Dowry News: পণের দাবিতে বেল্ট দিয়ে মার, চাকরি ছাড়তে চাপ, বিয়ের ৭২ দিনের মধ্যেই শেষ তরুণী

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
দিল্লি : বিয়ে হয়েছিল মাত্র ৭২ দিন। তার মধ্যেই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে ২৮ বছরের আকৃতি সুতারের। দিল্লির এক আবাসন থেকে উদ্ধার হয়েছে আকৃতির দেহ।

দিল্লি : বিয়ে হয়েছিল মাত্র ৭২ দিন। তার মধ্যেই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে ২৮ বছরের আকৃতি সুতারের। দিল্লির এক আবাসন থেকে উদ্ধার হয়েছে আকৃতির দেহ। এমনভাবে মাটিতে পড়েছিল আকৃতির দেহ, দেখে মনে হবে যেন উঁচু থেকে পড়ে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই বলা হয়েছে, আকৃতি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এবং আত্মঘাতী হয়েছেন। যদিও মৃতার পরিবার এই অভিযোগ নস্যাৎ করেছে। এমনকী জানা গিয়েছে, মারা যাওয়ার আগের দিন অফিসে যোগ দিয়েছিলেন আকৃতি। সহকর্মীদের জন্য একটি ছোট পার্টির আয়োজনও করেছিলেন। এর থেকে স্পষ্ট যে মোটেই মানসিক অবসাদে ভুগে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় দাঁড়িয়েছিলেন না আকৃতি। 

প্রেমিকার ভাড়া বাড়িতেই স্ত্রী'কে খুনের পরিকল্পনা, বিয়ের তিনমাসের মধ্যেই তরুণীকে গুলিতে শেষ করলেন স্বামী

এই ঘটনায় আকৃতির স্বামী আরাস্তু সিক্কাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশের কাছে ইতিমধ্যেই দায়ের হয়েছে একটি অভিযোগ। সেখানে বলা হয়েছে পণের জন্য চরম অত্যাচার চালানো হতো আকৃতির উপর। শনিবার ৪ জুলাই সন্ধ্যায় দিল্লির লোদি কলোনি এলাকায় একটি আবাসন থেকে উদ্ধার হয়েছে আকৃতির দেহ। আর তারপর থেকেই প্রকাশ্যে আসছে হাড়হিম হয়ে যাওয়ার মতো একের পর এক তথ্য। তরুণীর পরিবারের দাবি, তাঁদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে। আকৃতির স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দিকেই আঙুল তুলেছেন তাঁরা। গত ২৪ এপ্রিল বিয়ে হয়েছিল আকৃতি এবং আরাস্তু- র। এই জন্য ছুটিতে ছিলেন আকৃতি। মারা যাওয়ার আগের দিনই, অর্থাৎ শুক্রবার ৩ জুলাই অফিসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এমনকী সেদিন সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ নিজের মায়ের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন আকৃতি। আর সেই সময় একেবাএই স্বাভাবিক ব্যবহার করেছিলেন তিনি, জানিয়েছেন আকৃতির মা। মায়ের সঙ্গে অফিসের পার্টি নিয়েও কথা বলেছিলেন আকৃতি। 

এর ঘন্টা ২ পরে আকৃতির স্বামী ফোন করে তাঁর পরিবারের লোকজনকে খবর দেয় যে আকৃতিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার ঘণ্টা দেড়েক পর পুলিশ জানায় পালিকা কুঞ্জের কাছে এক মহিলার দেহ পাওয়া গিয়েছে। দেখা যায়, সেটা আকৃতির দেহ। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে আকৃতিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তরুণী আত্মহত্যা করেছেন এমন অভিযোগ উঠলেও আকৃতির পরিবার স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের মেয়ে মানসিক ভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। এরকম সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন না তিনি। আকৃতির মা অভিযোগ করেছেন, তাঁর মেয়েকে বিয়ের পর থেকে ক্রমাগত চাকরির ছাড়ার জন্য এবং সন্তান নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হতো। আর এই কাজ করতেন আকৃতির স্বামী এবং ননদ। এখানেই শেষ নয়। পণের নামে চলত অকথ্য অত্যাচার, নির্যাতন। বেল্ট দিয়ে মারধর করা হতো আকৃতিকে, এমন অভিযোগও করেছেন তাঁর মা। 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - India. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - India

Read Previous

Success Story: অভাবের...

Read Next

Crime News: প্রেমিকার...