We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Petrol-Disel Crisis: পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বড় সিদ্ধান্ত, এত লিটারের বেশি কেনা যাবে না, নিয়ম ভাঙলে কী হবে?
কলকাতা: পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি কেনার উপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, কারখানা এবং বড় সংস্থাগুলি আর পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি কিনতে পারবে না এবং একজন গ্রাহক দৈনিক ২০০ লিটারের বেশি ডিজেল কিনতে পারবেন না, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সরকারের আদেশ অনুযায়ী, শিল্প, বাণিজ্যিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহকরা আর পেট্রোল পাম্প থেকে পেট্রোল বা ডিজেল কিনতে পারবেন না। তাদের শুধুমাত্র নিজস্ব কনজিউমার পাম্প থেকেই জ্বালানি কিনতে হবে।
পেট্রোল পাম্প সংক্রান্ত নিয়মাবলী
পেট্রোল পাম্পগুলোর জন্যও সুস্পষ্ট নিয়মকানুন নির্ধারণ করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলো এখন থেকে শুধুমাত্র গাড়ির ট্যাঙ্কে অথবা পিইএসও (PESO) কর্তৃক অনুমোদিত পাত্রে ডিজেল সরবরাহ করবে। কোনো গ্রাহক বা গাড়ি দৈনিক ২০০ লিটারের বেশি ডিজেল নিতে পারবে না। এই ডিজেল পুনরায় বিক্রি করা যাবে না। তেল কোম্পানি এবং পাম্প ডিলারদের এই নিয়মগুলো কার্যকর করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞাটি অস্থায়ী। এই আদেশের অধীনে জারি করা যেকোনো নির্দেশিকা প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে। প্রয়োজনে সরকার এই সময়সীমা বাড়াতে পারে। এছাড়াও, সরকার নির্দিষ্ট গ্রাহক, এলাকা বা লেনদেনকে এই নিয়মগুলো থেকে অব্যাহতি দিতে পারে।
সরকার কেন এই পদক্ষেপ নিল?
এই সিদ্ধান্তের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমটি হলো বৈশ্বিক পরিস্থিতি। কিছু অঞ্চলে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খল, জাহাজ চলাচল এবং পেট্রোলিয়ামের প্রাপ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই প্রেক্ষাপটে, সরকার মনে করে যে বিদ্যমান সরবরাহ বিচক্ষণতার সঙ্গে ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা অপরিহার্য। দ্বিতীয় কারণটি হল অভ্যন্তরীণ। সরকার কিছু এলাকায় পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল ও ডিজেলের বিক্রিতে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করেছে। খুচরা ও পাইকারি মূল্যের পার্থক্যের কারণে, কারখানা এবং বড় বাণিজ্যিক গ্রাহকরা সরাসরি পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি কিনছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য নির্ধারিত মজুত অন্যত্র চলে যাচ্ছিল, যা কিছু এলাকায় ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি করেছিল। সরকার আশঙ্কা করেছিল যে এর ফলে মজুতদারি ও কালোবাজারি বেড়ে যেতে পারে। তাই, সাধারণ মানুষের কাছে তেলের সরবরাহ বজায় রাখার জন্য এই আদেশ জারি করা হয়েছে।
নিয়ম ভাঙলে কী হয়?
এই আদেশ লঙ্ঘন করা ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন এবং অন্যান্য প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তদারকির জন্য, কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের গেজেটেড আধিকারিকরা, ডিএসপি বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরা এবং তেল কোম্পানির বিক্রয় আধিকারিকদের তল্লাশি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মজুতদারি, কালোবাজারি এবং পণ্য অন্যত্র সরিয়ে ফেলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকারগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ মানুষের উপর এর প্রভাব কী হবে?
আপনি যদি আপনার গাড়ি বা বাইকে তেল ভরেন, তবে আপনার জন্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। সাধারণ গ্রাহকদের জন্য কোনো বিধিনিষেধ নেই। দৈনিক ২০০ লিটারের সীমাটি সাধারণ যানবাহন মালিকদের জন্য কোনো বিষয় নয়, কারণ সাধারণ যানবাহনের ট্যাঙ্কগুলো এর চেয়ে অনেক ছোট হয়। এই আদেশের উদ্দেশ্য হল সেইসব বড় ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণ করা, যারা কম দামের সুযোগ নিয়ে পাম্প থেকে বিপুল পরিমাণে জ্বালানি কিনছিল। সরকারের লক্ষ্য হল এটা নিশ্চিত করা যে, সাধারণ মানুষ যেন পাম্পে জ্বালানি পাওয়ার সুযোগ অব্যাহত রাখে এবং কোনো ঘাটতি না হয়।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
ABP Ananda