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে ঘটনার দিন রজনীর ভাড়া করা ঘরে অঙ্কিতই নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী'কে। খুনের প্রায় ২ মাস আগে উত্তরপ্রদেশ থেকে কেনা হয়েছিল বন্দুক। এরপর পরিকল্পনা করে তরুণীকে খুন করেন অঙ্কিত এবং তাঁর প্রেমিকা। খুনের পর ২ অভিযুক্তই পালিয়ে যান হরিদ্বারে। এরপর নেপালে পালিয়ে যান তাঁরা। গত ৩০ জুন পর্যন্ত পলাতক ছিলেন এই ২ অভিযুক্ত। তবে ভারতে ফিরতেই তাঁদের গ্রেফতার করে পুলিশ। আপাতত পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এই ২ অভিযুক্ত এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের ঘটনার সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কেও।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - India. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
সোহিনী চক্রবর্তী