We currently don't have news in this language. Please choose another language.
এখনও পর্যন্ত কত জন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেলেন ? জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
পূর্ব মেদিনীপুর: শুরু হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণ শিবির । এটি একটি নতুন নাগরিক-কেন্দ্রিক জনসংযোগ কর্মসূচি। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা এবং সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হল।
১৫ থেকে ১৭ জুন রাজ্যজুড়ে চলবে জনকল্যাণ শিবির। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় একটি অনুষ্ঠা থেকে মুখ্যমন্ত্রী কর্মসূচি শুরু করেন। সেখানেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেন তিনি। অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টানা ১২ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে একটি উল্লেখযোগ্য নজির গড়েছেন। সেই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে । ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন রাজ্যের প্রায় ১,১০০ স্থানে জনকল্যাণ শিবির অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে উপকৃত হবেন রাজ্যবাসী। সরকারি নানা প্রকল্পের ফর্ম পাওয়া যাবে এখানে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই শিবিরগুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য উপভোক্তাদের নথিভুক্তকরণ করা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল উপভোক্তা তালিকা তৈরি করা।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ করেন, আগের সরকারের আমলে চলা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে এমন বহু নাম পাওয়া যাচ্ছে, যাঁরা প্রকৃতপক্ষে সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যাচাইয়ের সময় একাধিক অসঙ্গতি সামনে এসেছে। তাঁর দাবি, “যেখানেই হাত দিচ্ছি, বিগত সরকারের দুর্নীতির খোঁজ মিলছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন প্রকল্পে ভুয়ো উপভোক্তার অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। উদাহরণ হিসেবে ডোমকলের একটি ব্লকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্টের খোঁজ পাওয়ার কথা বলেন তিনি। এমনকি পুরুষদের নামে বিধবা ভাতা পাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে বলে জানান। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই সুবিধা পাওয়ার অধিকার শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের। রাজ্যের প্রকৃত নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করাই প্রশাসনের লক্ষ্য হওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
কতজন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেলেন?
সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ-এর জন্য জমি হস্তান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, “শাসকের আইন নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে ১২৫ দিনের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইতিমধ্যেই ৭৯ লক্ষ মা-বোনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পৌঁছে গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের স্বচ্ছতা, উপভোক্তা যাচাই এবং প্রশাসনিক সংস্কারকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
ABP Ananda