Petrol Pump Fraud: পেট্রোল পাম্পে তেল ভরার সময় চুরি যাচ্ছে তেল ! কীভাবে জানেন ? বাঁচার উপায় কী ?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: আজকাল যখন পেট্রোলের দাম আকাশছোঁয়া এবং প্রতি লিটারের জন্য আপনার কষ্টার্জিত অর্থের মোটা টাকা খরচ করতে হচ্ছে, তখন পেট্রোল পাম্পে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে আপনার অনেক টাকা বেঁচে যেতে পারে। আমরা সবাই জানি যে মিটার ০ থেকে শুরু হওয়া উচিত, কিন্তু শুধু এটুকুই কি যথেষ্ট?

কলকাতা: আজকাল যখন পেট্রোলের দাম আকাশছোঁয়া এবং প্রতি লিটারের জন্য আপনার কষ্টার্জিত অর্থের মোটা টাকা খরচ করতে হচ্ছে, তখন পেট্রোল পাম্পে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে আপনার অনেক টাকা বেঁচে যেতে পারে। আমরা সবাই জানি যে মিটার ০ থেকে শুরু হওয়া উচিত, কিন্তু শুধু এটুকুই কি যথেষ্ট? না, এটাই যথেষ্ট নয়। সারাদেশে হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন অজান্তেই পেট্রোল পাম্পের প্রতারণার শিকার হন। তাই, পরেরবার পাম্পে যাওয়ার আগে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আপনার মনে রাখা উচিত, চলুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক। 

কোন কোন বিষয় মনে রাখবেন ?

১. 'জাম্প ট্রিক' এড়িয়ে চলুন এবং মিটারটি সাবধানে দেখুন।

মিটার ০-তে আছে কিনা তা দেখে নেওয়া সবসময় জরুরি, তাই তেল ভরার সময় অন্যদিকে তাকাবেন না। অনেক পেট্রোল পাম্প ‘জাম্প ট্রিক’ নামে একটি কৌশল ব্যবহার করে। এতে, মিটার সরাসরি ০ থেকে ১-এ যায়, তারপর মাঝের ২, ৩ এবং ৪ বাদ দিয়ে ১ থেকে সরাসরি ৫-এ লাফিয়ে যায়। এর মানে হলো, আপনার টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে কিন্তু আপনি কম পেট্রোল পাচ্ছেন। 

এ ছাড়া, ৫০০ বা ১০০০ টাকার মতো পূর্ণ অঙ্কের পরিবর্তে সবসময় ৫৭৫ বা ১৩৫৫ টাকার মতো পূর্ণ অঙ্কে পেট্রোল ভরুন। আসলে, কিছু পাম্পে একটি ইলেকট্রনিক চিপ লাগানো থাকে যা ৫০০ এবং ১০০০ টাকার মতো পূর্ণ অঙ্কের জন্য কম জ্বালানি দেয়। 

২. জ্বালানির ঘনত্ব পরীক্ষা করতে ভুলবেন না।

৯৯% মানুষই জানেন না যে পেট্রোল পাম্পের মেশিনে সবসময় তিনটি জিনিস দেখানো থাকে। পরিমাণ, লিটার এবং ঘনত্ব। ঘনত্ব বলতে পেট্রোলের বিশুদ্ধতাকে বোঝায়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, পেট্রোলের ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৭৩০ থেকে ৮০০ কিলোগ্রামের মধ্যে হওয়া উচিত। যদি এটি ৭৩০-এর নিচে হয়, তাহলে পেট্রোলটিতে জল বা অন্য কোনো অপদ্রব্য মেশানো আছে। এই ভেজাল শুধু আপনার আর্থিক ক্ষতি করে না, এটি আপনার গাড়ির ইঞ্জিনেরও ক্ষতি করছে। তাই, পরের বার পেট্রোল ভরার সময় মেশিনের স্ক্রিনে ঘনত্বের পরিমাণটি অবশ্যই দেখে নেবেন।

৩. নজল ট্রিক এবং পাওয়ার পেট্রোল থেকে সাবধান থাকুন।
আরও দুটি বড় কৌশল আছে যা খুবই সাধারণ কিন্তু তেল চুরিতে কাজে লাগায় পাম্প মালিকরা। প্রথমটি হল, ট্যাঙ্কে নজলটি লাগানোর পর অ্যাটেনডেন্ট বারবার হ্যান্ডেলটি চাপেন এবং ছাড়েন, যার ফলে বাতাসের বুদবুদ তৈরি হয় এবং মিটার চলতে থাকে কিন্তু আপনার গাড়িতে কম পেট্রোল ভরা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে এই কৌশলের কারণে প্রতি ১০ লিটারে প্রায় ২০০ মিলি পেট্রোল কম হতে পারে। তাই খেয়াল রাখবেন যেন নজলটি লক করে আপনার গাড়ির ট্যাঙ্কে লাগানো থাকে এবং অ্যাটেনডেন্ট যেন এটি স্পর্শ না করেন। 

দ্বিতীয় কৌশলটি হলো, কিছু অ্যাটেনডেন্ট না জিজ্ঞেস করেই আপনার গাড়িতে দামী হাই-অকটেন পেট্রোল ভরে দেন, যা সাধারণ গাড়ির জন্য প্রয়োজন হয় না, কিন্তু এর টাকা আপনার পকেট থেকেই যায়। 

পেট্রোল চুরির অভিযোগ কোথায় দায়ের করবেন ? 
পেট্রোল পাম্পে কখনও প্রতারিত হচ্ছেন মনে হলে, ঘাবড়ে না গিয়ে প্রতিবাদ করুন। এছাড়া আপনি 1800-2333-555 টোল-ফ্রি নম্বরে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। অভিযোগ জানালে যদি ঘটনাটি সত্যি হয় তবে মেশিনের ত্রুটির কারণে পেট্রোল পাম্পের লাইসেন্সও বাতিল হয়ে যেতে পারে। সবসময় তেল ভরার পর একটি রসিদ নিন, এটিই আপনার কাছে প্রমাণ।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Business

Read Previous

Sudip Bandyopadhyay Exclusive: "আমাকে...

Read Next

IRCTC New Website : ক্যাপচা জট...