Income Tax Return: কোন আয়কর রিটার্ন ফর্ম ফিলআপ করবেন আপনি? ভুল ফর্ম ভরলেই আসতে পারে IT নোটিস

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: আয়কর রিটার্ন জমা করার মরশুম শুরু হয়েছে। তবে রিটার্ন দাখিলের আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সঠিক ITR ফর্ম নির্বাচন করা। ভুল ফর্ম ব্যবহার আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে রিটার্ন ‘ডিফেক্টিভ’ বা ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত

কলকাতা: আয়কর রিটার্ন জমা করার মরশুম শুরু হয়েছে। তবে রিটার্ন দাখিলের আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সঠিক ITR ফর্ম নির্বাচন করা। ভুল ফর্ম ব্যবহার আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে রিটার্ন ‘ডিফেক্টিভ’ বা ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। আর এর ফলে আয়কর বিভাগের নোটিস আসতে পারে ভুল ভাবে আয়কর জমা দেওয়ার ব্যক্তির কাছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভুল সংশোধন না করলে রিটার্ন বাতিলও হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: মাসে ২০ হাজার টাকার SIP করলে ২৪ বছরে কত কোটি টাকার তহবিল তৈরি হবে জানেন কি?

আয়কর বিভাগ বিভিন্ন ধরনের করদাতার জন্য মোট সাতটি ITR ফর্ম নির্ধারণ করেছে। আয়ের উৎস, বাসিন্দা মর্যাদা এবং পেশাগত অবস্থানের ভিত্তিতে ফর্ম নির্বাচন করতে হয়।

ITR-1 বা ‘সহজ’ মূলত চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের জন্য। যাঁদের বার্ষিক আয় ৫০ লক্ষ টাকার মধ্যে এবং আয়ের উৎস বেতন, পেনশন, একটি বাড়ি বা সীমিত অন্যান্য উৎস, তাঁরা এই ফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।

আরও পড়ুন: প্রভিডেন্ট ফান্ড (Employees Provident Fund Organisation) থেকে টাকা তুলবেন? সময়ের আগে তুললে কত টাকা কর লাগবে জানেন কি?

ITR-2 তাঁদের জন্য, যাঁদের Capital Gain, বিদেশি সম্পদ, একাধিক বাড়ি বা ৫০ লক্ষ টাকার বেশি আয় রয়েছে। NRI এবং RNOR-রা এই ফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।

ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার, কনসালট্যান্ট বা পেশাদারদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ITR-3। যাঁদের ব্যবসা বা পেশা থেকে আয় হয়, তাঁদের এই ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।

ITR-4 বা ‘সুগম’ মূলত Presumptive Taxation Scheme-এর আওতায় থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের জন্য। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের করদাতারা এই ফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।

অন্যদিকে, ITR-5 ব্যবহার করে পার্টনারশিপ ফার্ম, LLP, AOP এবং অনুরূপ সংস্থাগুলি। কোম্পানিগুলির জন্য রয়েছে ITR-6, তবে ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে করছাড়প্রাপ্ত সংস্থাগুলিকে ITR-7 ব্যবহার করতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল ITR ফর্ম নির্বাচন করলে রিফান্ডে বিলম্ব, অতিরিক্ত যাচাই বা নোটিসের মতো সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে। তাই রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে নিজের আয়ের উৎস ও করদাতা শ্রেণি ভালোভাবে যাচাই করে উপযুক্ত ফর্ম বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।         

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Business

Read Previous

OpenAI Sued by a Mother: তরুণীকে...

Read Next

Bengal Cricket: বাংলা...