Employees Pension Scheme: ১০ বছর কাজ করলেই পেনশন গ্যারান্টি, EPFO-র এই বিষয়ে আপনি জানেন কি ? 

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
EPS News Update: অবসরকালে (Retiremnt Benefit) নিশ্চিত আর্থিক ভবিষ্যেতের কথা চিন্তা করলে আপনিও ভেবে দেখতে পারেন এই বিষয়ে। ক্ষেত্রে (Private Sector) কাজ করেও আপনি আজীবন পেতে পারেন পেনশন (Employees Pension Scheme)।

EPS News Update: অবসরকালে (Retiremnt Benefit) নিশ্চিত আর্থিক ভবিষ্যেতের কথা চিন্তা করলে আপনিও ভেবে দেখতে পারেন এই বিষয়ে। যেখানে বেসরকারি সংগঠিত ক্ষেত্রে (Private Sector) কাজ করেও আপনি আজীবন পেতে পারেন পেনশন (Employees Pension Scheme)। সেই ক্ষেত্রে কেবল আপনাকে ১০ বছর কাজ করতেই হবে ওই প্রতিষ্ঠানে। জেনে নিন, কোন স্কিমে এই সুবিধা পাবেন আপনি। 

কোন স্কিমে এই সুবিধা
সাধারণত এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড বলতেই আমরা প্রভিডেন্ট ফান্ডের কথা বুঝি। প্রতি মাসে বেতন থেকে একটা নির্দিষ্ট অংশ কেটে নেওয়া হয় এই ফান্ডে। তবে এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পেনশনের বিষয়ও। অবসরের পর বেসরকারি সংস্থার কর্মীরাও পান এই পেনশনের সুবিধা। তবে সবার ক্ষেত্রে এই সুবিধার অপশন নেই। কেবল যারা ১০ বছর প্রতিষ্টানে কাজ করেছেন ,তাদের জন্য রয়েছে আজীবন পেনশনের সুবিধা। 

কবে থেকে এই সুবিধা
অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ইপিএফ-এর পাশাপাশি কর্মচারীরা এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম (EPS)-এর অধীনে আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। ১৯৯৫ সালে চালু হওয়া এই স্কিমটি পরিচালনা করে 'এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন' (EPFO)। বেসরকারি ক্ষেত্রের কর্মীদের অবসরের পর আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়াই এই স্কিমের মূল উদ্দেশ্য।

কারা এই পেনশন পাওয়ার যোগ্য ?
আপনাকে একটা বিষয়ে মনে রাখতে হবে, ইপিএস (EPS) থেকে প্রতি মাসে পেনশন পেতে হলে আপনাকে মূলত দুটি শর্ত পূরণ করতে হবে।

ন্যূনতম ১০ বছরের চাকরি: আপনাকে সংগঠিত ক্ষেত্রে বা যেকোনও পিএফ নথিভুক্ত সংস্থায় কমপক্ষে ১০ বছর চাকরি করতে হবে।

নির্দিষ্ট বয়স: সাধারণত ৫৮ বছর বয়স হওয়ার পর এই মাসিক পেনশন চালু হয়। তবে কোনও কর্মী চাইলে ৫০ বছর বয়সের পর থেকে কিছুটা কম হারে আগাম পেনশন নেওয়া শুরু করতে পারেন।

এই ক্ষেত্রে কীভাবে হিসেব করা হয় পেনশনের টাকা ?
আপনার অবসরের পর প্রতি মাসে কত টাকা পেনশন পাবেন, তা একটি নির্দিষ্ট ফর্মুলার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়:

মাসিক পেনশন = (পেনশনযোগ্য বেতন × পেনশনযোগ্য চাকরির মেয়াদ) ÷ ৭০

পেনশনযোগ্য বেতন : অবসরের ঠিক আগের ৬০ মাসের গড় বেতনকে এখানে ধরা হয় (বর্তমানে এর সর্বোচ্চ সীমা ১৫,০০০ টাকা নির্ধারিত)।

পেনশনযোগ্য চাকরি : আপনি যত বছর চাকরি করেছেন এবং আপনার ইপিএস-এ টাকা জমা পড়েছে, সেই সময়কাল।

কীভাবে হবে এই হিসেব
মনে করুন, কোনও কর্মীর পেনশনযোগ্য বেতন ১৫,০০০ টাকা ও তিনি ১০ বছর চাকরি করেছেন। তবে তার মাসিক পেনশন হবে: (১৫,০০০X ১০)/৭০ = ২,১৪৩ টাকা। চাকরির মেয়াদ যত বেশি হবে, পেনশনের পরিমাণও তত বাড়বে।শুধু নিজের জন্য নয়, সুরক্ষিত থাকবে পরিবারওইপিএস স্কিমের সুবিধা শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর অবসরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। 

আপনার পরিবারের জন্যও বড় সুরক্ষা কবচ
পারিবারিক পেনশন পাওয়া যাবে : কোনও কারণে গ্রাহকের মৃত্যু হলে তার স্বামী/স্ত্রী ও সন্তানরা নিয়ম অনুযায়ী ফ্যামিলি পেনশন পাবেন।
দিব্যাঙ্গণ পেনশন: চাকরি জীবনে কোনও কর্মী স্থায়ীভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হলে, তিনি এই স্কিমের অধীনে বিশেষ পেনশন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

আরও পড়ুন : DA-র সঙ্গে জুড়ে যাবে বাড়ি ভাড়া ভাতা ? বেড়ে যাবে সরকারি কর্মীদের বেতন, অষ্টম বেতন কমিশনে কী আপডেট 

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Banking. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Banking

Read Previous

UPSC Success Story: খাবার...

Read Next

Abhishek Banerjee: ‘বার্ধক্য...