We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Hockey India: কিউয়িদের ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে হকিতে নেশন্স কাপ জয় ভারতের মেয়েদের
অকল্যান্ড: নেশন্স কাপে জয় ভারতীয় মহিলা হকি দলের (Indian Womens Hockey Team)। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২-০ ব্য়বধানে হারিয়ে দল ভারতীয় মহিলা হকি দল। খেলার শুরুতেই এগিয়ে যায় মহিলা হকি দল। খেলার ৪ মিনিটের মাথায় ভারতীয় দলের হয়ে গোল করেন নবনীত কৌর। এরপর সেই কোয়ার্টারেই ১৫ মিনিটের মাথায় সুনেলিতা টোপ্পোর গোলে ভারত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। গোটা ম্য়াচে নিউজিল্যান্ডের তরফেও বেশ কয়েকবার আক্রমণ করা হচ্ছিল। কিন্তু ডিফেন্স এতটাই শক্ত ছিল ভারতের যে কিউয়িদের পক্ষে গোলমুখ খোলা সম্ভব হয়নি।
ফাইনালেও দুরন্ত পারফরম্য়ান্সের সুবাদে 'প্লেয়ার অফ দ্য ম্য়াচ' হয়েছেন লালরেমসিয়ামি। টুর্নামেন্টে ৬ গোল কর যুক্তরাষ্ট্রের প্লেয়ারের সঙ্গে যুগ্মভাবে সর্বাধিক গোলের মালিক হয়েছেন দীপিকা। এটি ছিল ভারতের দ্বিতীয়বার এই টুর্নামেন্টে খেতাব জয়। ২০২২ সালে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী আসরেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। গোটা টুর্নামেন্টে অপরাজিত ছিল ভারতীয় দল। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ৩-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। এরপর জাপানের বিরুদ্ধে ২-১ ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ৩-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয়। এরপর সেমিফাইনালে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পায় ভারতীয় মহিলা হকি দল। চিলির বিরুদ্ধে ৬-০ গোলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল।
ফুটবল বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড
এবারের বিশ্বকাপে মাত্র ৩৩ ম্য়াচেই গোলের সেঞ্চুরি হয়েছে। গত ৬৮ বছরে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম ম্য়াচে ১০০ গোল হল। ২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ফাইনাল পর্বে ১০০ গোলে পৌঁছতে ৩৬ ম্যাচ লেগেছিল। ১৯৮২ সালে ফুটবল বিশ্বকাপেও সমানই হয়েছল। কিন্তু এবার ৩৩ ম্য়াচ সময় লাগল। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্তিনা ও ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপেও ১০০ গোলে পৌঁছতে ৩৮টি ম্যাচ লেগেছিল। গত ১১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে মেক্সিকোর হুলিয়ান কিনিওনেস এই বিশ্বকাপের প্রথম গোলটি করেছিলেন। মেক্সিকো সিটিতে সেই উদ্বোধনী ম্যাচের পর থেকে গোলের বন্যা অব্যাহত রয়েছে। ১৪ জুন হিউস্টনে অভিষেককারী কুরাসাওকে জার্মানির ৭-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করা থেকে শুরু করে চার দিন পরে ভ্যাঙ্কুভারে কাতারকে কানাডার ৬-০ ব্যবধানে হারানো পর্যন্ত, গোলের যেন এক মহাপ্লাবন দেখা গেছে। এত বেশি গোল হওয়ার একটি কারণ হতে পারে ম্যাচগুলোতে ব্যবহৃত অ্যাডিডাসের ‘ট্রিওন্ডা’ বল। দেখা যাচ্ছে, বলটির গতিপথে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন গোলরক্ষক বিভ্রান্ত হয়েছেন।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Sports. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
গৌতম রায়