We currently don't have news in this language. Please choose another language.
G Sindhushree: হাতে বাবার ছবি, চোখে জল, পোল্ট ভল্টে জাতীয় রেকর্ড গড়েই প্রয়াত বাবাকে মনে পড়ছে সিন্ধুশ্রীর
নয়াদিল্লি: মাথার ওপর বাবার ছায়া নেই। বাড়িতে আর্থিক অনটন। তারমধ্যেই স্বপ্নপূরণের লড়াই চলছি। কোনও দামি ক্রীড়া সরঞ্জামও কেনার সামর্থ্য নেই। এত প্রতিকূলতার মধ্য়েই মহিলাদের পোল ভল্টে জাতীয় রেকর্ড গড়লেন জি সিন্ধুশ্রী (G Sindhushree)। ভুবনেশ্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় আন্তঃরাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছিলেন তরুণী ভোল্টার। রেকর্ড গড়ে এশিয়ান গেমসের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন সিন্ধুশ্রী। আর রেকর্ড গড়েই বাবাকে মনে পড়ছে কর্ণাটকের এই তরুণীর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছিলেন সিন্ধুশ্রীর বাবা। সেই ২০২২ সাল থেকেই বাবার স্বপ্নপূরণের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ দিনে তাই বাবাকে খুব মনে পড়ছে সিন্ধুশ্রীর। ছবি তোলার সময় বাবার পাসপোর্ট সাইজের ছবিও হাতে নিয়েই কথা বলছিলেন। গলায় তখন আবেগ...
No money to buy proper equipment, Sindhushree used borrowed pole to break national record.
— News Arena India (@NewsArenaIndia) June 26, 2026
She says-
“My father died in 2022 due to heart attack. What I achieved today is all because of my father.
Every morning, he would take me for running and he wanted me to play for the… pic.twitter.com/7I3jlfXeJS
সিন্ধুশ্রী বলছেন, 'আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে দেখাটা আমার বাবার স্বপ্ন ছিল। আজ আমি যেটুকু যা পেরেছি পুরোটাই বাবার জন্য। কিন্তু এটাই খারাপ লাগে যে আজ যখন আমি সেই স্বপ্ন পূরণ করেছি, বাবা তা দেখার জন্য এখানে নেই। ২০২২ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছিলেন তিনি। প্রতিদিন সকালে উনি উঠেই আমাকে নিয়ে দৌড়োতে বেরিয়ে যেতেন। উনি আমাকে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখতে চেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে। আমি এশিয়াম গেমসে প্রতিনিধিত্ব করার সঙ্গে সঙ্গেই বাবার স্বপ্নপূরণ করতে চলেছি।'
উল্লেখ্য, ৪.২৫ মিটার উচ্চতা অতিক্রম করে তামিলনাড়ুর অ্যাথলিট বারানিকা এলাঙ্গোভানের এক মাস আগে গড়া ৪.২০ মিটারের আগের জাতীয় রেকর্ডটি ভেঙেছেন সিন্ধশ্রী। তিনি আরও বলেন, 'আমি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিলাম। কিন্তু তা দেখার জন্য আমার বাবা সেখানে ছিলেন না। আমাদের পরিবারে আমিই প্রথম খেলাধুলা করছি। পরিবারের অন্য সদস্যরা কোনও মেয়েকে খেলাধুলায় পাঠাতে চাইতেন না। আমার বাবা তাঁদের সবার বিরোধিতা করেছিলেন, আর সেই কারণেই আমি ২০১৬ সালে বেঙ্গালুরুর SAI হস্টেলে যোগ দিই। তখন থেকেই আমার ক্রীড়া-জীবনের যাত্রা শুরু হয়।'
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Sports. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
গৌতম রায়