We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Howrah TMC News: ভাঙছে হাওড়ার জেলা পরিষদও, অনাস্থা প্রস্তাবে সই করলেন তৃণমূলেরই ২৫জন সদস্য
হাওড়া: গত ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ছিলেন সবাই। এবার পূর্ব মেদিনীপুরের পরে ভাঙছে হাওড়ার জেলা পরিষদও। জেলা সভাধিপতির বিরুদ্ধে আনা হল অনাস্থা প্রস্তাবও। এবার সেই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করলেন তৃণমূলেরই ২৫জন সদস্য। ৪২ আসনের হাওড়া জেলা পরিষদে ৪১ সদস্যই তৃণমূল কংগ্রেসের বলে জানা গিয়েছে। দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা-সহ একাধিক অভিযোগে অনাস্থা প্রস্তাব। ২৫জনের সঙ্গে যোগ দেবেন আরও সদস্য, দাবি বিদ্রোহীদের।
ক্ষমতা হারানো তৃণমূল কি এবার খানখান হওয়ার পথে? কারণ চৌঠা মে-র পর থেকে তৃণমূলের অন্দরে শুধুই বিদ্রোহ। এমনকী, খোদ মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ডাকা বৈঠকে ক্রমশ কমছে বিধায়কদের হাজিরার সংখ্য়া। পুরসভাগুলোও ভেঙে পড়েছে প্রায়।
উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরই তৃণমূলের একের পর এক নেতা, জনপ্রতিনিধি গ্রেফতার হচ্ছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উঠছে চোর স্লোগান, ধৃত নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ছে ক্ষুব্ধ জনতা। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই সামনে আসছে তৃণমূলের নেতা থেকে জনপ্রতিনিধিদের নানা কীর্তি! কাটমানি, তোলাবাজি, হুমকি-হুঁশিয়ারি, সন্ত্রাস-সহ একাধিক অভিযোগে, এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুরসভারই ৭ জন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ প্রসঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও বলেছেন, '১ মাসের মধ্যে একাধিক কাজ করেছে সরকার। চোর ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে।'
গতকালই দেখা গিয়েছিল যে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনের বাড়ির সামনে ডিম হাতে অপেক্ষা করতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। তোলাবাজির অভিযোগে ২৩ মে গ্রেফতার করা হয় ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ও ১৬ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান সুদীপ পোল্লেকে। ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলরকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় ওঠে চোর চোর স্লোগান। দেখানো হয় জুতো। দোসরা জুন তৃণমূল কাউন্সিলর সচিন সিংকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরে তাঁর নারকেলডাঙার বাড়ির সামনে চলে বিক্ষোভ।
বুধবারই বুধবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় গিয়ে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি কর্মী সঞ্জয় পয়রা। তাঁর দাবি, দাওয়াত-ই-ইসলাম শব্দবন্ধটি এবং একসময় মহিলাদের সম্পর্কে একসময় এ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিলেন, যা অনভিপ্রেত, অনুচিত এবং বিদ্বেষমূলক। ফিরহাদের মন্তব্যে তীব্র আপত্তির কথা জানান সঞ্জয়। তাঁর দাবি, আগে তৃণমূলের আমলে যখন অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন, সেই সময় অভিযোগ নেওয়া হয়নি। রাজ্যে সরকার বদল হওয়ার পরই তাঁর অভিযোগ নেওয়া হয়েছে।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - States. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
ABP Ananda