We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Mahua Moitra: 'উনি কি কারও সঙ্গে যোগাযোগে আছেন, যাঁরা ওঁকে ওই টাকাটা দেবে বলেছে?' মহুয়া প্রসঙ্গে কটাক্ষ কাকলির
কলকাতা: এবার 'বিদ্রোহী' সাংসদদের নিশানায় তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর বিরুদ্ধে সোশাল সাইটে কুৎসার অভিযোগ। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের ভাবনা বিদ্রোহী সাংসদদের। আর এই নিয়ে ২০ জুন ভার্চুয়াল বৈঠকও করেন ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ।
এরপর মহুয়া মৈত্র তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' সাংসদদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "যদি অভিষেক বা দল যদি ওদের সমস্যা হয়, কয়েক মাস আগেও, যখন বিধানসভা নির্বাচন চলছিল, তখনও ওদের সমস্যা ছিল। এই সাংসদগুলো এক মাসে আগেও বাজেট সেশনে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেছিল, যে আমি বলব দলর হয়ে। তারা হেলিকপ্টারে করে দলের টাকা খরচ করে প্রচার করে। আমি প্রচার করেছি রিক্সা করে, বোলেরো গাড়িতে। আর তারা আজকে আমাদের নীতি শেখাবে? কেন আইনের দ্বারস্থ হন না। সমস্যাটা কী?"
অন্যদিকে, কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, তাঁরা আগে একটা আইনি পদক্ষেপের কথা ভেবেছিলেন। তিনি বলেন, "আমরা ২ দিন আগেও একসঙ্গে বসে একটা আলোচনা করেছিলাম। মূলত বিগত দিনে যাঁরা আমাদের তৃণমূলের সতীর্থ ছিলেন, বিশেষ ভাবে কীর্তি আজাদ ও মহুয়া মৈত্র, যে ধরনের মিথ্যাচার করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে একটা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল আগের দিনের বৈঠকে। এবার তার মধ্যেই, মাঝে একটা দিন গিয়েছে, আমরা দেখছি এমন ভাবে মহুয়া মৈত্র টাকার অঙ্ক তুলে বলছেন, যে নাকি লেনদেন হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, আজ এই নিয়ে আরও একটি বৈঠক হয়। এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার প্রশ্ন তোলেন, মহুয়া মৈত্র যে টাকার কথা বলছেন, সেই অফার তিনি নিজে পাননি তো? বারাসতের সাংসদ বলেন, "আমরা এর বিরুদ্ধে আজ একটা ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছিলাম। ২০ জন ছিলাম সেখানে। সেটায় আমরা একটা সিদ্ধান্তে এসেছি। যে এর এই মিথ্যা কথার বিরুদ্ধে, আমরা বিষয়ে ভাবে সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে জানতে চাই, কোনও ধরনের লেনদেন হয়নি। উনি যে ৪ কোটি, মাসে মাসে ১ কোটির খবর দিচ্ছেন, তার মানে উনি কি কারও সঙ্গে যোগাযোগে আছেন, যাঁরা ওঁকে ওই টাকাটা দেবে বলেছে? কারণ আমাদের তো কেউ বলেনি।"
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
সুপ্রিয় ঘোষ