Operation Sindoor : দেশসেবায় প্রাণ উৎসর্গ, অপারেশন সিঁদুরে শহিদ ৬ ভারতীয় জওয়ানের নাম এল সামনে

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি : অপারেশন সিঁদুর-এ (Operation Sindoor) শহিদ হয়েছিলেন ছয় ভারতীয় জওয়ান। এই প্রথমবার সরকারিভাবে তাঁদের নাম প্রকাশ্যে এল। বছর মে মাসে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত

নয়াদিল্লি : অপারেশন সিঁদুর-এ (Operation Sindoor) শহিদ হয়েছিলেন ছয় ভারতীয় জওয়ান। এই প্রথমবার সরকারিভাবে তাঁদের নাম প্রকাশ্যে এল। গত বছর মে মাসে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। সেই অভিযানের সময় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর যে জওয়ানরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁদের নাম ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালের ওয়েবসাইটে ‘রোল অফ অনার’ সেকশনে প্রকাশ করা হয়েছে এবং নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালেও তা খোদাই করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগের বিষয়টি প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ও প্রকাশ্যে স্বীকৃতি পেল। ছয় শহিদের নাম- সুবেদার মেজর পবন কুমার, রাইফেলম্যান সুনীল কুমার, ল্যান্স নায়েক দীনেশ কুমার, অ্যাভিয়েশন টেকনিশিয়ান মুড মুরলিনায়েক, হাবিলদার সুনীল কুমার সিং ও সার্জেন্ট সুরেন্দ্র কুমার। দেশের সেবায় প্রাণ উৎসর্গকারী সামরিক বাহিনীর সদস্যদের স্মরণে নিবেদিত স্মৃতিসৌধের ‘ওয়াল ৩ডি’-র ২০২৫-এর অংশে তাঁদের নাম খোদাই করা হয়েছে। 

২২ এপ্রিল, ২০২৫। দুপুর ২টো বেজে ৫০ মিনিটে পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের উপর হামলা চালায় পাঁচ জঙ্গি। ধর্ম পরিচয় জেনে ধরে ধরে খুন করে মোট ২৬ জনকে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন হিন্দু। একজন ছিলেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী, অন্য আর একজন ছিলেন মুসলিম। M4 কার্বাইন এবং AK-47 দেগে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় সকলকে। ২০০৮ সালে ২৬/১১ হামলার পর এই প্রথম নিরীহ নাগরিকদের উপর এত বড় হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার দায় স্বীকার করে The Resistance Front, যারা পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার শাখা। এই ঘটনার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জোরাল পদক্ষেপ করে ভারত।

৭ মে, ২০২৫। গভীর রাত ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযানের সূচনা করে ভারত। রাত ১টা বেজে ৫ মিনিট থেকে ১টা বেজে ৩০ মিনিটের মধ্যে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের নয়টি শিবির গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বাহওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর মরকজ সুভান। জঙ্গি নিয়োগ থেকে প্রশিক্ষণ, মগজধোলাই, সব চলত সেখান থেকেই। মুরিদকে-তে লস্কর-ই-তৈবার মরকজ তৈবা, সিয়ালকোটে হিজবুল মুজাহিদিনের মেহমুনা জোয়া ক্যাম্প, মুজফ্ফরাবাদে জইশের সৈয়দনা বেলাল ক্যাম্প, কোটলিতে লস্করের গুলপুর ক্যাম্প, আব্বাস ক্যাম্প, ভিম্বেরের অস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বরনালা ক্যাম্প, লস্করের সাওয়াই নালা ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয় ভারত। পাকিস্তানের তরফে পাল্টা ঝাঁক ঝাঁক ড্রোন ছোড়া হয়। ভারত কড়া হাতে তার মোকাবিলা করে।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - India. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - India

Read Previous

Vaibhav Sooryavanshi: অবশেষে...

Read Next

Gold And Silver Price: আচমকাই...